মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কওমী টাইমস

সেন্টমার্টিনে দুই দিনে ২ হাজার ৫০০ কেজি বর্জ্য অপসারণ

সেন্টমার্টিন দ্বীপের নাজুক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় দুই দিনব্যাপী বিচ ক্লিনিং কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও পরিবেশ সংরক্ষণের লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক ও কঠিন বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়। সরকারি দপ্তর, প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মিলিত অংশগ্রহণে অভিযানটি বাস্তবায়িত হয়।বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় দুই দিনব্যাপী বিচ ক্লিনিং কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। সেন্টমার্টিন দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও অভিযোজন প্রকল্পের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে মোট ২০০ বস্তায় প্রায় ২ হাজার ৫০০ কেজি বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়।গত শনিবার দুপুর ২টায় শুরু হয়ে রবিবার পর্যন্ত চলা এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করা হয় পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের পরিচালক জমির উদ্দিনের ভার্চুয়াল বক্তব্যের মাধ্যমে। একই সময়ে প্রকল্প পরিচালক কামরুল হাসান পরিবেশ রক্ষার শপথ পাঠ করান।কর্মসূচিতে দ্বীপের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, যুবক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক অংশ নেন। তারা সৈকতজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্লাস্টিক, পলিথিন ও অন্যান্য ক্ষতিকর বর্জ্য সংগ্রহ করেন।পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের পরিচালক জমির উদ্দিন বলেন, সরকার প্রতি বছর পর্যটন মৌসুম শেষে পরিবেশ অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনায় নিয়মিত বিচ ক্লিনিং কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। এ কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হলো প্লাস্টিক বর্জ্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব মানসিকতা গড়ে তোলা।তিনি আরও জানান, দ্বীপবাসী ও পর্যটকদের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিবেশ সচেতনতা তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত থাকবে।শপথ পাঠের আগে প্রকল্প পরিচালক কামরুল হাসান বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপকে প্লাস্টিক দূষণ থেকে রক্ষা করতে দেশের সচেতন সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একটি অনন্য ও গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ, যা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করা আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব।কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের সহকারী পরিচালক আব্দুল লতিফ জনি। এছাড়া ইউডিপি-ব্র্যাক সেন্টমার্টিন প্রকল্পের প্রকল্প কো-অর্ডিনেটর মংওয়ান লাইন, মোবিলাইজার মার্টিন কুমার বিশ্বাস, ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর মুহাম্মদ রফিক, ডিপিএইচ সেন্টমার্টিন প্রকল্পের সুপারভাইজার জয়নুল আবেদিন এবং প্রান-আরএফএল-এর অস্থায়ী ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর ওসমান গনি উপস্থিত ছিলেন।

সেন্টমার্টিনে দুই দিনে ২ হাজার ৫০০ কেজি বর্জ্য অপসারণ