বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কওমী টাইমস

“গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা” দমন অভিযানের ঘটনায় বেইজিংয়ের কঠোর প্রতিক্রিয়া

ইসরায়েলি হামলার পর গাজার জন্য মানবিক সহায়তা নিশ্চিতে চীনের আহ্বান


কওমী টাইমস ডেস্ক
কওমী টাইমস ডেস্ক
প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ

ইসরায়েলি হামলার পর গাজার জন্য মানবিক সহায়তা নিশ্চিতে চীনের আহ্বান

ইসরায়েলি নৌবাহিনী কর্তৃক “গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা” দমন অভিযান ও কর্মীদের আটক নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে চীন। বেইজিং জানিয়েছে, গাজার ভয়াবহ মানবিক সংকট নিরসনে সহায়তা পৌঁছানো এখন জরুরি।

ইসরায়েলি নৌবাহিনীর হামলার পর চীন আন্তর্জাতিক মহলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যেন গাজায় জরুরি মানবিক সহায়তা পৌঁছানো নিশ্চিত হয়। বৃহস্পতিবার আনাদোলু এজেন্সিকে দেওয়া এক লিখিত জবাবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তারা ঘটনাটির অগ্রগতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সকল পক্ষকে জাতিসংঘের প্রস্তাব মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, "গাজায় অবিলম্বে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে এবং মানবিক সহায়তা নিরাপদ ও দ্রুত পৌঁছাতে হবে, যাতে স্থানীয় জনগণের ওপর নেমে আসা ভয়াবহ দুর্যোগ লাঘব করা যায়।"

বুধবার রাতে ইসরায়েলি নৌবাহিনী গাজামুখী “গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা” বহরে হামলা চালায়। একাধিক জাহাজে ওঠে পড়ে সেনারা এবং সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেয়। পরদিন বৃহস্পতিবার ইসরায়েল ঘোষণা করে, ৫০টিরও বেশি নৌযান নিয়ে যাত্রা করা বহরের প্রায় সবকটি জাহাজ দখলে নেওয়া হয়েছে এবং ৪৫টিরও বেশি দেশের ৫৩২ কর্মীকে আটক করা হয়েছে। কেবল একটি নৌযান দখল এড়াতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করে ইসরায়েল।

এটি প্রথমবারের মতো এত বড় আকারে আন্তর্জাতিক মানবিক বহর গাজার উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। দীর্ঘ ১৮ বছরের অবরোধে বিপর্যস্ত গাজায় বর্তমানে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে। গত ২ মার্চ ইসরায়েল সব স্থল ও বন্দরপথ বন্ধ করে দেওয়ায় খাদ্য, ওষুধ ও ত্রাণ আটকে আছে সীমান্তে। ফলে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ চলছে পুরো উপত্যকায়।

জাতিসংঘের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে চলমান অভিযানে ইসরায়েলি সেনারা এখন পর্যন্ত ৬৬ হাজার ২২৫ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে এবং প্রায় ১ লাখ ৬৯ হাজার মানুষ আহত হয়েছে। নিহতদের বড় অংশই শিশু ও নারী। শুধু দুর্ভিক্ষেই প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ৪৫৫ জন, যাদের মধ্যে ১৫১ জন শিশু।

বিষয় : চীন

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


ইসরায়েলি হামলার পর গাজার জন্য মানবিক সহায়তা নিশ্চিতে চীনের আহ্বান

প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৫

featured Image

ইসরায়েলি নৌবাহিনী কর্তৃক “গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা” দমন অভিযান ও কর্মীদের আটক নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে চীন। বেইজিং জানিয়েছে, গাজার ভয়াবহ মানবিক সংকট নিরসনে সহায়তা পৌঁছানো এখন জরুরি।

ইসরায়েলি নৌবাহিনীর হামলার পর চীন আন্তর্জাতিক মহলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যেন গাজায় জরুরি মানবিক সহায়তা পৌঁছানো নিশ্চিত হয়। বৃহস্পতিবার আনাদোলু এজেন্সিকে দেওয়া এক লিখিত জবাবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তারা ঘটনাটির অগ্রগতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সকল পক্ষকে জাতিসংঘের প্রস্তাব মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, "গাজায় অবিলম্বে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে এবং মানবিক সহায়তা নিরাপদ ও দ্রুত পৌঁছাতে হবে, যাতে স্থানীয় জনগণের ওপর নেমে আসা ভয়াবহ দুর্যোগ লাঘব করা যায়।"

বুধবার রাতে ইসরায়েলি নৌবাহিনী গাজামুখী “গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা” বহরে হামলা চালায়। একাধিক জাহাজে ওঠে পড়ে সেনারা এবং সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেয়। পরদিন বৃহস্পতিবার ইসরায়েল ঘোষণা করে, ৫০টিরও বেশি নৌযান নিয়ে যাত্রা করা বহরের প্রায় সবকটি জাহাজ দখলে নেওয়া হয়েছে এবং ৪৫টিরও বেশি দেশের ৫৩২ কর্মীকে আটক করা হয়েছে। কেবল একটি নৌযান দখল এড়াতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করে ইসরায়েল।

এটি প্রথমবারের মতো এত বড় আকারে আন্তর্জাতিক মানবিক বহর গাজার উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। দীর্ঘ ১৮ বছরের অবরোধে বিপর্যস্ত গাজায় বর্তমানে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে। গত ২ মার্চ ইসরায়েল সব স্থল ও বন্দরপথ বন্ধ করে দেওয়ায় খাদ্য, ওষুধ ও ত্রাণ আটকে আছে সীমান্তে। ফলে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ চলছে পুরো উপত্যকায়।

জাতিসংঘের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে চলমান অভিযানে ইসরায়েলি সেনারা এখন পর্যন্ত ৬৬ হাজার ২২৫ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে এবং প্রায় ১ লাখ ৬৯ হাজার মানুষ আহত হয়েছে। নিহতদের বড় অংশই শিশু ও নারী। শুধু দুর্ভিক্ষেই প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ৪৫৫ জন, যাদের মধ্যে ১৫১ জন শিশু।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মুস্তাইন বিল্লাহ
কপিরাইট © ২০২৬ কওমী টাইমস । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত