ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতমার বেন গাভির আবারও তার বর্ণবাদী ও উগ্র মনোভাবের পরিচয় দিয়েছেন। সম্প্রতি নোতশাভোট কারাগারে প্রবেশ করে তিনি ফিলিস্তিনি বন্দিদের অপমান করেন এবং সরাসরি মৃত্যুদণ্ডের হুমকি দেন, যা মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতমার বেন গাভির নেগেভ অঞ্চলের নোতশাভোট কারাগারে ঢুকে একদল ফিলিস্তিনি বন্দিকে উদ্দেশ্য করে চিৎকার করছেন: “সবাই মাটিতে বসে থাকবে, যেমন বসা উচিত।”
ফুটেজে দেখা যায়, বন্দিরা হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মাটিতে বসে আছে; চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা, আর মন্ত্রী গর্বভরে তাদের অপমান করছেন।
বেন গাভির বন্দিদের মৌলিক মানবিক অধিকার নিয়েও উপহাস করেন। তিনি বলেন, “তোমরা আর চকোলেট, জ্যাম, টেলিভিশন বা রেডিও কিছুই পাবে না।”
এই সব মৌলিক জিনিস তাদের কাছ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে কেড়ে নেওয়া হয়েছে, যা মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, এক ধরনের “সমষ্টিগত শাস্তি”।
তার সফরের শেষদিকে বেন গাভির আরও উস্কানিমূলক বক্তব্য দেন—বন্দিদের “সন্ত্রাসী” আখ্যা দিয়ে প্রকাশ্যে তাদের মৃত্যুদণ্ডের আহ্বান জানান। এই বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। বহু মানবাধিকারকর্মী একে “ইসরায়েলি ক্ষমতার শীর্ষ পর্যায়ে ঘৃণা ও বর্ণবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ” বলে অভিহিত করেছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বেন গাভিরের এই আচরণ শুধু ব্যক্তিগত উগ্রতার নয়, বরং ইসরায়েলি সরকারের চলমান নীতিরই প্রতিফলন, যেখানে ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক আচরণ স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে।
বিষয় : ইসরায়েল

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৫
ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতমার বেন গাভির আবারও তার বর্ণবাদী ও উগ্র মনোভাবের পরিচয় দিয়েছেন। সম্প্রতি নোতশাভোট কারাগারে প্রবেশ করে তিনি ফিলিস্তিনি বন্দিদের অপমান করেন এবং সরাসরি মৃত্যুদণ্ডের হুমকি দেন, যা মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতমার বেন গাভির নেগেভ অঞ্চলের নোতশাভোট কারাগারে ঢুকে একদল ফিলিস্তিনি বন্দিকে উদ্দেশ্য করে চিৎকার করছেন: “সবাই মাটিতে বসে থাকবে, যেমন বসা উচিত।”
ফুটেজে দেখা যায়, বন্দিরা হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মাটিতে বসে আছে; চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা, আর মন্ত্রী গর্বভরে তাদের অপমান করছেন।
বেন গাভির বন্দিদের মৌলিক মানবিক অধিকার নিয়েও উপহাস করেন। তিনি বলেন, “তোমরা আর চকোলেট, জ্যাম, টেলিভিশন বা রেডিও কিছুই পাবে না।”
এই সব মৌলিক জিনিস তাদের কাছ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে কেড়ে নেওয়া হয়েছে, যা মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, এক ধরনের “সমষ্টিগত শাস্তি”।
তার সফরের শেষদিকে বেন গাভির আরও উস্কানিমূলক বক্তব্য দেন—বন্দিদের “সন্ত্রাসী” আখ্যা দিয়ে প্রকাশ্যে তাদের মৃত্যুদণ্ডের আহ্বান জানান। এই বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। বহু মানবাধিকারকর্মী একে “ইসরায়েলি ক্ষমতার শীর্ষ পর্যায়ে ঘৃণা ও বর্ণবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ” বলে অভিহিত করেছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বেন গাভিরের এই আচরণ শুধু ব্যক্তিগত উগ্রতার নয়, বরং ইসরায়েলি সরকারের চলমান নীতিরই প্রতিফলন, যেখানে ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক আচরণ স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন