দীর্ঘদিন অবরুদ্ধ থাকার পর অবশেষে গাজা উপত্যকার সঙ্গে মিশরের সংযোগকারী রাফাহ সীমান্ত পথটি 'পরীক্ষামূলক' বা পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে খুলে দেওয়া হয়েছে। ইসরায়েলি রাজনৈতিক নেতৃত্বের নির্দেশে এবং আন্তর্জাতিক তদারকিতে সীমিত সংখ্যক ফিলিস্তিনির যাতায়াতের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। যদিও আপাতত মানবিক ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি, তবে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে এটি একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গাজা উপত্যকার বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার একমাত্র প্রধান পথ রাফাহ সীমান্ত। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সিভিল বডি (COGAT) জানিয়েছে, চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এবং রাজনৈতিক নির্দেশনায় এই সীমান্তটি সীমিত আকারে চলাচলের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত সহায়তা মিশন (EUBAM Rafah) এবং মিশরীয় কর্তৃপক্ষের সরাসরি সমন্বয়ে পরিচালিত হবে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, পুরোপুরি যাতায়াত আগামীকাল (সোমবার) থেকে শুরু হতে পারে। তবে এখানে কঠোর শর্তারোপ করা হয়েছে:
২০২৪ সালের মে মাস থেকে রাফাহ সীমান্ত ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ১০ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপেই এই সীমান্ত খুলে দেওয়া এবং পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা প্রবেশের কথা ছিল। তবে ইসরায়েল চুক্তি বাস্তবায়নে ধীরগতি অবলম্বন করছে এবং বর্তমানে কেবল 'সাদা এলাকা' বা নির্দিষ্ট নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে সীমিতভাবে যাতায়াতের অনুমতি দিচ্ছে।
একদিকে যখন সীমান্ত খোলার প্রস্তুতি চলছে, অন্যদিকে গাজায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় প্রাণহানির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। আল-আকসা শহীদ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ড্রোন হামলায় একজন নিহত এবং দুজন আহত হয়েছেন। অথচ যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী ওই এলাকা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর সরে যাওয়ার কথা ছিল। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ১০ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধবিরতি চলাকালেও ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত ৫০৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দীর্ঘদিন অবরুদ্ধ থাকার পর অবশেষে গাজা উপত্যকার সঙ্গে মিশরের সংযোগকারী রাফাহ সীমান্ত পথটি 'পরীক্ষামূলক' বা পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে খুলে দেওয়া হয়েছে। ইসরায়েলি রাজনৈতিক নেতৃত্বের নির্দেশে এবং আন্তর্জাতিক তদারকিতে সীমিত সংখ্যক ফিলিস্তিনির যাতায়াতের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। যদিও আপাতত মানবিক ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি, তবে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে এটি একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গাজা উপত্যকার বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার একমাত্র প্রধান পথ রাফাহ সীমান্ত। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সিভিল বডি (COGAT) জানিয়েছে, চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এবং রাজনৈতিক নির্দেশনায় এই সীমান্তটি সীমিত আকারে চলাচলের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত সহায়তা মিশন (EUBAM Rafah) এবং মিশরীয় কর্তৃপক্ষের সরাসরি সমন্বয়ে পরিচালিত হবে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, পুরোপুরি যাতায়াত আগামীকাল (সোমবার) থেকে শুরু হতে পারে। তবে এখানে কঠোর শর্তারোপ করা হয়েছে:
২০২৪ সালের মে মাস থেকে রাফাহ সীমান্ত ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ১০ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপেই এই সীমান্ত খুলে দেওয়া এবং পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা প্রবেশের কথা ছিল। তবে ইসরায়েল চুক্তি বাস্তবায়নে ধীরগতি অবলম্বন করছে এবং বর্তমানে কেবল 'সাদা এলাকা' বা নির্দিষ্ট নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে সীমিতভাবে যাতায়াতের অনুমতি দিচ্ছে।
একদিকে যখন সীমান্ত খোলার প্রস্তুতি চলছে, অন্যদিকে গাজায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় প্রাণহানির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। আল-আকসা শহীদ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ড্রোন হামলায় একজন নিহত এবং দুজন আহত হয়েছেন। অথচ যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী ওই এলাকা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর সরে যাওয়ার কথা ছিল। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ১০ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধবিরতি চলাকালেও ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত ৫০৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন