শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কওমী টাইমস

বিজ্ঞপ্তিতে ৩০ দিনের সময়সীমা, অন্যথায় অনুপস্থিতিতেই বিচার শুরু; ঘাতকদের স্বীকারোক্তিতে লোমহর্ষক হত্যার বিবরণ

আলোচিত আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলা: আত্মগোপনে থাকা ১৮ আসামিকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ!


কওমী টাইমস ডেস্ক
কওমী টাইমস ডেস্ক
প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ

আলোচিত আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলা: আত্মগোপনে থাকা ১৮ আসামিকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ!

চট্টগ্রামের আলোচিত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত পলাতক ও আত্মগোপনে থাকা ১৮ আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১ ডিসেম্বর) পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে তাদের আগামী ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে হাজির হতে বলা হয়। অন্যথায় তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম শুরু হবে। বিষয়টি শনিবার (৬ ডিসেম্বর) জানাজানি হয়।

শুভ কান্তি দাস (২৪), ওমকার দাস (২০), বিশাল (২০), লালা ওরফে লাল দাস (১৯), বিগলাল ওরফে বিকরাল দাস (২০), পরাশ (২২), গণেশ ওরফে শ্রী গনেজ (১৯), পপি ওরফে জয়দেব দাশ (২০), দেব (২৫), জয় (৩০), লালা ওরফে লালা দাস মেথর (৪০), সুক দাস (৩৭), ভাজন ওরফে ভজন দাস (৩৭), আশিক (৩৪), শহিত (৩০), শিবা দাস (৩০), দ্বীপ দাস (২৯) ও সুকান্ত দত্ত (৩০)।

চট্টগ্রাম মহানগর আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) এবং মামলার আইনজীবী মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী জানান,

“আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত মোট আসামি ৩৯ জন। এর মধ্যে ২১ জন গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। এখনও ১৮ জন আসামি পলাতক।”

তিনি আরও বলেন,

“পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হয়ে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে দায়রা জজ আদালতে যাবে। সেখানে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম শুরু হবে।”

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, পুলিশ তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১ জুলাই ৩৯ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার মাহফুজুর রহমান। এরপর গত ২৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষষ্ঠ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আলাউদ্দীন আদালতে অভিযোগপত্রের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে শুনানি শেষে তা গ্রহণ করেন।

আলিফ হত্যার আসামিদের মধ্যে চন্দন দাস, রিপন দাস ও রাজীব ভট্টাচার্য আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

জবানবন্দিতে তারা উল্লেখ করেন,

আইনজীবী আলিফের ঘাড়ে বঁটি দিয়ে দুটি কোপ দেন রিপন দাস। আর কিরিচ দিয়ে কোপান চন্দন দাস। পরে রাস্তায় পড়ে থাকা সাদা শার্ট ও কালো প্যান্ট পরা এই আইনজীবীকে লাঠি, বাটাম, ইট, কিরিচ ও বঁটি দিয়ে তারা ১৫ থেকে ২০ জন মিলে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করেন।

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


আলোচিত আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলা: আত্মগোপনে থাকা ১৮ আসামিকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ!

প্রকাশের তারিখ : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

চট্টগ্রামের আলোচিত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত পলাতক ও আত্মগোপনে থাকা ১৮ আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১ ডিসেম্বর) পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে তাদের আগামী ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে হাজির হতে বলা হয়। অন্যথায় তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম শুরু হবে। বিষয়টি শনিবার (৬ ডিসেম্বর) জানাজানি হয়।

শুভ কান্তি দাস (২৪), ওমকার দাস (২০), বিশাল (২০), লালা ওরফে লাল দাস (১৯), বিগলাল ওরফে বিকরাল দাস (২০), পরাশ (২২), গণেশ ওরফে শ্রী গনেজ (১৯), পপি ওরফে জয়দেব দাশ (২০), দেব (২৫), জয় (৩০), লালা ওরফে লালা দাস মেথর (৪০), সুক দাস (৩৭), ভাজন ওরফে ভজন দাস (৩৭), আশিক (৩৪), শহিত (৩০), শিবা দাস (৩০), দ্বীপ দাস (২৯) ও সুকান্ত দত্ত (৩০)।

চট্টগ্রাম মহানগর আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) এবং মামলার আইনজীবী মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী জানান,

“আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত মোট আসামি ৩৯ জন। এর মধ্যে ২১ জন গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। এখনও ১৮ জন আসামি পলাতক।”

তিনি আরও বলেন,

“পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হয়ে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে দায়রা জজ আদালতে যাবে। সেখানে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম শুরু হবে।”

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, পুলিশ তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১ জুলাই ৩৯ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার মাহফুজুর রহমান। এরপর গত ২৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষষ্ঠ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আলাউদ্দীন আদালতে অভিযোগপত্রের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে শুনানি শেষে তা গ্রহণ করেন।

আলিফ হত্যার আসামিদের মধ্যে চন্দন দাস, রিপন দাস ও রাজীব ভট্টাচার্য আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

জবানবন্দিতে তারা উল্লেখ করেন,

আইনজীবী আলিফের ঘাড়ে বঁটি দিয়ে দুটি কোপ দেন রিপন দাস। আর কিরিচ দিয়ে কোপান চন্দন দাস। পরে রাস্তায় পড়ে থাকা সাদা শার্ট ও কালো প্যান্ট পরা এই আইনজীবীকে লাঠি, বাটাম, ইট, কিরিচ ও বঁটি দিয়ে তারা ১৫ থেকে ২০ জন মিলে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করেন।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মুস্তাইন বিল্লাহ
কপিরাইট © ২০২৬ কওমী টাইমস । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত