ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজধানী ঢাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসন ঢাকা-১১-এর রামপুরা এলাকায় শুরু হয়েছে শ্বাসরুদ্ধকর ভোট গণনা। প্রাপ্ত প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, রামপুরা একরামুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের দুটি কেন্দ্রে বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নাহিদ ইসলামের মধ্যে সেয়ানে সেয়ানে লড়াই চলছে। সমন্বিত হিসাবে বর্তমানে নাহিদ ইসলাম তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ঢাকা-১১ আসনের রামপুরা ও বাড্ডা এলাকার কেন্দ্রগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশে গণনা শুরু হয়। রামপুরা একরামুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের দুটি ভোটকেন্দ্রের ফলাফল আসার পর নির্বাচনী উত্তাপ আরও বেড়েছে।
এই কেন্দ্রে দুই প্রধান প্রার্থীর মধ্যে ভোটের যে চিত্র পাওয়া গেছে তা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক।
নাহিদ ইসলাম (শাপলা কলি): দুই কেন্দ্রের সমন্বিত ফলাফলে তিনি পেয়েছেন ১০৫১ ভোট।
এম এ কাইয়ুম (ধানের শীষ): বিএনপির এই হেভিওয়েট প্রার্থী পেয়েছেন ৮৯৬ ভোট।
প্রাথমিক এই হিসাবে নাহিদ ইসলাম ১৫৫ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। তবে লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, দুটি কেন্দ্রের একটিতে ধানের শীষ এগিয়ে থাকলেও অন্যটিতে শাপলা কলি প্রতীকের বিশাল জয় হয়েছে। একরামুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক কেন্দ্রে কাইয়ুম ৪৬৬ ভোট পেয়েছিলেন (যেখানে নাহিদ পান ৩৩৮), কিন্তু দ্বিতীয় কেন্দ্রে নাহিদ ৭১৩ ভোট পেয়ে বড় ব্যবধান গড়ে তোলেন।
সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণে রামপুরা ও আফতাবনগর এলাকায় ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি দেখা গেছে। বিশেষ করে প্রগতি সরণি সংলগ্ন এই কেন্দ্রগুলোতে তরুণ ও নতুন ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। ঢাকা-১১ আসনে এবার বিএনপি, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এমন একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে অন্যরকম উদ্দীপনা দেখা গেছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর-৩ আসন বাদে সারাদেশে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি ভোটার আজ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, রামপুরাসহ সারা দেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রের ফলাফল সমন্বয় করে আগামীকাল শুক্রবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।
উল্লেখ্য যে, সংসদ সদস্য নির্বাচনের পাশাপাশি আজ ভোটাররা ‘জুলাই সনদ ২০২৫’ বাস্তবায়নের পক্ষে-বিপক্ষে ঐতিহাসিক গণভোটেও তাদের মূল্যবান মতামত দিয়েছেন।

শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজধানী ঢাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসন ঢাকা-১১-এর রামপুরা এলাকায় শুরু হয়েছে শ্বাসরুদ্ধকর ভোট গণনা। প্রাপ্ত প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, রামপুরা একরামুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের দুটি কেন্দ্রে বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নাহিদ ইসলামের মধ্যে সেয়ানে সেয়ানে লড়াই চলছে। সমন্বিত হিসাবে বর্তমানে নাহিদ ইসলাম তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ঢাকা-১১ আসনের রামপুরা ও বাড্ডা এলাকার কেন্দ্রগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশে গণনা শুরু হয়। রামপুরা একরামুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের দুটি ভোটকেন্দ্রের ফলাফল আসার পর নির্বাচনী উত্তাপ আরও বেড়েছে।
এই কেন্দ্রে দুই প্রধান প্রার্থীর মধ্যে ভোটের যে চিত্র পাওয়া গেছে তা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক।
নাহিদ ইসলাম (শাপলা কলি): দুই কেন্দ্রের সমন্বিত ফলাফলে তিনি পেয়েছেন ১০৫১ ভোট।
এম এ কাইয়ুম (ধানের শীষ): বিএনপির এই হেভিওয়েট প্রার্থী পেয়েছেন ৮৯৬ ভোট।
প্রাথমিক এই হিসাবে নাহিদ ইসলাম ১৫৫ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। তবে লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, দুটি কেন্দ্রের একটিতে ধানের শীষ এগিয়ে থাকলেও অন্যটিতে শাপলা কলি প্রতীকের বিশাল জয় হয়েছে। একরামুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক কেন্দ্রে কাইয়ুম ৪৬৬ ভোট পেয়েছিলেন (যেখানে নাহিদ পান ৩৩৮), কিন্তু দ্বিতীয় কেন্দ্রে নাহিদ ৭১৩ ভোট পেয়ে বড় ব্যবধান গড়ে তোলেন।
সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণে রামপুরা ও আফতাবনগর এলাকায় ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি দেখা গেছে। বিশেষ করে প্রগতি সরণি সংলগ্ন এই কেন্দ্রগুলোতে তরুণ ও নতুন ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। ঢাকা-১১ আসনে এবার বিএনপি, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এমন একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে অন্যরকম উদ্দীপনা দেখা গেছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর-৩ আসন বাদে সারাদেশে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি ভোটার আজ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, রামপুরাসহ সারা দেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রের ফলাফল সমন্বয় করে আগামীকাল শুক্রবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।
উল্লেখ্য যে, সংসদ সদস্য নির্বাচনের পাশাপাশি আজ ভোটাররা ‘জুলাই সনদ ২০২৫’ বাস্তবায়নের পক্ষে-বিপক্ষে ঐতিহাসিক গণভোটেও তাদের মূল্যবান মতামত দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন