একটি দলের সঙ্গে সরকার গোপন সমঝোতা করলে ন্যক্কারজনকভাবে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ভঙ্গ হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। রোববার দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে মিয়া গোলাম পরওয়ার লিখেছেন, “কোনো নিবন্ধিত দলের প্রার্থী জোটভুক্ত অন্য দলের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন”— যদি এমন আদেশ জারির মাধ্যমে সরকার একটি দলের সঙ্গে গোপন সমঝোতা করে, তবে এটি হবে নির্বাচনী নীতির পরিপন্থী ও ন্যক্কারজনক।
তিনি উল্লেখ করেন, গত ২৩ অক্টোবর নির্বাচনসংক্রান্ত আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের খসড়া অনুমোদন করেছিল অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। সেই সংশোধনী অনুযায়ী, নির্বাচনি জোট থাকলেও প্রার্থীদের নিজ নিজ দলের প্রতীকে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, বিএনপির একজন নেতার সঙ্গে সরকারের এক উপদেষ্টার কথিত ‘জেন্টলম্যান এগ্রিমেন্ট’-এর ভিত্তিতে এই অনুমোদিত সংশোধনী বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তার মতে, “যদি উপদেষ্টা পরিষদ ওই সংশোধনী বাতিল করে, তবে আসন্ন নির্বাচনের নিরপেক্ষতা ও সকল দলের জন্য সমান সুযোগ— অর্থাৎ লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড— নিশ্চিত করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।”
জামায়াত নেতা বলেন, “এটি হবে অগণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং জাতির কাছে সরকারের নৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। নির্বাচনের মাত্র চার মাস আগে কোনো দলের সঙ্গে এমন গোপন সমঝোতা হলে নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব নয়।”
তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী অনুমোদিত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) বহাল রাখার জন্য, যাতে সকল দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হয় এবং জনগণের আস্থা অটুট থাকে।
মিয়া গোলাম পরওয়ারের দাবি, আসন্ন নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা রক্ষায় সরকারের উচিত হবে স্বচ্ছ ও সমানাধিকারভিত্তিক নির্বাচন পরিচালনার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা, কোনো গোপন সমঝোতা নয়।

শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৫
একটি দলের সঙ্গে সরকার গোপন সমঝোতা করলে ন্যক্কারজনকভাবে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ভঙ্গ হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। রোববার দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে মিয়া গোলাম পরওয়ার লিখেছেন, “কোনো নিবন্ধিত দলের প্রার্থী জোটভুক্ত অন্য দলের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন”— যদি এমন আদেশ জারির মাধ্যমে সরকার একটি দলের সঙ্গে গোপন সমঝোতা করে, তবে এটি হবে নির্বাচনী নীতির পরিপন্থী ও ন্যক্কারজনক।
তিনি উল্লেখ করেন, গত ২৩ অক্টোবর নির্বাচনসংক্রান্ত আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের খসড়া অনুমোদন করেছিল অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। সেই সংশোধনী অনুযায়ী, নির্বাচনি জোট থাকলেও প্রার্থীদের নিজ নিজ দলের প্রতীকে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, বিএনপির একজন নেতার সঙ্গে সরকারের এক উপদেষ্টার কথিত ‘জেন্টলম্যান এগ্রিমেন্ট’-এর ভিত্তিতে এই অনুমোদিত সংশোধনী বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তার মতে, “যদি উপদেষ্টা পরিষদ ওই সংশোধনী বাতিল করে, তবে আসন্ন নির্বাচনের নিরপেক্ষতা ও সকল দলের জন্য সমান সুযোগ— অর্থাৎ লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড— নিশ্চিত করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।”
জামায়াত নেতা বলেন, “এটি হবে অগণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং জাতির কাছে সরকারের নৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। নির্বাচনের মাত্র চার মাস আগে কোনো দলের সঙ্গে এমন গোপন সমঝোতা হলে নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব নয়।”
তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী অনুমোদিত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) বহাল রাখার জন্য, যাতে সকল দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হয় এবং জনগণের আস্থা অটুট থাকে।
মিয়া গোলাম পরওয়ারের দাবি, আসন্ন নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা রক্ষায় সরকারের উচিত হবে স্বচ্ছ ও সমানাধিকারভিত্তিক নির্বাচন পরিচালনার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা, কোনো গোপন সমঝোতা নয়।

আপনার মতামত লিখুন