আফগানিস্তানে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইসলামিক আমিরাত দাবি করেছে, ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে পাকিস্তানি সামরিক অভিযানে ৫২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত ও ৬৬ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা বেশি বলে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বেশ কয়েকটি আবাসিক বাড়ি ধ্বংসের অভিযোগও তোলা হয়েছে।
ইসলামিক আমিরাতের উপ-মুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত জানান, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী খোস্ত, পাকতিকা, নানগারহার, পাকতিয়া, কান্দাহার ও কুনার প্রদেশে অভিযান চালায়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় অন্তত আটটি আবাসিক বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং ১৪টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, “এ পর্যন্ত ৫২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। আহত হয়েছেন আরও ৬৬ জন।”
এদিকে ইসলামিক আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত রাতে তথাকথিত ডুরান্ড লাইনের বরাবর বড় ধরনের পাল্টা অভিযান চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, অভিযানে ২৭টি পাকিস্তানি সামরিক চৌকি দখল করা হয়েছে। এতে ৮২ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত এবং ৬৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এনায়েতুল্লাহ খোয়ারিজমি বলেন, ইসলামিক আমিরাতের বিমানবাহিনী পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার মিরানশাহ ও উত্তর ওয়াজিরিস্তানের স্পিনওয়ামে পাকিস্তানি সেনা শিবিরে মধ্যরাতের দিকে বিমান হামলা চালায়। “রাদ আল-জুলম” নামের এই অভিযানের মাধ্যমে খোস্ত ও পাকতিয়ায় পাকিস্তানি গোলাবর্ষণের জবাব দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
এছাড়া পাকতিকা প্রদেশের তেরো জেলায় শনিবার ভোর ৩টার দিকে উভয় পক্ষের মধ্যে পুনরায় স্থলযুদ্ধ শুরু হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক তারিক ফারহাদি বলেন, “আফগান জনগণ নিজেদের ভূখণ্ড রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ। পাকিস্তানকে তাদের নীতিগত অবস্থান পুনর্বিবেচনা করা উচিত।”
অন্যদিকে ইসলামিক আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিফ অব স্টাফ সতর্ক করে বলেছেন, পাকিস্তানের পক্ষ থেকে নতুন করে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে আরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
বিষয় : আফগানিস্তান

শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
আফগানিস্তানে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইসলামিক আমিরাত দাবি করেছে, ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে পাকিস্তানি সামরিক অভিযানে ৫২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত ও ৬৬ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা বেশি বলে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বেশ কয়েকটি আবাসিক বাড়ি ধ্বংসের অভিযোগও তোলা হয়েছে।
ইসলামিক আমিরাতের উপ-মুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত জানান, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী খোস্ত, পাকতিকা, নানগারহার, পাকতিয়া, কান্দাহার ও কুনার প্রদেশে অভিযান চালায়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় অন্তত আটটি আবাসিক বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং ১৪টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, “এ পর্যন্ত ৫২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। আহত হয়েছেন আরও ৬৬ জন।”
এদিকে ইসলামিক আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত রাতে তথাকথিত ডুরান্ড লাইনের বরাবর বড় ধরনের পাল্টা অভিযান চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, অভিযানে ২৭টি পাকিস্তানি সামরিক চৌকি দখল করা হয়েছে। এতে ৮২ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত এবং ৬৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এনায়েতুল্লাহ খোয়ারিজমি বলেন, ইসলামিক আমিরাতের বিমানবাহিনী পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার মিরানশাহ ও উত্তর ওয়াজিরিস্তানের স্পিনওয়ামে পাকিস্তানি সেনা শিবিরে মধ্যরাতের দিকে বিমান হামলা চালায়। “রাদ আল-জুলম” নামের এই অভিযানের মাধ্যমে খোস্ত ও পাকতিয়ায় পাকিস্তানি গোলাবর্ষণের জবাব দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
এছাড়া পাকতিকা প্রদেশের তেরো জেলায় শনিবার ভোর ৩টার দিকে উভয় পক্ষের মধ্যে পুনরায় স্থলযুদ্ধ শুরু হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক তারিক ফারহাদি বলেন, “আফগান জনগণ নিজেদের ভূখণ্ড রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ। পাকিস্তানকে তাদের নীতিগত অবস্থান পুনর্বিবেচনা করা উচিত।”
অন্যদিকে ইসলামিক আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিফ অব স্টাফ সতর্ক করে বলেছেন, পাকিস্তানের পক্ষ থেকে নতুন করে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে আরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন