চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলার অন্যতম পলাতক আসামি গণেশকে (১৯) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭। শনিবার সন্ধ্যায় নগরীর কোতোয়ালি থানার লালদীঘি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। মামলার চার্জশিট জমা হওয়ার পর থেকেই সে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে আত্মগোপনে ছিল।
চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় বড় অগ্রগতি হয়েছে। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে গণেশকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। গ্রেপ্তারকৃত গণেশ নগরীর সেবক কলোনির শরিফ দাশের ছেলে।
২০২৪ সালের ২৫ অক্টোবর চট্টগ্রামে সম্মিলিত সনাতন জাগরণ জোটের সমাবেশের পর জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়। সেই মামলায় ২৫ নভেম্বর তাকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রামের আদালতে তার জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর আদালত চত্বরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইনজীবীদের সঙ্গে চিন্ময় অনুসারীদের ব্যাপক সংঘর্ষ বাধে। ওই সংঘর্ষ চলাকালীন আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
এই হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের বাবা জামাল উদ্দিন ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১ জুন তৎকালীন সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। গ্রেপ্তারকৃত গণেশ এই চার্জশিটের অন্যতম অভিযুক্ত আসামি।
র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এ আর এম মোজাফফর হোসেন জানান, “গ্রেপ্তারকৃত আসামি মামলার পর থেকেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। আমাদের গোয়েন্দা দল দীর্ঘ নজরদারির পর তাকে শনাক্ত করে এবং অবশেষে সফলভাবে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।”
বিষয় : আলিফ হত্যা

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলার অন্যতম পলাতক আসামি গণেশকে (১৯) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭। শনিবার সন্ধ্যায় নগরীর কোতোয়ালি থানার লালদীঘি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। মামলার চার্জশিট জমা হওয়ার পর থেকেই সে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে আত্মগোপনে ছিল।
চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় বড় অগ্রগতি হয়েছে। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে গণেশকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। গ্রেপ্তারকৃত গণেশ নগরীর সেবক কলোনির শরিফ দাশের ছেলে।
২০২৪ সালের ২৫ অক্টোবর চট্টগ্রামে সম্মিলিত সনাতন জাগরণ জোটের সমাবেশের পর জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়। সেই মামলায় ২৫ নভেম্বর তাকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রামের আদালতে তার জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর আদালত চত্বরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইনজীবীদের সঙ্গে চিন্ময় অনুসারীদের ব্যাপক সংঘর্ষ বাধে। ওই সংঘর্ষ চলাকালীন আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
এই হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের বাবা জামাল উদ্দিন ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১ জুন তৎকালীন সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। গ্রেপ্তারকৃত গণেশ এই চার্জশিটের অন্যতম অভিযুক্ত আসামি।
র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এ আর এম মোজাফফর হোসেন জানান, “গ্রেপ্তারকৃত আসামি মামলার পর থেকেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। আমাদের গোয়েন্দা দল দীর্ঘ নজরদারির পর তাকে শনাক্ত করে এবং অবশেষে সফলভাবে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন