বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
লগইন
বাংলা
English
हिन्दी
اردو
فارسی
العربية
Türkçe
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
কওমী টাইমস
সর্বশেষ
ইউরোপের রাজনীতিতে ইসলামোফোবিয়া: এক দশকে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে মুসলিমবিদ্বেষ

ইউরোপের রাজনীতিতে ইসলামোফোবিয়া: এক দশকে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে মুসলিমবিদ্বেষ

গত এক দশকে ইউরোপজুড়ে ইসলামোফোবিয়া বা মুসলিমবিদ্বেষ কেবল বৃদ্ধিই পায়নি, বরং এটি এখন সেখানকার মূলধারার রাজনীতি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্থায়ী আসন গেড়ে বসেছে। অতি-ডানপন্থীদের উগ্র ইসলামবিরোধী রাজনৈতিক এজেন্ডা আজ ইউরোপের মধ্য-ডান ও মধ্য-বামপন্থী দলগুলোও প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে আপন করে নিয়েছে। আনাদোলু এজেন্সিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এই উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেছেন বিশিষ্ট গবেষক ও 'ইউরোপিয়ান ইসলামোফোবিয়া রিপোর্ট'-এর সহ-সম্পাদক ড. ফরিদ হাফেজ।ইউরোপীয় সমাজে বর্ণবাদ ও সংঘাতের মাত্রা পরিমাপ করতে গিয়ে আয়ারল্যান্ডের লিমেরিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের 'দ্য ব্রিজ ইনিশিয়েটিভ'-এর জ্যেষ্ঠ গবেষক ড. ফরিদ হাফেজ জানান, ২০১৫ সালে যখন তারা প্রথমবার ইউরোপীয় ইসলামোফোবিয়া রিপোর্ট প্রকাশ করেন, তখন মুসলিমবিদ্বেষ মূলধারার রাজনীতিতে তুলনামূলকভাবে প্রান্তিক বিষয় ছিল এবং অতি-ডানপন্থী গোষ্ঠীগুলোই প্রধানত এর চর্চা করত। তখন সমাজের সাধারণ মধ্যপন্থী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে এর বিরুদ্ধে একটি প্রতিরোধ ব্যবস্থা লক্ষ্য করা যেত।তবে গত ১০ বছরের চিত্র সম্পূর্ণ বদলে গেছে। ড. হাফেজ ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, '১০ বছর আগের পরিস্থিতির সাথে আজকের তুলনা করলে দেখা যায়, অবস্থার চরম অবনতি ঘটেছে। অতি-ডানপন্থীরা যেমন শক্তি সঞ্চয় করেছে, তেমনি ইউরোপের অনেক দেশের মধ্যপন্থী সরকারগুলো অতি-ডানপন্থীদের ইসলামোফোবিক এজেন্ডাকে পুরোপুরি নিজেদের নীতি হিসেবে গ্রহণ করেছে।'উদাহরণ হিসেবে তিনি ডেনমার্কের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটদের নীতি এবং অস্ট্রিয়া ও জার্মানির রক্ষণশীল রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থানের কথা উল্লেখ করেন। তিনি স্পষ্ট জানান, জার্মানিতে এটি দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রীয় কাঠামোগত ব্যবস্থার অংশ ছিল, আর অস্ট্রিয়াতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এটি অত্যন্ত স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক চর্চায় রূপ নিয়েছে।রাজনৈতিক কেন্দ্রস্থলের দুর্বলতা ও মেরুকরণইউরোপে মধ্যপন্থী রাজনৈতিক ভাবধারার পতনের কথা উল্লেখ করে ড. হাফেজ জানান, ইউরোপের রাজনৈতিক কেন্দ্রস্থল দুর্বল হয়ে পড়ায় রাজনৈতিক বর্ণালীর দুই প্রান্তের শক্তিগুলো সুবিধা পাচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি সম্প্রতি জার্মানি ও ফ্রান্সের নির্বাচনের চিত্র তুলে ধরেন। বার্লিনে যেখানে একজন বামপন্থী প্রার্থী মুসলিমবিদ্বেষী বর্ণবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে জয়ী হয়েছেন, সেখানে পূর্বাঞ্চলীয় একটি রাজ্যে চরম ইসলামোফোবিক দল 'অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি' (AfD) বিশাল জয় পেয়েছে।ফ্রান্স ও জার্মানির রাজনৈতিক বিভাজন বিশ্লেষণ করে তিনি বলেন, গ্রামীণ ও শহর এলাকার মানুষের মধ্যে স্পষ্ট বিভেদ তৈরি হয়েছে। যেসব শহরে প্রচুর মুসলিম ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর বসবাস, সেখানে মানুষ বর্ণবাদী উস্কানিতে সহজে পা দেয় না। কিন্তু যেসব গ্রামীণ এলাকায় মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় শূন্যের কোঠায়, সেখানে অতি-ডানপন্থীদের বিদ্বেষমূলক প্রচার অত্যন্ত কার্যকরভাবে প্রভাব ফেলছে।ড. হাফেজ যোগ করেন, ঐতিহ্যবাহী মধ্য-ডান দলগুলো তাদের বর্ণবাদী নীতিকে কিছুটা ঢেকে রাখে 'খ্রিস্টান বা ইহুদি-খ্রিস্টান সভ্যতার মূল্যবোধ' রক্ষার নামে। অন্যদিকে মধ্য-বাম সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটরা একই মুসলিমবিদ্বেষী পদক্ষেপ গ্রহণ করে 'ধর্মনিরপেক্ষতা' রক্ষার অজুহাতে।ইউরোপীয় নীতি নির্ধারকদের উদাসীনতা ও প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্যজাতিসংঘ ১৫ মার্চকে 'আন্তর্জাতিক ইসলামোফোবিয়া মোকাবিলা দিবস' হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) পর্যায়ে এটি গ্রহণের ক্ষেত্রে চরম অনিচ্ছা দেখা গেছে। ড. হাফেজ জানান, ইউরোপীয় কমিশনের 'মুসলিমবিদ্বেষী ঘৃণা ও বৈষম্য মোকাবিলা সমন্বয়কারী' পদটি তৈরি করা হলেও এর জন্য বাজেট অত্যন্ত সীমিত এবং ইহুদিবিদ্বেষ (Antisemitism) সংক্রান্ত সমন্বয়কারীর মতো কোনো প্রকৃত প্রশাসনিক ক্ষমতা বা আইনি এখতিয়ার একে দেওয়া হয়নি।তিনি উল্লেখ করেন, নরওয়ে একমাত্র দেশ যারা ইসলামোফোবিয়ার বিরুদ্ধে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে এবং স্থানীয় পর্যায়ে কয়েকটি শহর 'সিটিজ অ্যাগেইনস্ট ইসলামোফোবিয়া' প্ল্যাটফর্মে একত্রিত হয়েছে। তবে সবচেয়ে জটিল ও বিপজ্জনক ক্ষেত্র হলো ইউরোপের নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো। ফ্রান্সের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সেখানে সন্ত্রাসবাদ দমন আইন ও কথিত 'বিচ্ছিন্নতাবাদ বিরোধী আইন'-এর দোহাই দিয়ে স্বাধীন মুসলিম সংগঠন, দাতব্য সংস্থা ও তাদের অবকাঠামো বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার অজুহাতে স্বাধীন মুসলিম কার্যক্রমকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করার এই নীতি চরম ক্ষতিকারক রূপ নিয়েছে।পরিবর্তনের পথ: অভ্যন্তরীণ প্রতিরোধ ও বৈশ্বিক ভূমিকাইউরোপে এই পরিস্থিতির পরিবর্তনের জন্য অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কাঠামোর ভেতরে থেকেই মুসলিমদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ড. ফরিদ হাফেজ। তিনি জোর দিয়ে বলেন, 'পরিবর্তন বাইরে থেকে বা শ্বেতাঙ্গদের হাত ধরে আসবে না। ইউরোপের মুসলিমদের নিজেদের রাজনৈতিকভাবে সুসংগঠিত হতে হবে। বিদ্যমান রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে থেকে হোক কিংবা নতুন রাজনৈতিক শক্তি গঠন করে হোক—সকল গণতান্ত্রিক পথ ব্যবহার করে তীব্র রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে হবে।'একই সাথে তিনি বিশ্বের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর কূটনীতিকে কাজে লাগানোর ওপর জোর দেন। যদিও অতীতে কিছু মুসলিম দেশ নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে ইউরোপীয় অতি-ডানপন্থীদের মদদ দিয়েছে, তবুও ড. হাফেজ মনে করেন, ইউরোপে বসবাসরত বিশাল মুসলিম জনগোষ্ঠীর নাগরিক অধিকার ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মুসলিম দেশগুলোর কূটনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করার সময় এখন এসেছে।
৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম

অব্যাহত সামরিক আগ্রাসনের মুখে হাইফায় কাদিয়ানীর বার্ষিক সম্মেলনে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের প্রশংসা

অব্যাহত সামরিক আগ্রাসনের মুখে হাইফায় কাদিয়ানীর বার্ষিক সম্মেলনে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের প্রশংসা

গাজার রক্ত, জাতিসংঘের নীরবতা ও নেতানিয়াহুর ভাষণ: বিশ্বপ্রতিবাদের ভাষা

গাজার রক্ত, জাতিসংঘের নীরবতা ও নেতানিয়াহুর ভাষণ: বিশ্বপ্রতিবাদের ভাষা

ভারতে মুসলিমদের হালাল গোশতের দোকানে নিহাং শিখদের বাধা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন

ভারতে মুসলিমদের হালাল গোশতের দোকানে নিহাং শিখদের বাধা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন

মসজিদুল আকসার শেষ উসমানীয় প্রহরী: ইগদিরের অনবাশি হাসান

মসজিদুল আকসার শেষ উসমানীয় প্রহরী: ইগদিরের অনবাশি হাসান

মক্কার আকাশে হুথি ড্রোন ভূপাতিতের ভাইরাল ভিডিওটি ভুয়া, আসলে ২০২৫ সালের মদিনার ভিডিও

মক্কার আকাশে হুথি ড্রোন ভূপাতিতের ভাইরাল ভিডিওটি ভুয়া, আসলে ২০২৫ সালের মদিনার ভিডিও

৩০ বছর ট্রান্স নারী থাকার পর অনুশোচনা: লিঙ্গ পরিবর্তনের বিরুদ্ধে সরব সুইজারল্যান্ডের ক্রিস

৩০ বছর ট্রান্স নারী থাকার পর অনুশোচনা: লিঙ্গ পরিবর্তনের বিরুদ্ধে সরব সুইজারল্যান্ডের ক্রিস

উত্তরাখণ্ডে মাদরাসা বোর্ড বিলুপ্তির পর ২০টি মাদরাসা বন্ধ ও সিলগালা

উত্তরাখণ্ডে মাদরাসা বোর্ড বিলুপ্তির পর ২০টি মাদরাসা বন্ধ ও সিলগালা

পটুয়াখালী মডেল মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা: ষড়যন্ত্রের পর্দাফাঁস, বাদী গ্রেফতার

পটুয়াখালী মডেল মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা: ষড়যন্ত্রের পর্দাফাঁস, বাদী গ্রেফতার

ইহুদি উৎসবের অজুহাতে ইব্রাহিমি মসজিদ বন্ধ করলো ইসরায়েল

ইহুদি উৎসবের অজুহাতে ইব্রাহিমি মসজিদ বন্ধ করলো ইসরায়েল

জমি রেজিস্ট্রি থাকার পরও গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ঘরবাড়ি: আসামে ৭৩টি মুসলিম পরিবারকে উচ্ছেদ

জমি রেজিস্ট্রি থাকার পরও গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ঘরবাড়ি: আসামে ৭৩টি মুসলিম পরিবারকে উচ্ছেদ

গাজায় যুদ্ধবিরতি নিরাপত্তা প্রদানে ব্যর্থ: স্থায়ী অস্ত্রসংবরণ ও ত্রাণ সহায়তার আহ্বান

গাজায় যুদ্ধবিরতি নিরাপত্তা প্রদানে ব্যর্থ: স্থায়ী অস্ত্রসংবরণ ও ত্রাণ সহায়তার আহ্বান

ভারতে মসজিদের সামনে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের উসকানিমূলক মহড়া, পুলিশের অস্বীকৃতি

ভারতে মসজিদের সামনে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের উসকানিমূলক মহড়া, পুলিশের অস্বীকৃতি

আলেমদের সমালোচনায় শালীনতা ও আদব বজায় রাখা চাই

আলেমদের সমালোচনায় শালীনতা ও আদব বজায় রাখা চাই

ইউরোপের রাজনীতিতে ইসলামোফোবিয়া: এক দশকে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে মুসলিমবিদ্বেষ

ইউরোপের রাজনীতিতে ইসলামোফোবিয়া: এক দশকে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে মুসলিমবিদ্বেষ

বিদেশি কূটনীতিকদের সামনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পররাষ্ট্রনীতি ও অধিকার ভাবনা

বিদেশি কূটনীতিকদের সামনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পররাষ্ট্রনীতি ও অধিকার ভাবনা

ইয়েমেনে হুথিবিরোধী সর্বাত্মক অভিযান: ১,১২২ অভিযানে ১৭৪৭ যোদ্ধা নিহত

ইয়েমেনে হুথিবিরোধী সর্বাত্মক অভিযান: ১,১২২ অভিযানে ১৭৪৭ যোদ্ধা নিহত

ফ্যাসিস্টদের বিচার আগে, তারপর জাতীয় পুনর্মিলন: ডেপুটি স্পিকার

ফ্যাসিস্টদের বিচার আগে, তারপর জাতীয় পুনর্মিলন: ডেপুটি স্পিকার

জায়নবাদ কে ‘বর্ণবাদ’ ঘোষণা করল যুক্তরাজ্যের গ্রিন পার্টি

জায়নবাদ কে ‘বর্ণবাদ’ ঘোষণা করল যুক্তরাজ্যের গ্রিন পার্টি

গাজায় কিং সালমান রিলিফ সেন্টারের ত্রাণ বিতরণ ও নিরাপদ পানি সরবরাহ অব্যাহত

গাজায় কিং সালমান রিলিফ সেন্টারের ত্রাণ বিতরণ ও নিরাপদ পানি সরবরাহ অব্যাহত

হালাল পণ্য বয়কটের উগ্র হিুন্দুত্ববাদী ডাক: অর্থ দিয়ে সন্ত্রাসবাদের ভিত্তিহীন অভিযোগ

হালাল পণ্য বয়কটের উগ্র হিুন্দুত্ববাদী ডাক: অর্থ দিয়ে সন্ত্রাসবাদের ভিত্তিহীন অভিযোগ

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
লিংক কপি করা হয়েছে!
“
০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শায়খ ড. আবদুল বারি বিন আওয়াদ আল-সুবাইতি
শায়খ ড. আবদুল বারি বিন আওয়াদ আল-সুবাইতি
ইমাম ও খতিব, মসজিদে নববী
“
০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শায়খ ড. আবদুল বারি বিন আওয়াদ আল-সুবাইতি
শায়খ ড. আবদুল বারি বিন আওয়াদ আল-সুবাইতি
ইমাম ও খতিব, মসজিদে নববী
“
০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তারেক রহমান
তারেক রহমান
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ

গাজায় যুদ্ধবিরতি নিরাপত্তা প্রদানে ব্যর্থ: স্থায়ী অস্ত্রসংবরণ ও ত্রাণ সহায়তার আহ্বান

গাজায় চলমান আগ্রাসন ও মানবতাহীন সংকটের তিন বছরপূর্তির প্রাক্কালে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সতর্ক করে বলেছেন যে, বর্তমান যুদ্ধবিরতি উপত্যকায় কাঙ্ক্ষিত স্থিতিশীলতা বা পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে। অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য নিরাপত্তা এবং স্থায়ী শান্তির পথ তৈরিতে গাজা সংঘাত অবসানের ‘সার্বিক পরিকল্পনা’ সম্পূর্ণ কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।জাতিসংঘ মহাসচিব এক বিবৃতিতে বলেন, “গত বছরের যুদ্ধবিরতি সাময়িক কিছু স্বস্তি এনে দিয়েছিল, কিন্তু এটি এখনও স্থায়ী নিরাপত্তা, পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা কিংবা পুনর্বাসন ও শান্তির কোনো নির্ভরযোগ্য পথ তৈরি করতে পারেনি। এখন সময় এসেছে এই সাময়িক অস্ত্রসংবরণকে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রূপান্তর করার। সময় এসেছে আন্তর্জাতিক আইনকে শ্রদ্ধা জানানোর এবং সর্বাত্মক মাত্রায় মানবিক ত্রাণ গাজায় পৌঁছানোর ব্যবস্থা করার”।সংঘাতের ভয়াবহ চিত্র ও মানবীয় বিপর্যয়সংঘাতের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে জাতিসংঘ প্রধান উল্লেখ করেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের সংঘর্ষ এবং এর পরবর্তী ইসরায়েলি সামরিক অভিযান ফিলিস্তিনিদের ওপর অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্ট ও ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে এনেছে।ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলায় গাজায় অন্তত ৭৪,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন এবং ১৭৫,০০০-এরও বেশি মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন। বোমার আঘাতে উপত্যকাটির প্রায় ৯০ শতাংশ অবকাঠামো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।সবচেয়ে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর চুক্তি স্বাক্ষরের পর আপাত যুদ্ধবিরতি বহাল থাকা সত্ত্বেও দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা থেমে থাকেনি। এ সময়ের মধ্যেও তারা অন্তত ১,৪৫৪ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা এবং ৫,০৯০ জনের বেশি মানুষকে আহত করেছে।জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থাগুলো জানিয়েছে, নিরবচ্ছিন্ন হামলা ও অবরুদ্ধতার কারণে গোটা গাজা এখন পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি অঙ্গচ্ছেদ হওয়া শিশুর ভূখণ্ডে পরিণত হয়েছে। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই দখলদার বাহিনীর আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে এবং ফিলিস্তিনের মজলুম জনগোষ্ঠীর মৌলিক মানবাধিকার ও নিরাপত্তার অধিকার পুনরুদ্ধার করতে হবে।

গাজায় যুদ্ধবিরতি নিরাপত্তা প্রদানে ব্যর্থ: স্থায়ী অস্ত্রসংবরণ ও ত্রাণ সহায়তার আহ্বান
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৭ পিএম
কত বছর বয়সে তিনি প্রথম ওহী লাভ করেন?

কত বছর বয়সে তিনি প্রথম ওহী লাভ করেন?

  ৩৫ বছরে
  ৪০ বছরে
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন
আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...