নিউইয়র্ক সিটির ইতিহাসে প্রথম মুসলিম মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিলেন জোহরান মামদানি। পূর্ববর্তী মেয়র এরিক অ্যাডামসের ইসরায়েলপন্থী একাধিক নির্বাহী আদেশ বাতিল করে তিনি শহরের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক অবস্থানে তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিলেন।
দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিউইয়র্ক সিটির নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি বৃহস্পতিবার শপথ গ্রহণের পরপরই তার পূর্বসূরি এরিক অ্যাডামসের জারি করা একাধিক নির্বাহী আদেশ বাতিল করেন।
মামদানি স্বাক্ষরিত নতুন নির্বাহী আদেশে বলা হয়, সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে—যখন এরিক অ্যাডামস দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত হন—সে সময় থেকে জারি হওয়া সব নির্বাহী আদেশ অবিলম্বে বাতিল বলে গণ্য হবে। বাতিল হওয়া এসব আদেশের মধ্যে ইসরায়েলকে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে সমর্থন জানাতে ব্যবহৃত একাধিক সিদ্ধান্তও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাতিলকৃত আদেশগুলোর একটি ছিল ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে স্বাক্ষরিত একটি নির্দেশনা, যেখানে নিউইয়র্ক সিটির কোনো প্রতিষ্ঠানকে ইসরায়েল বয়কট করা বা ইসরায়েলি বিনিয়োগ প্রত্যাহার করতে নিষেধ করা হয়েছিল।
এছাড়া ২০২৫ সালের জুনে এরিক অ্যাডামস স্বাক্ষরিত আরেকটি নির্বাহী আদেশে ‘ইহুদি বিদ্বেষ’ বা অ্যান্টিসেমিটিজম শব্দটির সংজ্ঞা সম্প্রসারণ করে ইসরায়েল রাষ্ট্রের নির্দিষ্ট ধরনের সমালোচনাকেও এর আওতাভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছিল। মামদানির নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এই আদেশটিও বাতিল হয়ে যায়।
উগান্ডায় জন্ম নেওয়া ৩৪ বছর বয়সী জোহরান মামদানি ৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনের অনানুষ্ঠানিক ফলাফলে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম শহর নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি একই সঙ্গে গত এক শতাব্দীর মধ্যে নিউইয়র্কের সর্বকনিষ্ঠ এবং প্রথম মুসলিম মেয়র।
সিবিএস নিউজের তথ্য অনুযায়ী, এই নির্বাচনে ২০ লাখের বেশি ভোটার অংশ নেন, যা ১৯৬৯ সালের পর নিউইয়র্ক সিটির সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি হিসেবে রেকর্ড হয়েছে।
বৃহস্পতিবার হাজারো নিউইয়র্কবাসীর উপস্থিতিতে এক জনসমাবেশে পবিত্র কুরআন শরিফের ওপর শপথ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মামদানি।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
নিউইয়র্ক সিটির ইতিহাসে প্রথম মুসলিম মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিলেন জোহরান মামদানি। পূর্ববর্তী মেয়র এরিক অ্যাডামসের ইসরায়েলপন্থী একাধিক নির্বাহী আদেশ বাতিল করে তিনি শহরের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক অবস্থানে তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিলেন।
দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিউইয়র্ক সিটির নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি বৃহস্পতিবার শপথ গ্রহণের পরপরই তার পূর্বসূরি এরিক অ্যাডামসের জারি করা একাধিক নির্বাহী আদেশ বাতিল করেন।
মামদানি স্বাক্ষরিত নতুন নির্বাহী আদেশে বলা হয়, সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে—যখন এরিক অ্যাডামস দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত হন—সে সময় থেকে জারি হওয়া সব নির্বাহী আদেশ অবিলম্বে বাতিল বলে গণ্য হবে। বাতিল হওয়া এসব আদেশের মধ্যে ইসরায়েলকে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে সমর্থন জানাতে ব্যবহৃত একাধিক সিদ্ধান্তও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাতিলকৃত আদেশগুলোর একটি ছিল ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে স্বাক্ষরিত একটি নির্দেশনা, যেখানে নিউইয়র্ক সিটির কোনো প্রতিষ্ঠানকে ইসরায়েল বয়কট করা বা ইসরায়েলি বিনিয়োগ প্রত্যাহার করতে নিষেধ করা হয়েছিল।
এছাড়া ২০২৫ সালের জুনে এরিক অ্যাডামস স্বাক্ষরিত আরেকটি নির্বাহী আদেশে ‘ইহুদি বিদ্বেষ’ বা অ্যান্টিসেমিটিজম শব্দটির সংজ্ঞা সম্প্রসারণ করে ইসরায়েল রাষ্ট্রের নির্দিষ্ট ধরনের সমালোচনাকেও এর আওতাভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছিল। মামদানির নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এই আদেশটিও বাতিল হয়ে যায়।
উগান্ডায় জন্ম নেওয়া ৩৪ বছর বয়সী জোহরান মামদানি ৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনের অনানুষ্ঠানিক ফলাফলে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম শহর নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি একই সঙ্গে গত এক শতাব্দীর মধ্যে নিউইয়র্কের সর্বকনিষ্ঠ এবং প্রথম মুসলিম মেয়র।
সিবিএস নিউজের তথ্য অনুযায়ী, এই নির্বাচনে ২০ লাখের বেশি ভোটার অংশ নেন, যা ১৯৬৯ সালের পর নিউইয়র্ক সিটির সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি হিসেবে রেকর্ড হয়েছে।
বৃহস্পতিবার হাজারো নিউইয়র্কবাসীর উপস্থিতিতে এক জনসমাবেশে পবিত্র কুরআন শরিফের ওপর শপথ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মামদানি।

আপনার মতামত লিখুন