২০২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি তুরস্কে আঘাত হানা প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্প, যা "শতাব্দীর ভয়াবহ দুর্যোগ" হিসেবে পরিচিত, তাতে কাহরামানমারাস অঞ্চলের বহু ঐতিহাসিক ও ইসলামিক স্থাপত্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সেই ধ্বংসযজ্ঞ থেকে মুসলিম ঐতিহ্যের অন্যতম প্রতীক কাহরামানমারাস দুর্গ এবং স্থানীয়দের আত্মিক আবেগের কেন্দ্রবিন্দু ইতিহাসসমৃদ্ধ আজেমলি মসজিদও রক্ষা পায়নি।দুর্যোগের পর পরই তুরস্কের সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয় শহরটির আধ্যাত্মিক ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে একটি বিস্তৃত পরিকল্পনা গ্রহণ করে। দীর্ঘ প্রক্রিয়া ও মূল নকশা হুবহু বজায় রেখে চালানো এই পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার কাজ সম্প্রতি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী মেহমেত নুরি এরসোই, স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমান অংশ নেন। মন্ত্রী প্রথমে সংস্কার করা আজেমলি মসজিদে উপস্থিত হয়ে মোনাজাতে অংশ নেন এবং ফিতা কেটে তা ইবাদতের জন্য উন্মুক্ত করেন। এরপর শহরের ঐতিহ্য বহনকারী কাহরামানমারাস দুর্গের শক্তিবর্ধিত দেয়াল ও টাওয়ারগুলোর উদ্বোধন সম্পন্ন হয়। ড্রোনে ধারণ করা নতুন দৃশ্যগুলোতে এই ইসলামিক ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যগুলোর আগের মহিমা ফিরে পাওয়ার চিত্র ফুটে উঠেছে।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।