ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেছেন, কেবল নেতার পরিবর্তন সাধারণ মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটাতে পারবে না; প্রয়োজন প্রচলিত ঘুণে ধরা রাজনৈতিক নীতির আমূল পরিবর্তন। আজ টাঙ্গাইলের বিভিন্ন আসনে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দানকালে তিনি বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মঙ্গলবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত টাঙ্গাইল-৩, ৪, ২ ও ৬ আসনের অধীনে কালিহাতী, সদর ও দেলদুয়ারে আয়োজিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চরমোনাই পীর বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের সামনে পুরোনো নীতি ও বন্দোবস্ত পরিবর্তনের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে অনেক রাজনৈতিক দল সেই সুযোগ কাজে না লাগিয়ে পুরোনো কায়েমি স্বার্থবাদ টিকিয়ে রাখার পথেই হাঁটছে।" তিনি স্পষ্ট করেন যে, ইসলামী আন্দোলন এই পুরোনো ব্যবস্থার বিরুদ্ধে নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।
নির্বাচনী প্রতীক 'হাতপাখা'র পক্ষে জনসমর্থন চেয়ে তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলন ক্ষমতায় গেলে দেশ থেকে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অর্থপাচার চিরতরে নির্মূল করা হবে। ধর্মীয় সম্প্রীতির বিষয়ে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, "ইসলামের মধ্যেই সকল ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা ও মর্যাদার নিশ্চয়তা রয়েছে। ইসলাম সবার জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল।"
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান জানান, তাদের ইশতেহারের মূল প্রতিপাদ্য হলো ‘জনপ্রত্যাশার বাংলাদেশ’। এতে শরীয়াহর প্রাধান্য, তারুণ্যের কর্মসংস্থান এবং কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, একজন আলেম ও পীর হিসেবে তাদের আমীরের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষায় জনগণ পূর্ণ আস্থা রাখতে পারে।
অন্যদিকে, টাঙ্গাইল-৬ আসনের প্রার্থী আলহাজ্ব আখিনুর মিয়া নাগরপুর ও দেলদুয়ার অঞ্চলের বঞ্চনার ইতিহাস তুলে ধরেন। তিনি নির্বাচিত হলে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে তারুণ্যের কর্মসংস্থান সৃষ্টির অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
জনসভায় ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ এবং ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি হোসাইন ইবনে সরোয়ারসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তারা একটি বৈষম্যহীন ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে ভোটারদের হাতপাখায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
বিষয় : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেছেন, কেবল নেতার পরিবর্তন সাধারণ মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটাতে পারবে না; প্রয়োজন প্রচলিত ঘুণে ধরা রাজনৈতিক নীতির আমূল পরিবর্তন। আজ টাঙ্গাইলের বিভিন্ন আসনে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দানকালে তিনি বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মঙ্গলবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত টাঙ্গাইল-৩, ৪, ২ ও ৬ আসনের অধীনে কালিহাতী, সদর ও দেলদুয়ারে আয়োজিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চরমোনাই পীর বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের সামনে পুরোনো নীতি ও বন্দোবস্ত পরিবর্তনের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে অনেক রাজনৈতিক দল সেই সুযোগ কাজে না লাগিয়ে পুরোনো কায়েমি স্বার্থবাদ টিকিয়ে রাখার পথেই হাঁটছে।" তিনি স্পষ্ট করেন যে, ইসলামী আন্দোলন এই পুরোনো ব্যবস্থার বিরুদ্ধে নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।
নির্বাচনী প্রতীক 'হাতপাখা'র পক্ষে জনসমর্থন চেয়ে তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলন ক্ষমতায় গেলে দেশ থেকে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অর্থপাচার চিরতরে নির্মূল করা হবে। ধর্মীয় সম্প্রীতির বিষয়ে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, "ইসলামের মধ্যেই সকল ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা ও মর্যাদার নিশ্চয়তা রয়েছে। ইসলাম সবার জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল।"
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান জানান, তাদের ইশতেহারের মূল প্রতিপাদ্য হলো ‘জনপ্রত্যাশার বাংলাদেশ’। এতে শরীয়াহর প্রাধান্য, তারুণ্যের কর্মসংস্থান এবং কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, একজন আলেম ও পীর হিসেবে তাদের আমীরের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষায় জনগণ পূর্ণ আস্থা রাখতে পারে।
অন্যদিকে, টাঙ্গাইল-৬ আসনের প্রার্থী আলহাজ্ব আখিনুর মিয়া নাগরপুর ও দেলদুয়ার অঞ্চলের বঞ্চনার ইতিহাস তুলে ধরেন। তিনি নির্বাচিত হলে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে তারুণ্যের কর্মসংস্থান সৃষ্টির অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
জনসভায় ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ এবং ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি হোসাইন ইবনে সরোয়ারসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তারা একটি বৈষম্যহীন ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে ভোটারদের হাতপাখায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন