সিরিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় শহর হোমসের একটি মসজিদে জুমার নামাজ চলাকালীন এক ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ৮ জন নিহত এবং ১৮ জন আহত হয়েছেন। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। নতুন অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের অধীনে নিরাপত্তা জোরদারের চেষ্টার মধ্যেই এই রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনা ঘটল।
সিরিয়ার হোমস শহরের ওয়াদি আল-জাহাব পাড়ার আল-খোদারি সড়কে অবস্থিত ‘ইমাম আলী ইবনে আবি তালিব’ মসজিদে আজ শুক্রবার জুমার নামাজের সময় এক শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ঘটনাকে একটি ‘সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জরুরি ও অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা বিভাগের পরিচালক নাজিব আল-নাসান জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ৮ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। আহত ১৮ জনকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাণহানির সংখ্যা আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
বিস্ফোরণের পরপরই সিরীয় নিরাপত্তা বাহিনী এলাকাটি ঘিরে ফেলে এবং বিশেষ তদন্তকারী দল তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।
দীর্ঘ ২৫ বছরের আসাদ শাসনের অবসানের পর সিরিয়ায় বর্তমানে আহমেদ আল-শারা’র নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন কাজ করছে। এই নতুন প্রশাসন দেশজুড়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সাবেক শাসনের অবশিষ্টাংশ—যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে—তাদের দমনে কাজ করে যাচ্ছে। আজকের এই হামলা সেই নিরাপত্তা পরিস্থিতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
বিষয় : সিরিয়া

শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
সিরিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় শহর হোমসের একটি মসজিদে জুমার নামাজ চলাকালীন এক ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ৮ জন নিহত এবং ১৮ জন আহত হয়েছেন। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। নতুন অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের অধীনে নিরাপত্তা জোরদারের চেষ্টার মধ্যেই এই রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনা ঘটল।
সিরিয়ার হোমস শহরের ওয়াদি আল-জাহাব পাড়ার আল-খোদারি সড়কে অবস্থিত ‘ইমাম আলী ইবনে আবি তালিব’ মসজিদে আজ শুক্রবার জুমার নামাজের সময় এক শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ঘটনাকে একটি ‘সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জরুরি ও অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা বিভাগের পরিচালক নাজিব আল-নাসান জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ৮ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। আহত ১৮ জনকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাণহানির সংখ্যা আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
বিস্ফোরণের পরপরই সিরীয় নিরাপত্তা বাহিনী এলাকাটি ঘিরে ফেলে এবং বিশেষ তদন্তকারী দল তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।
দীর্ঘ ২৫ বছরের আসাদ শাসনের অবসানের পর সিরিয়ায় বর্তমানে আহমেদ আল-শারা’র নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন কাজ করছে। এই নতুন প্রশাসন দেশজুড়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সাবেক শাসনের অবশিষ্টাংশ—যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে—তাদের দমনে কাজ করে যাচ্ছে। আজকের এই হামলা সেই নিরাপত্তা পরিস্থিতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন