ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি মধ্যপ্রাচ্যে হস্তক্ষেপ বন্ধ না করে এবং ইসরাইলের প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার না করে, তবে ইরান তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের সহযোগিতা করবে না। সোমবার তেহরানে এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্দেশ করে বলেছেন, “যদি তারা পুরোপুরি ইসরাইলি শাসনকে সমর্থন করা বন্ধ করে, এখানকার সামরিক ঘাঁটি গুটিয়ে নেয় এবং এ অঞ্চলে হস্তক্ষেপ না করে, তাহলে সহযোগিতা নিয়ে ভাবা যেতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের ঔদ্ধত্যপূর্ণ স্বভাব আত্মসমর্পণ ছাড়া অন্য কিছুই মেনে নেয় না। তারা সবসময় নিজেদের স্বার্থে অন্যদের ব্যবহার করতে চায়, যা স্বাধীন দেশগুলোর জন্য অগ্রহণযোগ্য।”
খামেনি এই বক্তব্য দেন ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর যুক্তরাষ্ট্রের তেহরান দূতাবাস দখলের বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে। ওই বিপ্লবের মাধ্যমে পশ্চিমা সমর্থিত তৎকালীন শাসক শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভি ক্ষমতাচ্যুত হন এবং ইরান নতুন ইসলামী প্রজাতন্ত্রে রূপান্তরিত হয়।
সমাবেশে খামেনি বলেন, “যদি কোনো দেশ শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং শত্রুরা বুঝতে পারে যে এই শক্তিশালী জাতির মুখোমুখি হওয়া তাদের জন্য ক্ষতির কারণ হবে, তাহলে সেই দেশই নিরাপদ থাকবে।”
তার এই বক্তব্যকে বিশ্লেষকরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইরানের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক অবস্থানের পুনর্নিশ্চিতকরণ হিসেবে দেখছেন। একই সময়ে এটি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও জোট রাজনীতির প্রেক্ষাপটে তেহরানের দৃঢ় অবস্থানও তুলে ধরে।
সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড
বিষয় : আন্তর্জাতিক মধ্যপ্রাচ্য ইরান

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৫
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি মধ্যপ্রাচ্যে হস্তক্ষেপ বন্ধ না করে এবং ইসরাইলের প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার না করে, তবে ইরান তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের সহযোগিতা করবে না। সোমবার তেহরানে এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্দেশ করে বলেছেন, “যদি তারা পুরোপুরি ইসরাইলি শাসনকে সমর্থন করা বন্ধ করে, এখানকার সামরিক ঘাঁটি গুটিয়ে নেয় এবং এ অঞ্চলে হস্তক্ষেপ না করে, তাহলে সহযোগিতা নিয়ে ভাবা যেতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের ঔদ্ধত্যপূর্ণ স্বভাব আত্মসমর্পণ ছাড়া অন্য কিছুই মেনে নেয় না। তারা সবসময় নিজেদের স্বার্থে অন্যদের ব্যবহার করতে চায়, যা স্বাধীন দেশগুলোর জন্য অগ্রহণযোগ্য।”
খামেনি এই বক্তব্য দেন ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর যুক্তরাষ্ট্রের তেহরান দূতাবাস দখলের বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে। ওই বিপ্লবের মাধ্যমে পশ্চিমা সমর্থিত তৎকালীন শাসক শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভি ক্ষমতাচ্যুত হন এবং ইরান নতুন ইসলামী প্রজাতন্ত্রে রূপান্তরিত হয়।
সমাবেশে খামেনি বলেন, “যদি কোনো দেশ শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং শত্রুরা বুঝতে পারে যে এই শক্তিশালী জাতির মুখোমুখি হওয়া তাদের জন্য ক্ষতির কারণ হবে, তাহলে সেই দেশই নিরাপদ থাকবে।”
তার এই বক্তব্যকে বিশ্লেষকরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইরানের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক অবস্থানের পুনর্নিশ্চিতকরণ হিসেবে দেখছেন। একই সময়ে এটি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও জোট রাজনীতির প্রেক্ষাপটে তেহরানের দৃঢ় অবস্থানও তুলে ধরে।
সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড

আপনার মতামত লিখুন