বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কওমী টাইমস
সর্বশেষ
জমি রেজিস্ট্রি থাকার পরও গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ঘরবাড়ি: আসামে ৭৩টি মুসলিম পরিবারকে উচ্ছেদ

জমি রেজিস্ট্রি থাকার পরও গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ঘরবাড়ি: আসামে ৭৩টি মুসলিম পরিবারকে উচ্ছেদ

ভারতের আসাম রাজ্যের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ গোয়ালপাড়া জেলায় এক বিতর্কিত উচ্ছেদ অভিযানে ৭৩টি আবাসিক ঘরবাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় জেলা প্রশাসন। নিজস্ব বৈধ মালিকানাধীন জমি হওয়া সত্ত্বেও কেবল 'কৃষিজমিকে আবাসিক জমিতে রূপান্তর না করার' অজুহাতে গত সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) এ ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়। মাত্র ২৪ ঘণ্টার সংক্ষিপ্ত নোটিশে উচ্ছেদ করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সংখ্যালঘু অধিকার রক্ষা সংস্থাগুলো।ভারতে মুসলিম সংখ্যালঘুদের টার্গেট করে উচ্ছেদ অভিযানের ধারাবাহিকতায় আসামের গোয়ালপাড়া জেলায় নতুন করে ৭৩টি মুসলিম পরিবারকে গৃহহীন করার ঘটনা ঘটেছে। জেলা প্রশাসনের নির্দেশে সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) কৃষ্ণা এলাকাভুক্ত পাঁচটি রাজস্ব গ্রামে বড় ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। গ্রামগুলো হলো—খারিজা পাইকান, খামার মানিকপুর, ভোজমালা পার্ট-২, জাঠশারবাড়ি এবং টেঙ্গাবাড়ি।উচ্ছেদ কার্যক্রমে বুলডোজার, জেসিবি (JCB) এবং এক্সকাভেটর ব্যবহার করে মুহূর্তের মধ্যেই বহু বছরের পুরনো বসতবাড়ি ধ্বংস করে দেওয়া হয়।প্রশাসনের দোহাই ও কৃষিজমি অজুহাতজেলা প্রশাসনের দাবি, ঘরবাড়িগুলো যেসব জমিতে নির্মিত হয়েছিল, সেগুলো সরকারি নথিতে কৃষিজমি হিসেবে চিহ্নিত। আইন অনুযায়ী কৃষিজমিকে আবাসিক জমিতে রূপান্তরের জন্য পূর্বানুমতি নেওয়ার নিয়ম থাকলেও অধিবাসীরা তা মানেননি।গোয়ালপাড়ার জেলা কমিশনার প্রদীপ তিমুং বলেন, “কৃষিজমি, জলাশয় এবং প্রাকৃতিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সুরক্ষার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এগুলো পুরোটাই কৃষিজমি ছিল, কিন্তু রাতারাতি মানুষ এখানে বসতি স্থাপন শুরু করে।” তিনি আরও যোগ করেন, অনুমতি ছাড়া বাড়ি বানানোর ফলে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছিল এবং জলাশয় সংকুচিত হয়ে পড়ছিল।মটিয়া রাজস্ব সার্কেল অফিসারের মাধ্যমে অধিবাসীদের এলাকা ত্যাগ ও ঘরবাড়ি সরিয়ে নেওয়ার জন্য মাত্র ২৪ ঘণ্টার সময় দিয়ে নোটিশ দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কেউ জায়গা খালি না করায় প্রশাসন সরাসরি ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে উচ্ছেদে নামে।নথি থাকার পরও উচ্ছেদ: প্রজা ও ছাত্রসংগঠনগুলোর প্রতিবাদপ্রশাসনের এই কঠোর পদক্ষেপে চরম বিপাকে পড়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। স্থানীয় অধিবাসী ও মুসলিম ছাত্রসংগঠনগুলো এই অভিযানের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশ্ন তুলেছে—নিজের জমিতে বাড়ি করা কিভাবে অপরাধ হতে পারে?নর্থ ইস্ট মাইনরিটি স্টুডেন্টস ইউনিয়নের (NEMSU) নির্বাহী সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, “যাদের বাড়ি ভেঙে ফেলা হয়েছে, তারা সরকারের খাস জমিতে নয়, বরং নিজেদের কেনা জমিতে বসবাস করছিলেন। তাদের কাছে জমির সমস্ত বৈধ কাগজপত্র ছিল। তাদের একমাত্র 'অপরাধ' ছিল জমিটি শ্রেণীকরণে 'কৃষিজমি' লেখা ছিল।” ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে অবিলম্বে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং উচ্ছেদ অভিযান পুনর্বিবেচনার দাবি জানান তিনি।একই সুর ছড়িয়ে পড়ে আসামের মুসলিম স্টুডেন্টস ইউনিয়নের (MSUA) বক্তব্যেও। সংগঠনের সভাপতি আশিক রব্বানী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নিজের বৈধ কৃষিজমিতে মাথার ওপর একটি ছাদ বা ঘর তৈরি করা কখনোই কোনো অপরাধের পর্যায়ে পড়তে পারে না। আইনগত প্রক্রিয়ার নামে এভাবে মানুষকে গৃহহীন করা অমানবিক।”সাম্প্রদায়িকতার অভিযোগ অস্বীকার প্রশাসনেরএই উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে সংখ্যালঘু মুসলমানদের টার্গেট করার অভিযোগ উঠলেও জেলা কমিশনার প্রদীপ তিমুং তা অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, দরং, বরপেটা, ধুবড়ি এবং মানকাচরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা মানুষ এখানে বসতি গড়েছিল। তিনি বলেন, “এটি হিন্দু বা মুসলিম সংক্রান্ত কোনো বিষয় নয়। বহু মুসলিম অধিবাসী নিজেও এখানে কৃষিজমিতে অবৈধ বাড়ি নির্মাণের বিষয়ে অভিযোগ করেছিলেন।”তবে আসামের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে এই ব্যাখ্যা মানতে নারাজ মানবাধিকার কর্মীরা। এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরেও গোয়ালপাড়ার দহিকাটা এলাকায় বনভূমির নামে এক বিশাল উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে বহু মানুষকে ভিটেমাটি ছাড়া করা হয়েছিল। ভারতের আসাম রাজ্যে মুসলিমদের বারবার উচ্ছেদের মুখে ঠেলে দেওয়ার এই ধারাবাহিক প্রক্রিয়াকে চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং সংখ্যালঘুদের ওপর এক ধরণের রাজনৈতিক নিপীড়ন হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা।
৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৬ পিএম

চেঙ্গিস খানের নাতির ইসলাম গ্রহণ: ইতিহাসের যে বাঁক বদলে স্বস্তি পেয়েছিল মুসলিম বিশ্ব

চেঙ্গিস খানের নাতির ইসলাম গ্রহণ: ইতিহাসের যে বাঁক বদলে স্বস্তি পেয়েছিল মুসলিম বিশ্ব

বিরল সাক্ষাৎকারে দৈনন্দিন জীবন ও শাসনব্যবস্থা নিয়ে মুখ খুললেন আফগান প্রধানমন্ত্রী

বিরল সাক্ষাৎকারে দৈনন্দিন জীবন ও শাসনব্যবস্থা নিয়ে মুখ খুললেন আফগান প্রধানমন্ত্রী

মিলাদুন্নবী পালন ইসলামভিত্তিক নয়, খ্রিস্টানদের অন্ধ অনুকরণ: সতর্কবার্তা শায়খ আস-সুদাইসের

মিলাদুন্নবী পালন ইসলামভিত্তিক নয়, খ্রিস্টানদের অন্ধ অনুকরণ: সতর্কবার্তা শায়খ আস-সুদাইসের

ডাচ সাম্রাজ্যবাদের শোষণের বিপরীতে আলেমদের সংগ্রামেই আজ স্বাধীন ইন্দোনেশিয়া

ডাচ সাম্রাজ্যবাদের শোষণের বিপরীতে আলেমদের সংগ্রামেই আজ স্বাধীন ইন্দোনেশিয়া

বাংলাদেশসহ ৪ দেশের ওমরাহ প্যাকেজে বাধ্যতামূলক হচ্ছে খাবার সুবিধা

বাংলাদেশসহ ৪ দেশের ওমরাহ প্যাকেজে বাধ্যতামূলক হচ্ছে খাবার সুবিধা

পারমাণবিক বোমার চেয়েও শক্তিশালী অস্ত্র এখন ইরানের হাতে: দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট

পারমাণবিক বোমার চেয়েও শক্তিশালী অস্ত্র এখন ইরানের হাতে: দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট

কওমি অঙ্গনে জামায়াতমুখিতা: রাজনৈতিক সমীকরণ নাকি আদর্শিক পরিবর্তন?

কওমি অঙ্গনে জামায়াতমুখিতা: রাজনৈতিক সমীকরণ নাকি আদর্শিক পরিবর্তন?

মেজর হাফিজ কথা দিয়েছিলেন বিচার হবে, এখন আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই: পঞ্চগড়ে নিহত আরিফের বাবা

মেজর হাফিজ কথা দিয়েছিলেন বিচার হবে, এখন আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই: পঞ্চগড়ে নিহত আরিফের বাবা

সার্বিয়ায় দুই দশক পর দুই প্রধান ইসলামী সংস্থার ঐতিহাসিক ঐক্য গঠন

সার্বিয়ায় দুই দশক পর দুই প্রধান ইসলামী সংস্থার ঐতিহাসিক ঐক্য গঠন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ডেপুটি প্রধান হলেন তামীরুল মিল্লাতের সাবেক ছাত্র ড. আব্দুল আলিম

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ডেপুটি প্রধান হলেন তামীরুল মিল্লাতের সাবেক ছাত্র ড. আব্দুল আলিম

জমি রেজিস্ট্রি থাকার পরও গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ঘরবাড়ি: আসামে ৭৩টি মুসলিম পরিবারকে উচ্ছেদ

জমি রেজিস্ট্রি থাকার পরও গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ঘরবাড়ি: আসামে ৭৩টি মুসলিম পরিবারকে উচ্ছেদ

সাহারানপুরে গুঁড়িয়ে দেওয়া মসজিদের ২০০ বছরের প্রাচীন কূপ নিয়ে নতুন ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা

সাহারানপুরে গুঁড়িয়ে দেওয়া মসজিদের ২০০ বছরের প্রাচীন কূপ নিয়ে নতুন ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা

প্রবাসে বসবাসকারীদের অধিকার রক্ষায় ওআইসির প্রথম মুসলিম ডায়াসপোরা ফোরাম শুরু

প্রবাসে বসবাসকারীদের অধিকার রক্ষায় ওআইসির প্রথম মুসলিম ডায়াসপোরা ফোরাম শুরু

ধর্মনিরপেক্ষতা উপনিবেশবাদের আনা সবচেয়ে বড় অভিশাপ: আবদুল্লাহ জাবাল্লাহ

ধর্মনিরপেক্ষতা উপনিবেশবাদের আনা সবচেয়ে বড় অভিশাপ: আবদুল্লাহ জাবাল্লাহ

বলিউড মাউন্ট এভারেস্টে নয় ভারতজুড়ে ইসলামোফোবিয়া, চলচ্চিত্র শিল্পেও ছড়িয়েছে

বলিউড মাউন্ট এভারেস্টে নয় ভারতজুড়ে ইসলামোফোবিয়া, চলচ্চিত্র শিল্পেও ছড়িয়েছে

ইসরায়েলি সেনাকে নিয়ে বিতর্কিত বিজ্ঞাপন: আপত্তির মুখে ক্ষমা চাইল অ্যাডিডাস

ইসরায়েলি সেনাকে নিয়ে বিতর্কিত বিজ্ঞাপন: আপত্তির মুখে ক্ষমা চাইল অ্যাডিডাস

কেরালা টিভি সম্পাদকের ইসলামফোবিক মন্তব্যের প্রতিবাদ করায় মুসলিম যুবনেতার বিরুদ্ধে মামলা

কেরালা টিভি সম্পাদকের ইসলামফোবিক মন্তব্যের প্রতিবাদ করায় মুসলিম যুবনেতার বিরুদ্ধে মামলা

ভারতে মুসলিম শিক্ষাব্যবস্থায় আঘাত: সিলগালা ২০ মাদ্রাসা, সংকটে হাজারো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ

ভারতে মুসলিম শিক্ষাব্যবস্থায় আঘাত: সিলগালা ২০ মাদ্রাসা, সংকটে হাজারো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সহিংসতার জেরে ১২ দেশের বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সহিংসতার জেরে ১২ দেশের বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা

মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় ইরানি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা গ্রহণ ও স্বপ্নের পথ অবরুদ্ধ

মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় ইরানি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা গ্রহণ ও স্বপ্নের পথ অবরুদ্ধ

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
লিংক কপি করা হয়েছে!

জমি রেজিস্ট্রি থাকার পরও গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ঘরবাড়ি: আসামে ৭৩টি মুসলিম পরিবারকে উচ্ছেদ

ভারতের আসাম রাজ্যের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ গোয়ালপাড়া জেলায় এক বিতর্কিত উচ্ছেদ অভিযানে ৭৩টি আবাসিক ঘরবাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় জেলা প্রশাসন। নিজস্ব বৈধ মালিকানাধীন জমি হওয়া সত্ত্বেও কেবল 'কৃষিজমিকে আবাসিক জমিতে রূপান্তর না করার' অজুহাতে গত সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) এ ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়। মাত্র ২৪ ঘণ্টার সংক্ষিপ্ত নোটিশে উচ্ছেদ করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সংখ্যালঘু অধিকার রক্ষা সংস্থাগুলো।ভারতে মুসলিম সংখ্যালঘুদের টার্গেট করে উচ্ছেদ অভিযানের ধারাবাহিকতায় আসামের গোয়ালপাড়া জেলায় নতুন করে ৭৩টি মুসলিম পরিবারকে গৃহহীন করার ঘটনা ঘটেছে। জেলা প্রশাসনের নির্দেশে সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) কৃষ্ণা এলাকাভুক্ত পাঁচটি রাজস্ব গ্রামে বড় ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। গ্রামগুলো হলো—খারিজা পাইকান, খামার মানিকপুর, ভোজমালা পার্ট-২, জাঠশারবাড়ি এবং টেঙ্গাবাড়ি।উচ্ছেদ কার্যক্রমে বুলডোজার, জেসিবি (JCB) এবং এক্সকাভেটর ব্যবহার করে মুহূর্তের মধ্যেই বহু বছরের পুরনো বসতবাড়ি ধ্বংস করে দেওয়া হয়।প্রশাসনের দোহাই ও কৃষিজমি অজুহাতজেলা প্রশাসনের দাবি, ঘরবাড়িগুলো যেসব জমিতে নির্মিত হয়েছিল, সেগুলো সরকারি নথিতে কৃষিজমি হিসেবে চিহ্নিত। আইন অনুযায়ী কৃষিজমিকে আবাসিক জমিতে রূপান্তরের জন্য পূর্বানুমতি নেওয়ার নিয়ম থাকলেও অধিবাসীরা তা মানেননি।গোয়ালপাড়ার জেলা কমিশনার প্রদীপ তিমুং বলেন, “কৃষিজমি, জলাশয় এবং প্রাকৃতিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সুরক্ষার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এগুলো পুরোটাই কৃষিজমি ছিল, কিন্তু রাতারাতি মানুষ এখানে বসতি স্থাপন শুরু করে।” তিনি আরও যোগ করেন, অনুমতি ছাড়া বাড়ি বানানোর ফলে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছিল এবং জলাশয় সংকুচিত হয়ে পড়ছিল।মটিয়া রাজস্ব সার্কেল অফিসারের মাধ্যমে অধিবাসীদের এলাকা ত্যাগ ও ঘরবাড়ি সরিয়ে নেওয়ার জন্য মাত্র ২৪ ঘণ্টার সময় দিয়ে নোটিশ দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কেউ জায়গা খালি না করায় প্রশাসন সরাসরি ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে উচ্ছেদে নামে।নথি থাকার পরও উচ্ছেদ: প্রজা ও ছাত্রসংগঠনগুলোর প্রতিবাদপ্রশাসনের এই কঠোর পদক্ষেপে চরম বিপাকে পড়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। স্থানীয় অধিবাসী ও মুসলিম ছাত্রসংগঠনগুলো এই অভিযানের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশ্ন তুলেছে—নিজের জমিতে বাড়ি করা কিভাবে অপরাধ হতে পারে?নর্থ ইস্ট মাইনরিটি স্টুডেন্টস ইউনিয়নের (NEMSU) নির্বাহী সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, “যাদের বাড়ি ভেঙে ফেলা হয়েছে, তারা সরকারের খাস জমিতে নয়, বরং নিজেদের কেনা জমিতে বসবাস করছিলেন। তাদের কাছে জমির সমস্ত বৈধ কাগজপত্র ছিল। তাদের একমাত্র 'অপরাধ' ছিল জমিটি শ্রেণীকরণে 'কৃষিজমি' লেখা ছিল।” ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে অবিলম্বে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং উচ্ছেদ অভিযান পুনর্বিবেচনার দাবি জানান তিনি।একই সুর ছড়িয়ে পড়ে আসামের মুসলিম স্টুডেন্টস ইউনিয়নের (MSUA) বক্তব্যেও। সংগঠনের সভাপতি আশিক রব্বানী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নিজের বৈধ কৃষিজমিতে মাথার ওপর একটি ছাদ বা ঘর তৈরি করা কখনোই কোনো অপরাধের পর্যায়ে পড়তে পারে না। আইনগত প্রক্রিয়ার নামে এভাবে মানুষকে গৃহহীন করা অমানবিক।”সাম্প্রদায়িকতার অভিযোগ অস্বীকার প্রশাসনেরএই উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে সংখ্যালঘু মুসলমানদের টার্গেট করার অভিযোগ উঠলেও জেলা কমিশনার প্রদীপ তিমুং তা অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, দরং, বরপেটা, ধুবড়ি এবং মানকাচরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা মানুষ এখানে বসতি গড়েছিল। তিনি বলেন, “এটি হিন্দু বা মুসলিম সংক্রান্ত কোনো বিষয় নয়। বহু মুসলিম অধিবাসী নিজেও এখানে কৃষিজমিতে অবৈধ বাড়ি নির্মাণের বিষয়ে অভিযোগ করেছিলেন।”তবে আসামের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে এই ব্যাখ্যা মানতে নারাজ মানবাধিকার কর্মীরা। এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরেও গোয়ালপাড়ার দহিকাটা এলাকায় বনভূমির নামে এক বিশাল উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে বহু মানুষকে ভিটেমাটি ছাড়া করা হয়েছিল। ভারতের আসাম রাজ্যে মুসলিমদের বারবার উচ্ছেদের মুখে ঠেলে দেওয়ার এই ধারাবাহিক প্রক্রিয়াকে চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং সংখ্যালঘুদের ওপর এক ধরণের রাজনৈতিক নিপীড়ন হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা।

জমি রেজিস্ট্রি থাকার পরও গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ঘরবাড়ি: আসামে ৭৩টি মুসলিম পরিবারকে উচ্ছেদ
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম
মহানবী (সা.) কত খ্রিষ্টাব্দে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

মহানবী (সা.) কত খ্রিষ্টাব্দে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

  ৫৮০ খ্রিষ্টাব্দে মক্কার কুরাইশ বংশ
  ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে মক্কার কুরাইশ বংশ
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...