অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের স্মরণে ব্যতিক্রমী কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ। সংগঠনটি দেশব্যাপী কুরআন খতম ও বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। প্রচলিত শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের পরিবর্তে তারা ধর্মীয় কর্মসূচির মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
২১ ফেব্রুয়ারি, যা বিশ্বব্যাপী International Mother Language Day হিসেবে পালিত হয়, সেই দিনটি বাংলাদেশে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে গভীর তাৎপর্য বহন করে। প্রতিবছর এই দিনে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করে থাকে।
তবে চলতি বছরে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ভিন্নধর্মী উদ্যোগ নেয়। সংগঠনটির বিভিন্ন জেলা ও শাখা পর্যায়ে কুরআন খতম, মিলাদ ও বিশেষ দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং দেশের কল্যাণ প্রার্থনাই ছিল এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।
সংগঠনের নেতারা বলেন, তারা ধর্মীয় মূল্যবোধের আলোকে শহীদদের স্মরণ করতে চান। তাদের মতে, দোয়া ও ধর্মীয় আয়োজনের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনও সমানভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। তবে এ বিষয়ে অন্য রাজনৈতিক বা সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে শহীদদের আত্মত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারি দিনটি বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয় এবং ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো এই দিনকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। প্রতিবছর দিনটি ভাষাগত বৈচিত্র্য ও মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে উদযাপিত হয়।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের স্মরণে ব্যতিক্রমী কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ। সংগঠনটি দেশব্যাপী কুরআন খতম ও বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। প্রচলিত শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের পরিবর্তে তারা ধর্মীয় কর্মসূচির মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
২১ ফেব্রুয়ারি, যা বিশ্বব্যাপী International Mother Language Day হিসেবে পালিত হয়, সেই দিনটি বাংলাদেশে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে গভীর তাৎপর্য বহন করে। প্রতিবছর এই দিনে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করে থাকে।
তবে চলতি বছরে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ভিন্নধর্মী উদ্যোগ নেয়। সংগঠনটির বিভিন্ন জেলা ও শাখা পর্যায়ে কুরআন খতম, মিলাদ ও বিশেষ দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং দেশের কল্যাণ প্রার্থনাই ছিল এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।
সংগঠনের নেতারা বলেন, তারা ধর্মীয় মূল্যবোধের আলোকে শহীদদের স্মরণ করতে চান। তাদের মতে, দোয়া ও ধর্মীয় আয়োজনের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনও সমানভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। তবে এ বিষয়ে অন্য রাজনৈতিক বা সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে শহীদদের আত্মত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারি দিনটি বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয় এবং ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো এই দিনকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। প্রতিবছর দিনটি ভাষাগত বৈচিত্র্য ও মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে উদযাপিত হয়।

আপনার মতামত লিখুন