রাজস্থানের আলওয়ার জেলার দেশুলা গ্রামে কবরস্থান হিসেবে নথিভুক্ত জমি দখলের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায় জমি রক্ষার দাবিতে বিক্ষোভে নেমেছে। জেলা প্রশাসনের দ্রুত ও আইনগত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তারা। ঘটনাটি সাম্প্রদায়িক সংবেদনশীলতা বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
রাজস্থানের আলওয়ার জেলার দেশুলা গ্রামে প্রায় তিন বিঘা জমি নিয়ে তীব্র বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। মুসলিম সম্প্রদায়ের অভিযোগ, রাজস্ব নথিতে কবরস্থান (কবরস্থান/কবরস্থান) হিসেবে তালিকাভুক্ত ওই জমি কিছু স্থানীয় ব্যক্তি দখলের চেষ্টা করছে।
এই অভিযোগের প্রতিবাদে শুক্রবার মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্যরা আলওয়ারের মিনি সচিবালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন এবং জেলা কালেক্টরের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন। তারা দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়ে জমিটি রক্ষার দাবি জানান।
মুসলিম মহাসভার জেলা সভাপতি রাহুল খান বলেন, “দেশুলায় প্রায় দুই ও তিন-চতুর্থাংশ বিঘা জমি সরকারি নথিতে স্পষ্টভাবে কবরস্থান হিসেবে নিবন্ধিত। তবুও সেটি দখলের চেষ্টা চলছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
তিনি অভিযোগ করেন, অন্য একটি সম্প্রদায়ের কিছু লোক ওই জমির দখল নিতে চাইছে, যার ফলে গ্রামে ভয় ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আগেই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বিক্ষোভকারীরা দাবি করেন, দ্রুত সেখানে একজন পাটোয়ারি পাঠিয়ে সঠিকভাবে জমি পরিমাপ ও সীমানা নির্ধারণ করা হোক। তাদের মতে, আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় স্পষ্ট সীমা নির্ধারণ হলে বিভ্রান্তি ও উত্তেজনা কমবে।
একজন প্রবীণ স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এটি শুধু জমির প্রশ্ন নয়, এটি বিশ্বাস ও মর্যাদার বিষয়। কোনো সমাজই তার কবরস্থান কেড়ে নেওয়া মেনে নিতে পারে না।”
স্মারকলিপিতে অবৈধ স্থাপনা দ্রুত অপসারণ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। বিক্ষোভ নেতারা হুঁশিয়ারি দেন, দাবি পূরণ না হলে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।
মিনি সচিবালয়ের কর্মকর্তারা স্মারকলিপি গ্রহণ করে অভিযোগ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
স্থানীয়দের মতে, প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপই দেশুলা গ্রামের উত্তেজনা প্রশমনে মূল ভূমিকা রাখবে। মুসলিম সম্প্রদায় আপাতত আইন ও নথি অনুযায়ী কবরস্থানের জমি সুরক্ষার দাবিতে অনড় রয়েছে।
বিষয় : ভারত ইসলামফোবিয়া

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
রাজস্থানের আলওয়ার জেলার দেশুলা গ্রামে কবরস্থান হিসেবে নথিভুক্ত জমি দখলের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায় জমি রক্ষার দাবিতে বিক্ষোভে নেমেছে। জেলা প্রশাসনের দ্রুত ও আইনগত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তারা। ঘটনাটি সাম্প্রদায়িক সংবেদনশীলতা বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
রাজস্থানের আলওয়ার জেলার দেশুলা গ্রামে প্রায় তিন বিঘা জমি নিয়ে তীব্র বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। মুসলিম সম্প্রদায়ের অভিযোগ, রাজস্ব নথিতে কবরস্থান (কবরস্থান/কবরস্থান) হিসেবে তালিকাভুক্ত ওই জমি কিছু স্থানীয় ব্যক্তি দখলের চেষ্টা করছে।
এই অভিযোগের প্রতিবাদে শুক্রবার মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্যরা আলওয়ারের মিনি সচিবালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন এবং জেলা কালেক্টরের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন। তারা দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়ে জমিটি রক্ষার দাবি জানান।
মুসলিম মহাসভার জেলা সভাপতি রাহুল খান বলেন, “দেশুলায় প্রায় দুই ও তিন-চতুর্থাংশ বিঘা জমি সরকারি নথিতে স্পষ্টভাবে কবরস্থান হিসেবে নিবন্ধিত। তবুও সেটি দখলের চেষ্টা চলছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
তিনি অভিযোগ করেন, অন্য একটি সম্প্রদায়ের কিছু লোক ওই জমির দখল নিতে চাইছে, যার ফলে গ্রামে ভয় ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আগেই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বিক্ষোভকারীরা দাবি করেন, দ্রুত সেখানে একজন পাটোয়ারি পাঠিয়ে সঠিকভাবে জমি পরিমাপ ও সীমানা নির্ধারণ করা হোক। তাদের মতে, আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় স্পষ্ট সীমা নির্ধারণ হলে বিভ্রান্তি ও উত্তেজনা কমবে।
একজন প্রবীণ স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এটি শুধু জমির প্রশ্ন নয়, এটি বিশ্বাস ও মর্যাদার বিষয়। কোনো সমাজই তার কবরস্থান কেড়ে নেওয়া মেনে নিতে পারে না।”
স্মারকলিপিতে অবৈধ স্থাপনা দ্রুত অপসারণ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। বিক্ষোভ নেতারা হুঁশিয়ারি দেন, দাবি পূরণ না হলে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।
মিনি সচিবালয়ের কর্মকর্তারা স্মারকলিপি গ্রহণ করে অভিযোগ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
স্থানীয়দের মতে, প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপই দেশুলা গ্রামের উত্তেজনা প্রশমনে মূল ভূমিকা রাখবে। মুসলিম সম্প্রদায় আপাতত আইন ও নথি অনুযায়ী কবরস্থানের জমি সুরক্ষার দাবিতে অনড় রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন