সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কওমি মাদরাসাগুলোর জন্য জাকাত ও সাধারণ দান করার আহ্বান জানিয়েছেন লেখক ও বিশ্লেষক মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ। তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে তিনি কওমি মাদরাসার আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পোস্টে তিনি বলেন, গত প্রায় ২০০ বছর ধরে উপমহাদেশে মুসলমানদের দ্বীনি শিক্ষা ও ঈমানি জীবনের ভিত্তি গড়ে তুলতে কওমি মাদরাসাগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি উল্লেখ করেন, এসব প্রতিষ্ঠান সরকারি অর্থানুকূল্য ছাড়া পরিচালিত হয় এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের দানের ওপর নির্ভরশীল।
মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ তার পোস্টে কওমি মাদরাসার ‘গোরাবা তহবিল’-এ জাকাতের অর্থ দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি মাদরাসার নির্মাণ, উন্নয়ন ও পরিচালন খাতে সাধারণ দান করার কথাও বলেন।
যেকোনো মানবীয় প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তি পর্যায়ে বা পরিচালনা পদ্ধতিতে কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকা স্বাভাবিক। তবে সেই সীমাবদ্ধতাকে অজুহাত বানিয়ে মাদরাসা বিমুখ হওয়া সমীচীন নয়। বরং গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সংশোধনের উদ্যোগ নিয়ে এই দ্বীনি মারকাজগুলোর অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা প্রতিটি সচেতন মুসলমানের দায়িত্ব।
তিনি আরও লেখেন, কেউ যদি কওমি মাদরাসার আর্থিক সহায়তা কমাতে মানুষকে উৎসাহিত করে বা এসব প্রতিষ্ঠানের বিরোধিতা করে, তবে তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। তবে একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, কোনো মাদরাসা পরিচালনায় পদ্ধতিগত বা ব্যক্তি পর্যায়ে ত্রুটি থাকলে তা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে কওমি মাদরাসা ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে স্বতন্ত্র শিক্ষাব্যবস্থা হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছে। ২০১৮ সালে সরকার কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদিস সনদকে মাস্টার্স সমমান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
বিষয় : কওমি মাদরাসা

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কওমি মাদরাসাগুলোর জন্য জাকাত ও সাধারণ দান করার আহ্বান জানিয়েছেন লেখক ও বিশ্লেষক মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ। তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে তিনি কওমি মাদরাসার আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পোস্টে তিনি বলেন, গত প্রায় ২০০ বছর ধরে উপমহাদেশে মুসলমানদের দ্বীনি শিক্ষা ও ঈমানি জীবনের ভিত্তি গড়ে তুলতে কওমি মাদরাসাগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি উল্লেখ করেন, এসব প্রতিষ্ঠান সরকারি অর্থানুকূল্য ছাড়া পরিচালিত হয় এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের দানের ওপর নির্ভরশীল।
মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ তার পোস্টে কওমি মাদরাসার ‘গোরাবা তহবিল’-এ জাকাতের অর্থ দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি মাদরাসার নির্মাণ, উন্নয়ন ও পরিচালন খাতে সাধারণ দান করার কথাও বলেন।
যেকোনো মানবীয় প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তি পর্যায়ে বা পরিচালনা পদ্ধতিতে কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকা স্বাভাবিক। তবে সেই সীমাবদ্ধতাকে অজুহাত বানিয়ে মাদরাসা বিমুখ হওয়া সমীচীন নয়। বরং গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সংশোধনের উদ্যোগ নিয়ে এই দ্বীনি মারকাজগুলোর অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা প্রতিটি সচেতন মুসলমানের দায়িত্ব।
তিনি আরও লেখেন, কেউ যদি কওমি মাদরাসার আর্থিক সহায়তা কমাতে মানুষকে উৎসাহিত করে বা এসব প্রতিষ্ঠানের বিরোধিতা করে, তবে তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। তবে একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, কোনো মাদরাসা পরিচালনায় পদ্ধতিগত বা ব্যক্তি পর্যায়ে ত্রুটি থাকলে তা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে কওমি মাদরাসা ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে স্বতন্ত্র শিক্ষাব্যবস্থা হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছে। ২০১৮ সালে সরকার কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদিস সনদকে মাস্টার্স সমমান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

আপনার মতামত লিখুন