আগামী মাসের ১২ তারিখ অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশ পুনর্গঠন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বিকেলে মৌলভীবাজারের শেরপুরে এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় তিনি বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে 'ধানের শীষ' প্রতীকের কোনো বিকল্প নেই।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে মৌলভীবাজার জেলার শেরপুরস্থ আইনপুর খেলার মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেন। দীর্ঘ বিরতির পর সরাসরি জনসভায় তাঁর উপস্থিতি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।
গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের গুরুত্ব তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে দেশের মানুষের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন, "এই দেশের বহু মানুষ বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে, বহু মানুষ গুম-খুনের শিকার হয়েছে। আমরা যদি দেশে প্রকৃত গণতন্ত্রের সূচনা করতে চাই এবং মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে চাই, তবে ব্যালটের মাধ্যমেই তার প্রতিফলন ঘটাতে হবে।" আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার জন্য তিনি সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
অতীতের স্মৃতিচারণ ও বাকস্বাধীনতা বিএনপি যখনই ক্ষমতায় ছিল, তখনই দেশে একটি সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ বিদ্যমান ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, "মুরুব্বিরা সাক্ষী আছেন, ধানের শীষের শাসনামলে মানুষ মন খুলে কথা বলতে পেরেছে, এমনকি সরকারের সমালোচনাও করতে পেরেছে। তখন কোনো মানুষকে গুম বা রাজনৈতিক খুনের শিকার হতে হয়নি।" তিনি দাবি করেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের নিশ্চয়তা একমাত্র বিএনপিই দিতে পারে।
উন্নয়ন পরিকল্পনা ও জনসমাগম বক্তব্যে তারেক রহমান দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তাঁর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি নাসের রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় জেলার সাতটি উপজেলা থেকে আসা কয়েক লাখ নেতাকর্মীর ঢল নামে। দুপুর গড়াতেই সমাবেশস্থল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
পরবর্তী কর্মসূচি সিলেটের জনসভা শেষ করে মৌলভীবাজারে আসা তারেক রহমান এরপর হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল, কিশোরগঞ্জের ভৈরব, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ ও রূপগঞ্জে ধারাবাহিকভাবে নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
বিষয় : বিএনপি তারেক রহমান

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬
আগামী মাসের ১২ তারিখ অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশ পুনর্গঠন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বিকেলে মৌলভীবাজারের শেরপুরে এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় তিনি বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে 'ধানের শীষ' প্রতীকের কোনো বিকল্প নেই।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে মৌলভীবাজার জেলার শেরপুরস্থ আইনপুর খেলার মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেন। দীর্ঘ বিরতির পর সরাসরি জনসভায় তাঁর উপস্থিতি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।
গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের গুরুত্ব তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে দেশের মানুষের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন, "এই দেশের বহু মানুষ বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে, বহু মানুষ গুম-খুনের শিকার হয়েছে। আমরা যদি দেশে প্রকৃত গণতন্ত্রের সূচনা করতে চাই এবং মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে চাই, তবে ব্যালটের মাধ্যমেই তার প্রতিফলন ঘটাতে হবে।" আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার জন্য তিনি সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
অতীতের স্মৃতিচারণ ও বাকস্বাধীনতা বিএনপি যখনই ক্ষমতায় ছিল, তখনই দেশে একটি সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ বিদ্যমান ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, "মুরুব্বিরা সাক্ষী আছেন, ধানের শীষের শাসনামলে মানুষ মন খুলে কথা বলতে পেরেছে, এমনকি সরকারের সমালোচনাও করতে পেরেছে। তখন কোনো মানুষকে গুম বা রাজনৈতিক খুনের শিকার হতে হয়নি।" তিনি দাবি করেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের নিশ্চয়তা একমাত্র বিএনপিই দিতে পারে।
উন্নয়ন পরিকল্পনা ও জনসমাগম বক্তব্যে তারেক রহমান দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তাঁর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি নাসের রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় জেলার সাতটি উপজেলা থেকে আসা কয়েক লাখ নেতাকর্মীর ঢল নামে। দুপুর গড়াতেই সমাবেশস্থল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
পরবর্তী কর্মসূচি সিলেটের জনসভা শেষ করে মৌলভীবাজারে আসা তারেক রহমান এরপর হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল, কিশোরগঞ্জের ভৈরব, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ ও রূপগঞ্জে ধারাবাহিকভাবে নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন