খেলাফত মজলিশের আমির আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে, এবং সেই সনদের ভিত্তিতেই আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত। মঙ্গলবার বিকেলে নেত্রকোণার মদন উপজেলায় এক গণসমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
মদন উপজেলা শাখার আয়োজনে পৌর সদরের জাহাঙ্গীরপুর তহুরা আমিন সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত গণসমাবেশে মামুনুল হক বলেন,
“জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি আমরা শ্রদ্ধা জানিয়ে বলতে চাই, আগামী বাংলাদেশে জুলাই সনদ আইনগত ভিত্তি প্রদানের জন্য একটি গণভোটের আয়োজন করতে হবে।”
বক্তব্য শেষে খেলাফত মজলিশের প্রতীক ‘রিকশা মার্কায়’ ভোট চান তিনি। এ সময় তিনি নেত্রকোণার তিনটি আসনে দলের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
নেত্রকোণা-২ (সদর ও বারহাট্টা) আসনে মাওলানা দেলোয়ার হোসেন,
নেত্রকোণা-৩ (কেন্দুয়া, আটপাড়া) আসনে মাওলানা হাফিজুর রহমান,
নেত্রকোণা-৪ (মদন, মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুরী) আসনে মুফতি ইরশাদুল্লাহ কাশেমীকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
“আগামী নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন ধরনের নির্বাচন। বিগত ১৫ বছর দেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। ভোটকেন্দ্রগুলো কুকুরের দখলে ছিল। বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়ে জাতীয় সংসদকে তামাশায় পরিণত করা হয়েছিল। আমরা আর সেই দিনে ফিরতে চাই না।”
তিনি শান্তিপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের আহ্বান জানিয়ে বলেন,
“আমরা চাই নির্বাচন হোক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, কিন্তু কোনো সংঘাত যেন না ঘটে।”

শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৫
খেলাফত মজলিশের আমির আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে, এবং সেই সনদের ভিত্তিতেই আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত। মঙ্গলবার বিকেলে নেত্রকোণার মদন উপজেলায় এক গণসমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
মদন উপজেলা শাখার আয়োজনে পৌর সদরের জাহাঙ্গীরপুর তহুরা আমিন সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত গণসমাবেশে মামুনুল হক বলেন,
“জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি আমরা শ্রদ্ধা জানিয়ে বলতে চাই, আগামী বাংলাদেশে জুলাই সনদ আইনগত ভিত্তি প্রদানের জন্য একটি গণভোটের আয়োজন করতে হবে।”
বক্তব্য শেষে খেলাফত মজলিশের প্রতীক ‘রিকশা মার্কায়’ ভোট চান তিনি। এ সময় তিনি নেত্রকোণার তিনটি আসনে দলের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
নেত্রকোণা-২ (সদর ও বারহাট্টা) আসনে মাওলানা দেলোয়ার হোসেন,
নেত্রকোণা-৩ (কেন্দুয়া, আটপাড়া) আসনে মাওলানা হাফিজুর রহমান,
নেত্রকোণা-৪ (মদন, মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুরী) আসনে মুফতি ইরশাদুল্লাহ কাশেমীকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
“আগামী নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন ধরনের নির্বাচন। বিগত ১৫ বছর দেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। ভোটকেন্দ্রগুলো কুকুরের দখলে ছিল। বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়ে জাতীয় সংসদকে তামাশায় পরিণত করা হয়েছিল। আমরা আর সেই দিনে ফিরতে চাই না।”
তিনি শান্তিপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের আহ্বান জানিয়ে বলেন,
“আমরা চাই নির্বাচন হোক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, কিন্তু কোনো সংঘাত যেন না ঘটে।”

আপনার মতামত লিখুন