সাগরপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে বঙ্গোপসাগরে এক বিশাল উদ্ধার অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। অভিযানে একটি কাঠের বোট থেকে ১০ জন দালালসহ মোট ২৭৩ জনকে আটক করা হয়েছে। পর্যাপ্ত জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম ও খাদ্যবিহীন এই ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা একটি বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারতো বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ ‘বানৌজা স্বাধীনতা’ সেন্টমার্টিন দ্বীপ সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। নৌবাহিনী সূত্র জানায়, সেন্টমার্টিন থেকে প্রায় ৩০ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে একটি বড় কাঠের বোটের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে সেটিকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। তবে বোটটি সংকেত অমান্য করে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলে নৌবাহিনী ধাওয়া দিয়ে সেটিকে আটক করে।
তল্লাশি চালিয়ে বোটটি থেকে ১০ জন মানবপাচারকারী (দালাল) এবং মালয়েশিয়াগামী ২৭৩ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, পাচারকারীরা উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের এই বিপজ্জনক পথে নিয়ে যাচ্ছিল।
নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, বোটটিতে পর্যাপ্ত খাবার, বিশুদ্ধ পানি বা লাইফ জ্যাকেটের মতো কোনো জরুরি সরঞ্জাম ছিল না। গভীর সমুদ্রে প্রতিকূল আবহাওয়ার মুখে পড়লে এই বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানির প্রবল আশঙ্কা ছিল। উদ্ধারকৃত ব্যক্তিদের এবং আটক দালালদের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য কক্সবাজারের টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী জানিয়েছে, দেশের জলসীমায় মানবপাচার, চোরাচালান এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধে তাদের এই কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বিষয় : বাংলাদেশ নৌবাহিনী

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
সাগরপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে বঙ্গোপসাগরে এক বিশাল উদ্ধার অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। অভিযানে একটি কাঠের বোট থেকে ১০ জন দালালসহ মোট ২৭৩ জনকে আটক করা হয়েছে। পর্যাপ্ত জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম ও খাদ্যবিহীন এই ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা একটি বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারতো বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ ‘বানৌজা স্বাধীনতা’ সেন্টমার্টিন দ্বীপ সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। নৌবাহিনী সূত্র জানায়, সেন্টমার্টিন থেকে প্রায় ৩০ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে একটি বড় কাঠের বোটের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে সেটিকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। তবে বোটটি সংকেত অমান্য করে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলে নৌবাহিনী ধাওয়া দিয়ে সেটিকে আটক করে।
তল্লাশি চালিয়ে বোটটি থেকে ১০ জন মানবপাচারকারী (দালাল) এবং মালয়েশিয়াগামী ২৭৩ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, পাচারকারীরা উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের এই বিপজ্জনক পথে নিয়ে যাচ্ছিল।
নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, বোটটিতে পর্যাপ্ত খাবার, বিশুদ্ধ পানি বা লাইফ জ্যাকেটের মতো কোনো জরুরি সরঞ্জাম ছিল না। গভীর সমুদ্রে প্রতিকূল আবহাওয়ার মুখে পড়লে এই বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানির প্রবল আশঙ্কা ছিল। উদ্ধারকৃত ব্যক্তিদের এবং আটক দালালদের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য কক্সবাজারের টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী জানিয়েছে, দেশের জলসীমায় মানবপাচার, চোরাচালান এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধে তাদের এই কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন