ভারতের আগ্রায় তাজমহলের পার্কিং এলাকায় ৬৪ বছর বয়সী মুসলিম ট্যাক্সিচালক মোহাম্মদ রায়েসকে জোরপূর্বক ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, এটি উত্তর প্রদেশে মুসলিম শ্রমজীবী মানুষের ওপর ক্রমবর্ধমান ধর্মীয় নিপীড়নের আরেকটি দৃষ্টান্ত।
নয়াদিল্লি এবং উত্তর প্রদেশজুড়ে উত্তেজনা বেড়ে ওঠার মধ্যে সোমবার আগ্রার তাজমহলের পার্কিং এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ রায়েস নামের ওই মুসলিম ট্যাক্সিচালক পর্যটকদের গাড়ি সেবা দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। হঠাৎ কয়েকজন যুবক তার গাড়ি ঘিরে ধরে তাকে ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে চাপ দেয়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে রায়েসকে দৃশ্যত আতঙ্কিত অবস্থায় দেখা যায়, আর তাকে ঘিরে থাকা যুবকেরা বারবার স্লোগান দিতে বাধ্য করতে চেষ্টা করছে। ভিডিওধারী ব্যক্তি—পরিচয় রোহিত—হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “২–৩ দিনের মধ্যে জয় শ্রীরাম বলবে তুমি।”
ঘটনাটি সামনে আসার পর সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক নিন্দা শুরু হয়। মানবাধিকারকর্মীদের দাবি, উত্তর প্রদেশে বিশেষ করে পর্যটন এলাকা ও গণপরিবহনে মুসলিম শ্রমজীবীদের ওপর এমন “ধর্মীয় আনুগত্য পরীক্ষা” বেড়ে গেছে। এসব ঘটনা সঠিক বিচার না হওয়ায় উগ্র গোষ্ঠীগুলো আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
ভিডিওটি সাংবাদিকদের মাধ্যমে চিহ্নিত হওয়ার পর আগ্রা পুলিশ জানায়, তাজগঞ্জ থানায় তদন্ত শুরু হয়েছে এবং সাইবার সেলও ভিডিওটি যাচাই করছে। তবে এখনো কোনো গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন ঘটনা অব্যাহত থাকলে তা শুধু ব্যক্তিকেই অপমান করে না, বরং জনপরিসরে ধর্মীয় জবরদস্তি স্বাভাবিক করে তোলে—যা সংখ্যালঘু নাগরিকদের নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত।
বিষয় : ভারত ইসলামফোবিয়া

সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ২৬ নভেম্বর ২০২৫
ভারতের আগ্রায় তাজমহলের পার্কিং এলাকায় ৬৪ বছর বয়সী মুসলিম ট্যাক্সিচালক মোহাম্মদ রায়েসকে জোরপূর্বক ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, এটি উত্তর প্রদেশে মুসলিম শ্রমজীবী মানুষের ওপর ক্রমবর্ধমান ধর্মীয় নিপীড়নের আরেকটি দৃষ্টান্ত।
নয়াদিল্লি এবং উত্তর প্রদেশজুড়ে উত্তেজনা বেড়ে ওঠার মধ্যে সোমবার আগ্রার তাজমহলের পার্কিং এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ রায়েস নামের ওই মুসলিম ট্যাক্সিচালক পর্যটকদের গাড়ি সেবা দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। হঠাৎ কয়েকজন যুবক তার গাড়ি ঘিরে ধরে তাকে ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে চাপ দেয়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে রায়েসকে দৃশ্যত আতঙ্কিত অবস্থায় দেখা যায়, আর তাকে ঘিরে থাকা যুবকেরা বারবার স্লোগান দিতে বাধ্য করতে চেষ্টা করছে। ভিডিওধারী ব্যক্তি—পরিচয় রোহিত—হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “২–৩ দিনের মধ্যে জয় শ্রীরাম বলবে তুমি।”
ঘটনাটি সামনে আসার পর সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক নিন্দা শুরু হয়। মানবাধিকারকর্মীদের দাবি, উত্তর প্রদেশে বিশেষ করে পর্যটন এলাকা ও গণপরিবহনে মুসলিম শ্রমজীবীদের ওপর এমন “ধর্মীয় আনুগত্য পরীক্ষা” বেড়ে গেছে। এসব ঘটনা সঠিক বিচার না হওয়ায় উগ্র গোষ্ঠীগুলো আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
ভিডিওটি সাংবাদিকদের মাধ্যমে চিহ্নিত হওয়ার পর আগ্রা পুলিশ জানায়, তাজগঞ্জ থানায় তদন্ত শুরু হয়েছে এবং সাইবার সেলও ভিডিওটি যাচাই করছে। তবে এখনো কোনো গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন ঘটনা অব্যাহত থাকলে তা শুধু ব্যক্তিকেই অপমান করে না, বরং জনপরিসরে ধর্মীয় জবরদস্তি স্বাভাবিক করে তোলে—যা সংখ্যালঘু নাগরিকদের নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত।

আপনার মতামত লিখুন