রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
কওমী টাইমস
সর্বশেষ
শুধু নামাজের ইমাম নয়, মুত্তাকিদের নেতৃত্ব দিন: আহ্বান ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর

শুধু নামাজের ইমাম নয়, মুত্তাকিদের নেতৃত্ব দিন: আহ্বান ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর

সমাজে নৈতিকতা ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় ইমাম ও আলেম-ওলামাদের কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার। শনিবার চট্টগ্রাম ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির মিলনায়তনে স্থানীয় আলেম-ওলামা ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় তিনি শুধু নামাজের ইমাম নয়, বরং সমাজে মুত্তাকি ও আদর্শিক নেতা হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার বলেছেন, সমাজে নৈতিকতা, সততা ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় ইমাম ও আলেম-ওলামাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ মানুষের মাঝে সত্য, ন্যায় ও তাকওয়ার শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে ইমামদের আরও কার্যকর ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।চট্টগ্রাম ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির মিলনায়তনে আলেম-ওলামা, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী আলেমদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আপনাদের শুধু নামাজের ইমাম হলেই চলবে না; সমাজের সার্বিক কল্যাণ ও পথপ্রদর্শনের জন্য ‘মুত্তাকিদের ইমাম’ হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এজন্য নিজেদের দৈনন্দিন জীবনেও তাকওয়া, সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও আমল প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। সাধারণ মানুষকে দ্বীনের পথে আহ্বান জানাতে হবে হিকমত (প্রজ্ঞা) ও সুন্দর আচরণের মাধ্যমে। মহান আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (সা.) নির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি মানুষের বাস্তব পরিস্থিতি অনুধাবন করে যুক্তিসঙ্গতভাবে ইসলামের সুমহান শিক্ষা উপস্থাপন করতে হবে।”পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সমাজে প্রশাসনিক, সামাজিক ও ধর্মীয়—বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্ব রয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মানুষের সামনে নৈতিকতার আদর্শ স্থাপন করা উচিত। যেহেতু ইমাম ও আলেমরা সমাজে ধর্মীয় ও নৈতিক নেতৃত্বের স্থানে রয়েছেন, তাই তাঁদের কথা, আচরণ ও সার্বিক কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের জন্য অনুসরণীয় অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হতে হবে।আল্লাহর নিয়ামতের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মহান আল্লাহ মানবজাতিকে চোখ, কান, বুদ্ধি ও বিবেকের মতো অগণিত নিয়ামত দান করেছেন, কিন্তু মানুষ প্রায়শই এর সঠিক শুকরিয়া আদায় করতে পারে না। স্রষ্টার নিয়ামতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি সহমানুষের প্রতি সঠিক দায়িত্ব পালন করাও ঈমানি দায়িত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ।অন্যান্য প্রসঙ্গের পাশাপাশি চট্টগ্রাম পাহাড়তলী ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও ভূমির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন প্রতিমন্ত্রী। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটির অব্যবহৃত ও পরিত্যক্ত জমিগুলো কেন কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি, তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।প্রতিমন্ত্রী আশ্বাস দেন, চট্টগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের হজযাত্রীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, আবাসন ও আনুষঙ্গিক সেবা নিশ্চিত করতে এই জমিগুলো কীভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়ে নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে পর্যালোচনা করে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।ইসলামিক ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক মোস্তফা মনসুর আলম খাঁনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই মতবিনিময় সভায় স্থানীয় আলেম-ওলামা, প্রশিক্ষণার্থী ইমাম এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
১২ ঘন্টা আগে

পশ্চিমবঙ্গে ওবিসি কোটা ১৭% থেকে কমিয়ে ৭%: ৬৫টি মুসলিম জনগোষ্ঠীর অধিকার হরণের বিল পাস

পশ্চিমবঙ্গে ওবিসি কোটা ১৭% থেকে কমিয়ে ৭%: ৬৫টি মুসলিম জনগোষ্ঠীর অধিকার হরণের বিল পাস

গোপালগঞ্জে আওয়ামীলীগ বিহীন নির্বাচন: মুফতী শুয়াইবকে ঘিরে নতুন সমীকরণ

গোপালগঞ্জে আওয়ামীলীগ বিহীন নির্বাচন: মুফতী শুয়াইবকে ঘিরে নতুন সমীকরণ

ঈদের দিনেও বন্ধ শ্রীনগরের জামে মসজিদ, টানা সপ্তম বছর নামাজে নিষেধাজ্ঞা

ঈদের দিনেও বন্ধ শ্রীনগরের জামে মসজিদ, টানা সপ্তম বছর নামাজে নিষেধাজ্ঞা

গোপালগঞ্জ–২ আসনে মুফতি শুয়াইব ইবরাহীমের প্রতি জেলার শীর্ষ ওলামায়েকেরামের সর্বসম্মত সমর্থন

গোপালগঞ্জ–২ আসনে মুফতি শুয়াইব ইবরাহীমের প্রতি জেলার শীর্ষ ওলামায়েকেরামের সর্বসম্মত সমর্থন

ভারতে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে সংখ্যালঘু নিপীড়ন: ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে ১৩ মুসলিম খুন

ভারতে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে সংখ্যালঘু নিপীড়ন: ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে ১৩ মুসলিম খুন

জাপানে মুসলিমবিদ্বেষী অনলাইন প্রচারণার জেরে মসজিদে অগ্নিসংযোগ

জাপানে মুসলিমবিদ্বেষী অনলাইন প্রচারণার জেরে মসজিদে অগ্নিসংযোগ

রংপুরে মসজিদে খতমে নবুওয়ত আলোচনায় পুলিশের বাধার নিন্দা ও ১৪ জুলাই নতুন সম্মেলনের ডাক

রংপুরে মসজিদে খতমে নবুওয়ত আলোচনায় পুলিশের বাধার নিন্দা ও ১৪ জুলাই নতুন সম্মেলনের ডাক

মিরপুরে ফার্মেসির সাইনবোর্ড নিয়ে ভারতীয় অ্যাকাউন্টের অপপ্রচার; সাম্প্রদায়িক উস্কানির অভিযোগ

মিরপুরে ফার্মেসির সাইনবোর্ড নিয়ে ভারতীয় অ্যাকাউন্টের অপপ্রচার; সাম্প্রদায়িক উস্কানির অভিযোগ

কলকাতায় বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় মুসলিম তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যা

কলকাতায় বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় মুসলিম তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যা

রংপুরে কাদিয়ানী আগ্রাসন: ‘ধর্মে আয়, নইলে ভিটা ছাড়’ হুমকির মুখে মুসলিম পরিবার, ৭ বছর ধরে নির্যাতন

রংপুরে কাদিয়ানী আগ্রাসন: ‘ধর্মে আয়, নইলে ভিটা ছাড়’ হুমকির মুখে মুসলিম পরিবার, ৭ বছর ধরে নির্যাতন

শুধু নামাজের ইমাম নয়, মুত্তাকিদের নেতৃত্ব দিন: আহ্বান ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর

শুধু নামাজের ইমাম নয়, মুত্তাকিদের নেতৃত্ব দিন: আহ্বান ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর

ভিটেমাটি হারানোর ৯ বছর: ১২ লাখ রোহিঙ্গা আজও স্বাধীনতাহীন

ভিটেমাটি হারানোর ৯ বছর: ১২ লাখ রোহিঙ্গা আজও স্বাধীনতাহীন

ভারতে জুলাই জুড়েই চলল সংখ্যালঘু নির্যাতন: প্রতিদিন গড়ে ২টি হামলা, শীর্ষে উত্তর প্রদেশ

ভারতে জুলাই জুড়েই চলল সংখ্যালঘু নির্যাতন: প্রতিদিন গড়ে ২টি হামলা, শীর্ষে উত্তর প্রদেশ

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ইসরায়েলি হামলায় গাজায় প্রাণ গেল এক কৃষকের, আহত ১

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ইসরায়েলি হামলায় গাজায় প্রাণ গেল এক কৃষকের, আহত ১

নেপাল-চীন সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা: মৃত ৬১৬, নিখোঁজ প্রায় ২,৫০০

নেপাল-চীন সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা: মৃত ৬১৬, নিখোঁজ প্রায় ২,৫০০

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ৭৩,৪৪৯, আহত ১ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ৭৩,৪৪৯, আহত ১ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি

গাজায় হাজারো মানুষের সন্ধান নেই, জোরপূর্বক গুম শিকারের আশঙ্কা

গাজায় হাজারো মানুষের সন্ধান নেই, জোরপূর্বক গুম শিকারের আশঙ্কা

পারমাণবিক পরীক্ষা আস্থা নষ্ট করে, অস্ত্র প্রতিযোগিতা বাড়ায়: গুতেরেস

পারমাণবিক পরীক্ষা আস্থা নষ্ট করে, অস্ত্র প্রতিযোগিতা বাড়ায়: গুতেরেস

সংগীত অনুষ্ঠান ও নৌকাবাইচ ইস্যুতে হাসনাত আবদুল্লাহকে বয়কটের ডাক শিক্ষার্থীদের

সংগীত অনুষ্ঠান ও নৌকাবাইচ ইস্যুতে হাসনাত আবদুল্লাহকে বয়কটের ডাক শিক্ষার্থীদের

উত্তরাখণ্ডে মাদ্রাসা ও ঈদগাহ রক্ষার দাবিতে তোলায় মুফতির বিরুদ্ধে এফআইআরি

উত্তরাখণ্ডে মাদ্রাসা ও ঈদগাহ রক্ষার দাবিতে তোলায় মুফতির বিরুদ্ধে এফআইআরি

ভিটেমাটি হারানোর ৯ বছর: ১২ লাখ রোহিঙ্গা আজও স্বাধীনতাহীন

২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর নির্মম গণহত্যা, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের মুখে জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা আরাকান বা রোহিঙ্গা মুসলিমদের সংখ্যার ৯ বছর পর দাঁড়িয়েছে ১২ লাখে (১.২ মিলিয়ন)। ১৯৪৮ সালে মিয়ানমার স্বাধীন হওয়ার পর থেকে ধারাবাহিক বৈষম্যের শিকার এই গোষ্ঠীটি ১৯৮২ সালের বিতর্কিত আইন এবং পরবর্তী সময় রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় "উদ্বাস্তু" ও "অপনাগরিক" হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে। কক্সবাজারের বিশ্বের বৃহত্তম শরণার্থী শিবিরে মানবিক সংকটে দিন কাটানো এই জনগোষ্ঠীর অর্ধেকেরও বেশি নারী ও শিশু, যাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন আজও অনিশ্চিত।আরাকানের (রাখাইন) নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির ভূমিপুত্র এই মুসলিমরা ১৯৪৭ ও ১৯৪৮ সালের পর থেকেই মিয়ানমার সামরিক শাসক ও চরমপন্থী গোষ্ঠীর ধারাবাহিক নিগ্রহের শিকার। ১৯৬২ সালে সামরিক জান্তা ক্ষমতার জবরদখল নেওয়ার পর "ড্রাগন কিং" এবং "ক্লিন অ্যান্ড বিউটিফুল নেশন"-এর মতো সামরিক অভিযানের মাধ্যমে শত শত বছর ধরে বসবাসকারী এই জনগোষ্ঠীকে মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত করার চক্রান্ত শুরু হয়।১৯৮২ সালের বৈষম্যমূলক আইন ও ভোটাধিকার হরণমিয়ানমারের বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার ১৯৮২ সালে এক আইন প্রণয়ন করে দেশের ১৩৫টি নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দিলেও আরাকানের মুসলিমদের ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেয়। এর ফলে তারা নিজ ভূমিতেই "রাষ্ট্রহীন" (Stateless) নাগরিকের মর্যাদায় পতিত হয়। ২০১৪ সালের প্রথম আনুষ্ঠানিক আদমশুমারি এবং ২০১৫ সালের নির্বাচনেও তাদের সমস্ত ভোটাধিকার ও রাজনৈতিক অধিকার হরণ করা হয়।২০১২ ও ২০১৬-র পর ভয়াবহতা: ২০১৭-র গণহত্যা২০১২ সালে বৌদ্ধদের সঙ্গে পরিকল্পিত দাঙ্গা বাধিয়ে হাজার হাজার মুসলিম হত্যা ও তাদের ঘরবাড়ি ছাই করে দেওয়া হয়। ২০১৬ সালে সেনাটহল চৌকিতে হামলার জেরে আবার শুরু হয় ধ্বংসযজ্ঞ।তবে সর্বকালের সর্বকনিষ্ঠ তাণ্ডব নেমে আসে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট। মিয়ানমার সামরিক বাহিনী ও উগ্রপন্থী মগদের যৌথ হামলায় সাড়ে তিনশরও বেশি গ্রাম সম্পূর্ণ পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হয়। এতে অন্তত ১০ হাজার নিরীহ মুসলিমকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় এবং শত শত নারী পাশবিক ধর্ষণের শিকার হন। জীবন বাঁচাতে সাত লক্ষাধিক রোহিঙ্গা নদী ও জঙ্গল অতিক্রম করে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। জাতিসংঘ ও বৈশ্বিক অধিকার সংস্থাগুলো এই হত্যাকাণ্ডকে "জাতিগত নিধন" (Ethnic Cleansing) এবং "গণহত্যা" (Genocide) হিসেবে আখ্যা দেয়।কক্সবাজারের আন্তর্জাতিক শিবিরে বন্দি জীবনজাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (UNHCR) ৩০ জুন ২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ১২ লাখে পৌঁছেছে, যার মধ্যে ৭৭.৬ শতাংশই অসহায় নারী ও শিশু। কক্সবাজারের উপ উপচে পড়া শিবিরে মুক্তভাবে চলাফেরা ও কাজের সুযোগ না থাকায় তারা সম্পূর্ণরূপে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বজুড়ে মানবিক সাহায্য কমে আসায় খাদ্য ও স্বাস্থ্যঝুঁকি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।সমুদ্রপথে মৃত্যুর মিছিলস্থলপথে অবরুদ্ধ হয়ে হাজার হাজার রোহিঙ্গা সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক মানবপাচারকারীদের খপ্পরে পড়ছে। বিএমএইচসিআরের মুখপাত্র বাবর বালোচ জানিয়েছেন, আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরে ভেসে যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের নৌকায় চেপে মালয়েশিয়া বা ইন্দোনেশিয়া যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে গত এক বছরে প্রায় ৯০০ রোহিঙ্গা নিখোঁজ বা মারা গেছে, যা এই অভিবাসন পথটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক ও প্রাণঘাতী সমুদ্রপথে পরিণত করেছে।নয় বছর পরও রোহিঙ্গা সংকটের আন্তর্জাতিক কোনো রাজনৈতিক সমাধান দৃশ্যমান নয়। মিয়ানমার সামরিক জান্তার অপশাসন ও উগ্র হিন্দুত্ববাদী এবং আঞ্চলিক স্বার্থান্বেষী রাজনীতির কারণে এই নির্যাতিত মুসলিম জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও সম্মানের সঙ্গে নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার স্বপ্ন এখনও অধরা।

ভিটেমাটি হারানোর ৯ বছর: ১২ লাখ রোহিঙ্গা আজও স্বাধীনতাহীন