রাজবাড়ী সদর উপজেলার শেখপাড়া গ্রামে কালবৈশাখী ঝড়ের মধ্যে বজ্রপাতে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূ প্রাণ হারিয়েছেন। বুধবার (১৩ মে) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে খানখানাপুর ইউনিয়নে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত বন্যা বেগম (৩০) ওই গ্রামের নুরুল হকের স্ত্রী। বিকেলে হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে মেঘ জমে ওঠে এবং বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হয়। উঠানে শুকাতে দেওয়া লাকড়ি ভিজে যাওয়ার আশঙ্কায় সেগুলো সরিয়ে নিতে ঘরের বাইরে বের হন বন্যা। লাকড়ি গোছানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রচণ্ড শব্দে বজ্রপাত হলে তিনি উঠানেই লুটিয়ে পড়েন। বজ্রাঘাতের শব্দ পেয়ে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন। কিন্তু ততক্ষণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত বন্যা বেগম অত্যন্ত শান্ত ও নম্র স্বভাবের মানুষ ছিলেন বলে প্রতিবেশী ও গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন। নতুন সদস্যের অপেক্ষায় থাকা পরিবারটি এভাবে হঠাৎ ভেঙে পড়বে, তা কেউ ভাবতেও পারেননি। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো শেখপাড়া গ্রামের বাতাস।
খানখানাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম ইকবাল হোসেন ঘটনাটি নিশ্চিত করে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং নিহতের পরিবারে এখন গভীর শোক বিরাজ করছে। পাশাপাশি দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সময় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
রাজবাড়ী সদর উপজেলার শেখপাড়া গ্রামে কালবৈশাখী ঝড়ের মধ্যে বজ্রপাতে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূ প্রাণ হারিয়েছেন। বুধবার (১৩ মে) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে খানখানাপুর ইউনিয়নে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত বন্যা বেগম (৩০) ওই গ্রামের নুরুল হকের স্ত্রী। বিকেলে হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে মেঘ জমে ওঠে এবং বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হয়। উঠানে শুকাতে দেওয়া লাকড়ি ভিজে যাওয়ার আশঙ্কায় সেগুলো সরিয়ে নিতে ঘরের বাইরে বের হন বন্যা। লাকড়ি গোছানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রচণ্ড শব্দে বজ্রপাত হলে তিনি উঠানেই লুটিয়ে পড়েন। বজ্রাঘাতের শব্দ পেয়ে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন। কিন্তু ততক্ষণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত বন্যা বেগম অত্যন্ত শান্ত ও নম্র স্বভাবের মানুষ ছিলেন বলে প্রতিবেশী ও গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন। নতুন সদস্যের অপেক্ষায় থাকা পরিবারটি এভাবে হঠাৎ ভেঙে পড়বে, তা কেউ ভাবতেও পারেননি। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো শেখপাড়া গ্রামের বাতাস।
খানখানাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম ইকবাল হোসেন ঘটনাটি নিশ্চিত করে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং নিহতের পরিবারে এখন গভীর শোক বিরাজ করছে। পাশাপাশি দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সময় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
আপনার মতামত লিখুন