প্রকাশের তারিখ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫
গাজায় শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের তারিখ নির্ধারণ: শান্তি কি ফিরবে উপত্যকায়?
ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আগামী বছরের জানুয়ারির মাঝামাঝি গাজায় আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদিত এ বাহিনী ২০২৭ সালের শেষ পর্যন্ত কাজ করবে। এখনো যুক্তরাষ্ট্র, হামাস বা সংশ্লিষ্ট মধ্যস্থতাকারীদের কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।ইসরায়েলের চ্যানেল-১৪ জানায়, হোয়াইট হাউসের দেওয়া সময়সীমা অনুযায়ী ২০২৬ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি প্রথম আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) গাজায় প্রবেশ করবে।এই বাহিনী প্রথমে দক্ষিণ গাজার রাফা অঞ্চলে মোতায়েন হবে। মোতায়েনের আগে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী মাইন ও বিস্ফোরক অপসারণ করবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া, ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের কিরিয়াত গাত সামরিক সমন্বয় কেন্দ্রের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, ২০২৬ সালের এপ্রিলের শেষ নাগাদ গাজা পুরোপুরি নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এ লক্ষ্য অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী এবং বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে কিছুটা বিচ্ছিন্ন।গত ১৮ নভেম্বর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত একটি খসড়া সিদ্ধান্ত পাস করে, যা গাজায় যুদ্ধের সমাপ্তি এবং ২০২৭ সালের শেষ পর্যন্ত একটি অস্থায়ী আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দেয়।শান্তি প্রতিষ্ঠায় ২০ দফার ট্রাম্প পরিকল্পনা ও গাজা পুনর্গঠনে আন্তর্জাতিক প্রশাসনিক কাঠামো স্থাপনের প্রস্তাবও সিদ্ধান্তে স্বাগত জানানো হয়েছে। ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণে এই বাহিনী ভূমিকা রাখবে।দুই বছরের ইসরায়েলি আগ্রাসনে প্রায় ৭০ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭১ হাজারের বেশি আহত হয়েছে; ৯০% অবকাঠামো বিধ্বস্ত হয়েছে।ওয়াশিংটন এখনো বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করছে যাতে আন্তর্জাতিক বাহিনীতে প্রয়োজনীয় সদস্য পাওয়া যায়।
কপিরাইট © ২০২৫ কওমী টাইমস । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত