শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
কওমী টাইমস

কুমিল্লা-সিলেট সড়কে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকায় নির্মিত ডিভাইডার ‘গলার কাঁটা’ বেড়েছে যানজট ও জনদুর্ভোগ


কওমী টাইমস ডেস্ক
কওমী টাইমস ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লা-সিলেট সড়কে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকায় নির্মিত ডিভাইডার ‘গলার কাঁটা’ বেড়েছে যানজট ও জনদুর্ভোগ

অপরিকল্পিতভাবে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত কুমিল্লা-সিলেট সড়কের ডিভাইডার এখন জনদুর্ভোগে পরিণত হয়েছে। দেবিদ্বার পৌর এলাকার প্রায় এক কিলোমিটার সড়কজুড়ে যানজট, খানাখন্দ ও জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

দেবিদ্বারের সরকারি রেয়াজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে আজগর আলী বালিকা বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে তিন ফুট করে ইটের সলিং দিয়ে মোট ছয় ফুট প্রশস্ত করা হয়। মাঝখানে বসানো হয় রোড ডিভাইডার।

তবে কাজ শেষ হওয়ার মাত্র দুই মাসের মধ্যেই সড়কের অধিকাংশ অংশে ইট উঠে গেছে, ভারী যানবাহনের চাপে দেবে গেছে বিভিন্ন জায়গা। কোথাও কোথাও তৈরি হয়েছে গভীর খানাখন্দ। বর্ষাকালে এসব জায়গা ডোবা-নালায় পরিণত হয়ে সৃষ্টি করছে জলাবদ্ধতা। এতে যান চলাচল ধীরগতির হয়ে পড়ছে এবং প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাস্তবতা বিবেচনা না করেই সড়ক উন্নয়নকাজ করা হয়েছে। ডিভাইডার বসানো হলেও রাখা হয়নি পর্যাপ্ত ইউ-টার্ন বা বড় যানবাহন ঘোরানোর ব্যবস্থা। ফলে চালকরা বাধ্য হয়ে উল্টো পথে গাড়ি চালাচ্ছেন, এতে বেড়েছে দুর্ঘটনা ও যানজট।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন,

“সড়কের প্রশস্ততা বাড়াতে ইট দিয়ে অস্থায়ীভাবে সলিং করা হয়েছিল, যা বৃষ্টিতে দেবে গিয়ে গর্ত সৃষ্টি করেছে। ডিভাইডারের দুই পাশে ২৪ ফুট কংক্রিটের সড়ক নির্মাণের টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে, খুব শিগগিরই কাজ শুরু হবে।"

স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কটি কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও, অব্যবস্থাপনা ও নিম্নমানের কাজের কারণে এটি এখন দুর্ভোগের প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

বিষয় : কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ জনদুর্ভোগ অবকাঠামো

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


কুমিল্লা-সিলেট সড়কে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকায় নির্মিত ডিভাইডার ‘গলার কাঁটা’ বেড়েছে যানজট ও জনদুর্ভোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৫

featured Image

অপরিকল্পিতভাবে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত কুমিল্লা-সিলেট সড়কের ডিভাইডার এখন জনদুর্ভোগে পরিণত হয়েছে। দেবিদ্বার পৌর এলাকার প্রায় এক কিলোমিটার সড়কজুড়ে যানজট, খানাখন্দ ও জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

দেবিদ্বারের সরকারি রেয়াজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে আজগর আলী বালিকা বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে তিন ফুট করে ইটের সলিং দিয়ে মোট ছয় ফুট প্রশস্ত করা হয়। মাঝখানে বসানো হয় রোড ডিভাইডার।

তবে কাজ শেষ হওয়ার মাত্র দুই মাসের মধ্যেই সড়কের অধিকাংশ অংশে ইট উঠে গেছে, ভারী যানবাহনের চাপে দেবে গেছে বিভিন্ন জায়গা। কোথাও কোথাও তৈরি হয়েছে গভীর খানাখন্দ। বর্ষাকালে এসব জায়গা ডোবা-নালায় পরিণত হয়ে সৃষ্টি করছে জলাবদ্ধতা। এতে যান চলাচল ধীরগতির হয়ে পড়ছে এবং প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাস্তবতা বিবেচনা না করেই সড়ক উন্নয়নকাজ করা হয়েছে। ডিভাইডার বসানো হলেও রাখা হয়নি পর্যাপ্ত ইউ-টার্ন বা বড় যানবাহন ঘোরানোর ব্যবস্থা। ফলে চালকরা বাধ্য হয়ে উল্টো পথে গাড়ি চালাচ্ছেন, এতে বেড়েছে দুর্ঘটনা ও যানজট।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন,

“সড়কের প্রশস্ততা বাড়াতে ইট দিয়ে অস্থায়ীভাবে সলিং করা হয়েছিল, যা বৃষ্টিতে দেবে গিয়ে গর্ত সৃষ্টি করেছে। ডিভাইডারের দুই পাশে ২৪ ফুট কংক্রিটের সড়ক নির্মাণের টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে, খুব শিগগিরই কাজ শুরু হবে।"

স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কটি কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও, অব্যবস্থাপনা ও নিম্নমানের কাজের কারণে এটি এখন দুর্ভোগের প্রতীকে পরিণত হয়েছে।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ