মেক্সিকোতে মুসলিম নারীদের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ এক নজির স্থাপন করেছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। পাসপোর্টের ছবির জন্য হিজাব খুলতে বাধ্য করার সরকারি নিয়মকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়েছে। এই রায়ের ফলে মুসলিম নারীরা এখন হিজাব পরেই পাসপোর্টের আবেদন করতে পারবেন। মানবাধিকার ও সমতার প্রশ্নে এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
মেক্সিকোর সুপ্রিম কোর্ট (ন্যাশনাল সুপ্রিম কোর্ট অব জাস্টিস) রায় দিয়েছে যে, পাসপোর্টের ছবি তোলার সময় মুসলিম নারীদের মাথার হিজাব খুলতে বাধ্য করা সংবিধানবিরোধী এবং এটি ধর্মীয় স্বাধীনতার লঙ্ঘন।
এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন দুই মুসলিম নারী, যাদের পাসপোর্ট আবেদন কেবল হিজাব না খোলার কারণে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল। তারা আদালতে যুক্তি দেন, হিজাব পরা তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও ইবাদতের অংশ, যা খুলতে বাধ্য করা মানে তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা, সমতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারে হস্তক্ষেপ।
মামলার শুনানিতে জেলা আদালত প্রথমে মত দেয় যে, এই নিষেধাজ্ঞা সরাসরি ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিপন্থী। পরবর্তীতে বিষয়টি সর্বোচ্চ আদালতে গেলে সুপ্রিম কোর্ট চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করে—পাসপোর্টের ছবিতে ইসলামি পোশাক নিষিদ্ধ করা সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘনের শামিল।
আদালতের এক বিচারপতি মন্তব্য করেন, এই রায় কেবল একজন নারীর পাসপোর্ট পাওয়ার অধিকারের প্রশ্ন নয়; বরং এটি মেক্সিকোর সব নারীর পক্ষে একটি বার্তা, যারা ইতিহাসজুড়ে পুরুষদের তুলনায় অতিরিক্ত সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বোঝার মুখে পড়েছেন। তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের কোনো প্রশাসনিক বিধি ধর্মীয় বিশ্বাসকে খর্ব করতে পারে না।
এই রায়ের মাধ্যমে মেক্সিকোতে ধর্মীয় বৈচিত্র্য, মানবাধিকার এবং নারীর মর্যাদা রক্ষায় একটি শক্তিশালী আইনি দৃষ্টান্ত তৈরি হলো বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
মেক্সিকোতে মুসলিম নারীদের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ এক নজির স্থাপন করেছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। পাসপোর্টের ছবির জন্য হিজাব খুলতে বাধ্য করার সরকারি নিয়মকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়েছে। এই রায়ের ফলে মুসলিম নারীরা এখন হিজাব পরেই পাসপোর্টের আবেদন করতে পারবেন। মানবাধিকার ও সমতার প্রশ্নে এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
মেক্সিকোর সুপ্রিম কোর্ট (ন্যাশনাল সুপ্রিম কোর্ট অব জাস্টিস) রায় দিয়েছে যে, পাসপোর্টের ছবি তোলার সময় মুসলিম নারীদের মাথার হিজাব খুলতে বাধ্য করা সংবিধানবিরোধী এবং এটি ধর্মীয় স্বাধীনতার লঙ্ঘন।
এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন দুই মুসলিম নারী, যাদের পাসপোর্ট আবেদন কেবল হিজাব না খোলার কারণে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল। তারা আদালতে যুক্তি দেন, হিজাব পরা তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও ইবাদতের অংশ, যা খুলতে বাধ্য করা মানে তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা, সমতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারে হস্তক্ষেপ।
মামলার শুনানিতে জেলা আদালত প্রথমে মত দেয় যে, এই নিষেধাজ্ঞা সরাসরি ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিপন্থী। পরবর্তীতে বিষয়টি সর্বোচ্চ আদালতে গেলে সুপ্রিম কোর্ট চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করে—পাসপোর্টের ছবিতে ইসলামি পোশাক নিষিদ্ধ করা সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘনের শামিল।
আদালতের এক বিচারপতি মন্তব্য করেন, এই রায় কেবল একজন নারীর পাসপোর্ট পাওয়ার অধিকারের প্রশ্ন নয়; বরং এটি মেক্সিকোর সব নারীর পক্ষে একটি বার্তা, যারা ইতিহাসজুড়ে পুরুষদের তুলনায় অতিরিক্ত সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বোঝার মুখে পড়েছেন। তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের কোনো প্রশাসনিক বিধি ধর্মীয় বিশ্বাসকে খর্ব করতে পারে না।
এই রায়ের মাধ্যমে মেক্সিকোতে ধর্মীয় বৈচিত্র্য, মানবাধিকার এবং নারীর মর্যাদা রক্ষায় একটি শক্তিশালী আইনি দৃষ্টান্ত তৈরি হলো বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন