বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কওমী টাইমস

উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় বিস্ফোরণের উৎস ও উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

কেরানীগঞ্জে মাদ্রাসা ভবনে বিস্ফোরণ: নারী ও শিশুসহ আহত ৪, বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার


কওমী টাইমস ডেস্ক
কওমী টাইমস ডেস্ক
প্রকাশ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ

কেরানীগঞ্জে মাদ্রাসা ভবনে বিস্ফোরণ: নারী ও শিশুসহ আহত ৪, বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় একটি মাদ্রাসা ভবনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ চারজন আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের পর ভবনটি থেকে বোমা ও বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধারের তথ্য দিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

হাসনাবাদের উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় শুক্রবার দুপুরে আকস্মিক বিস্ফোরণ ঘটে। এতে মাদ্রাসার পরিচালক শেখ আল আমিন (৩২), তার স্ত্রী আছিয়া বেগম (২৮) এবং তাদের দুই ছেলে—উমায়েত (১০) ও আব্দুল্লাহ (৭) আহত হন। আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থল থেকে বিস্ফোরক ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তে পুলিশের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটসহ একাধিক সংস্থা কাজ করছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, একটি আবাসিক ভবনের তিনটি কক্ষে মাদ্রাসার কার্যক্রম চলত। পাশের একটি কক্ষে পরিচালক শেখ আল আমিন স্ত্রী-সন্তানসহ বসবাস করতেন। মাদ্রাসায় আনুমানিক ৫০ জন শিক্ষার্থী থাকলেও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে ঘটনার সময় কোনো ক্লাস চলছিল না।

বিস্ফোরণে মাদ্রাসা অংশের দুটি কক্ষের দেয়াল ধসে পড়ে এবং ভবনের ছাদ ও কলামে ফাটল দেখা যায়। পাশের আরেকটি ভবনেও ফাটল সৃষ্টি হয়েছে বলে ভবন মালিক দাবি করেছেন।

বাড়ির মালিক পারভীন বেগম জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন ভবনের চারপাশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। তার দাবি, পুলিশের অভিযানে ভেতর থেকে কেমিক্যাল, ককটেল ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে, মাদ্রাসার আড়ালে কোনো অবৈধ কার্যক্রম চলছিল কি না—এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি তদন্ত কর্মকর্তারা। এসপি মিজানুর রহমান বলেন, “বিস্ফোরণ কীভাবে ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


কেরানীগঞ্জে মাদ্রাসা ভবনে বিস্ফোরণ: নারী ও শিশুসহ আহত ৪, বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় একটি মাদ্রাসা ভবনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ চারজন আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের পর ভবনটি থেকে বোমা ও বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধারের তথ্য দিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

হাসনাবাদের উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় শুক্রবার দুপুরে আকস্মিক বিস্ফোরণ ঘটে। এতে মাদ্রাসার পরিচালক শেখ আল আমিন (৩২), তার স্ত্রী আছিয়া বেগম (২৮) এবং তাদের দুই ছেলে—উমায়েত (১০) ও আব্দুল্লাহ (৭) আহত হন। আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থল থেকে বিস্ফোরক ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তে পুলিশের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটসহ একাধিক সংস্থা কাজ করছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, একটি আবাসিক ভবনের তিনটি কক্ষে মাদ্রাসার কার্যক্রম চলত। পাশের একটি কক্ষে পরিচালক শেখ আল আমিন স্ত্রী-সন্তানসহ বসবাস করতেন। মাদ্রাসায় আনুমানিক ৫০ জন শিক্ষার্থী থাকলেও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে ঘটনার সময় কোনো ক্লাস চলছিল না।

বিস্ফোরণে মাদ্রাসা অংশের দুটি কক্ষের দেয়াল ধসে পড়ে এবং ভবনের ছাদ ও কলামে ফাটল দেখা যায়। পাশের আরেকটি ভবনেও ফাটল সৃষ্টি হয়েছে বলে ভবন মালিক দাবি করেছেন।

বাড়ির মালিক পারভীন বেগম জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন ভবনের চারপাশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। তার দাবি, পুলিশের অভিযানে ভেতর থেকে কেমিক্যাল, ককটেল ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে, মাদ্রাসার আড়ালে কোনো অবৈধ কার্যক্রম চলছিল কি না—এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি তদন্ত কর্মকর্তারা। এসপি মিজানুর রহমান বলেন, “বিস্ফোরণ কীভাবে ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মুস্তাইন বিল্লাহ
কপিরাইট © ২০২৬ কওমী টাইমস । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত