সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় গুনেইত্রা প্রদেশে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তাদের দখল ও সামরিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করছে। সিরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা সানা জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী কয়েকটি নতুন গ্রামে প্রবেশ করে সামরিক অবস্থান স্থাপন করেছে।
সিরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা সানা জানায়, ইসরায়েলি সেনারা গুনেইত্রা প্রদেশের আল-রেজানিয়েহ ও সাইদা আল-হানুত গ্রামে প্রবেশ করে চারটি সামরিক যান নিয়ে একটি নিয়ন্ত্রণ চৌকি স্থাপন করেছে। একইসঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনীর একটি ইউনিট হাদর ও ত্রাঞ্জে শহরের মধ্যবর্তী রাস্তায় অগ্রসর হচ্ছে।
আরও একটি সামরিক কনভয়, যাতে কয়েকটি সাঁজোয়া যান ও তিনটি ট্যাংক রয়েছে, আল-সামেদানিয়েহ ও আল-শারকিয়েহ গ্রামের দিকে অগ্রসর হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের অংশ, যার লক্ষ্য সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করা। ১৯৭৪ সালের সংঘর্ষবিরতি লাইনের ভেতরে ও বাইরে ইসরায়েল এর আগেও বহু সামরিক ঘাঁটি ও পর্যবেক্ষণ পয়েন্ট স্থাপন করেছে এবং নিয়মিত টহল চালিয়ে যাচ্ছে।
ইসরায়েল দাবি করে, সিরিয়ায় তাদের অভিযান ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া ও হিজবুল্লাহর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য। তবে দামেস্ক সরকার এসব পদক্ষেপকে “রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন” বলে আখ্যা দিয়েছে।

শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৫
সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় গুনেইত্রা প্রদেশে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তাদের দখল ও সামরিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করছে। সিরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা সানা জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী কয়েকটি নতুন গ্রামে প্রবেশ করে সামরিক অবস্থান স্থাপন করেছে।
সিরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা সানা জানায়, ইসরায়েলি সেনারা গুনেইত্রা প্রদেশের আল-রেজানিয়েহ ও সাইদা আল-হানুত গ্রামে প্রবেশ করে চারটি সামরিক যান নিয়ে একটি নিয়ন্ত্রণ চৌকি স্থাপন করেছে। একইসঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনীর একটি ইউনিট হাদর ও ত্রাঞ্জে শহরের মধ্যবর্তী রাস্তায় অগ্রসর হচ্ছে।
আরও একটি সামরিক কনভয়, যাতে কয়েকটি সাঁজোয়া যান ও তিনটি ট্যাংক রয়েছে, আল-সামেদানিয়েহ ও আল-শারকিয়েহ গ্রামের দিকে অগ্রসর হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের অংশ, যার লক্ষ্য সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করা। ১৯৭৪ সালের সংঘর্ষবিরতি লাইনের ভেতরে ও বাইরে ইসরায়েল এর আগেও বহু সামরিক ঘাঁটি ও পর্যবেক্ষণ পয়েন্ট স্থাপন করেছে এবং নিয়মিত টহল চালিয়ে যাচ্ছে।
ইসরায়েল দাবি করে, সিরিয়ায় তাদের অভিযান ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া ও হিজবুল্লাহর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য। তবে দামেস্ক সরকার এসব পদক্ষেপকে “রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন” বলে আখ্যা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন