পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের হরিপুর জেলার তারবেলায় বিশাল স্বর্ণের মজুদ আবিষ্কৃত হয়েছে। এ আবিষ্কারের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার পাকিস্তানি গণমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানায়, করাচি প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এয়ার করাচির চেয়ারম্যান ও ফেডারেশন অব পাকিস্তান চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফপিসিসিআই) প্রাক্তন সিনিয়র সহ-সভাপতি হানিফ গোহর এই তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি জানান, আবিষ্কৃত সোনার মোট মূল্য প্রায় ৬৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা পাকিস্তানের বর্তমান বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের জন্য যথেষ্ট।
গোহর আরও বলেন, “এই আবিষ্কার পাকিস্তানের অর্থনীতিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে। বিষয়টি ইতোমধ্যে স্পেশাল ইনভেস্টমেন্ট ফ্যাসিলিটেশন কাউন্সিল (এসআইএফসি) ও স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের (এসবিপি) নজরে আনা হয়েছে।”
তিনি জানান, স্বর্ণ উত্তোলনের জন্য অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার খনন কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ চলছে, এবং প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলেই প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, তারবেলা অঞ্চলে স্বর্ণের এই বিশাল ভাণ্ডার পাকিস্তানের অর্থনৈতিক পুনরুত্থানের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।
সূত্র: দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন
বিষয় : অর্থনীতি আন্তর্জাতিক পাকিস্তান কওমী টাইমস

শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৫
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের হরিপুর জেলার তারবেলায় বিশাল স্বর্ণের মজুদ আবিষ্কৃত হয়েছে। এ আবিষ্কারের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার পাকিস্তানি গণমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানায়, করাচি প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এয়ার করাচির চেয়ারম্যান ও ফেডারেশন অব পাকিস্তান চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফপিসিসিআই) প্রাক্তন সিনিয়র সহ-সভাপতি হানিফ গোহর এই তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি জানান, আবিষ্কৃত সোনার মোট মূল্য প্রায় ৬৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা পাকিস্তানের বর্তমান বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের জন্য যথেষ্ট।
গোহর আরও বলেন, “এই আবিষ্কার পাকিস্তানের অর্থনীতিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে। বিষয়টি ইতোমধ্যে স্পেশাল ইনভেস্টমেন্ট ফ্যাসিলিটেশন কাউন্সিল (এসআইএফসি) ও স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের (এসবিপি) নজরে আনা হয়েছে।”
তিনি জানান, স্বর্ণ উত্তোলনের জন্য অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার খনন কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ চলছে, এবং প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলেই প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, তারবেলা অঞ্চলে স্বর্ণের এই বিশাল ভাণ্ডার পাকিস্তানের অর্থনৈতিক পুনরুত্থানের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।
সূত্র: দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

আপনার মতামত লিখুন