সমাজে স্থায়ী শান্তি বজায় রাখা এবং মানবিক নৈতিকতা পুনর্গঠনে ইসলামি শিক্ষার ব্যাপক প্রসারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। তিনি আজ বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে আয়োজিত মাসব্যাপী ইসলামি বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই আহ্বান জানান। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ (ইফা) আয়োজিত এই মেলায় দেশি-বিদেশি অসংখ্য মৌলিক ও গবেষণামূলক গ্রন্থ প্রদর্শিত হচ্ছে।
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, "কোরআন ও হাদিসের সঠিক জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমেই ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ইতিবাচক এবং টেকসই পরিবর্তন আনা সম্ভব।" তিনি উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সময়ে ইসলামকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ রোধ করতে হলে সঠিক জ্ঞানচর্চার বিকল্প নেই। ইসলামি বইমেলা সাধারণ পাঠকদের জন্য পবিত্র কোরআনের অনুবাদ, তাফসীর, হাদীসগ্রন্থ এবং গবেষণামূলক পাণ্ডুলিপি সংগ্রহের একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।
বক্তব্যে মন্ত্রী ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনায় হওয়া নানা অনিয়ম ও জুলুমের কথা উল্লেখ করেন। তিনি স্পষ্ট হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, "যারা অতীতে অন্যায় ও অবিচারের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধর্মের নামে কোনো প্রকার অপব্যবহার বা ব্যবসা করার সুযোগ বর্তমান সরকার কাউকে দেবে না।"
মন্ত্রী দেশের বর্তমান গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং বৈষম্যমুক্ত সমাজ বজায় রাখার ওপর জোর দেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন। একইসঙ্গে দেশ গঠনে নেতৃত্বের প্রতি আস্থা ও নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আঃ ছালাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম সচিব মো. কামাল উদ্দিন এবং বোর্ড অব গভর্নরসের সদস্য মওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানীসহ বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরাম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী ফিতা কেটে মেলার আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন এবং বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, এবারের মেলায় মোট ৬১টি স্টল অংশ নিয়েছে। পাঠকদের উৎসাহিত করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের স্টল থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ কমিশন দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও বিভিন্ন প্রকাশনী বিশেষ কিছু বইয়ের ওপর আরও আকর্ষণীয় ছাড়ের ব্যবস্থা রেখেছে। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
বিষয় : ধর্মমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সমাজে স্থায়ী শান্তি বজায় রাখা এবং মানবিক নৈতিকতা পুনর্গঠনে ইসলামি শিক্ষার ব্যাপক প্রসারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। তিনি আজ বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে আয়োজিত মাসব্যাপী ইসলামি বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই আহ্বান জানান। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ (ইফা) আয়োজিত এই মেলায় দেশি-বিদেশি অসংখ্য মৌলিক ও গবেষণামূলক গ্রন্থ প্রদর্শিত হচ্ছে।
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, "কোরআন ও হাদিসের সঠিক জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমেই ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ইতিবাচক এবং টেকসই পরিবর্তন আনা সম্ভব।" তিনি উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সময়ে ইসলামকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ রোধ করতে হলে সঠিক জ্ঞানচর্চার বিকল্প নেই। ইসলামি বইমেলা সাধারণ পাঠকদের জন্য পবিত্র কোরআনের অনুবাদ, তাফসীর, হাদীসগ্রন্থ এবং গবেষণামূলক পাণ্ডুলিপি সংগ্রহের একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।
বক্তব্যে মন্ত্রী ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনায় হওয়া নানা অনিয়ম ও জুলুমের কথা উল্লেখ করেন। তিনি স্পষ্ট হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, "যারা অতীতে অন্যায় ও অবিচারের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধর্মের নামে কোনো প্রকার অপব্যবহার বা ব্যবসা করার সুযোগ বর্তমান সরকার কাউকে দেবে না।"
মন্ত্রী দেশের বর্তমান গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং বৈষম্যমুক্ত সমাজ বজায় রাখার ওপর জোর দেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন। একইসঙ্গে দেশ গঠনে নেতৃত্বের প্রতি আস্থা ও নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আঃ ছালাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম সচিব মো. কামাল উদ্দিন এবং বোর্ড অব গভর্নরসের সদস্য মওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানীসহ বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরাম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী ফিতা কেটে মেলার আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন এবং বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, এবারের মেলায় মোট ৬১টি স্টল অংশ নিয়েছে। পাঠকদের উৎসাহিত করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের স্টল থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ কমিশন দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও বিভিন্ন প্রকাশনী বিশেষ কিছু বইয়ের ওপর আরও আকর্ষণীয় ছাড়ের ব্যবস্থা রেখেছে। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন