ভারত-শাসিত কাশ্মীরের শ্রীনগরে অবস্থিত ঐতিহাসিক জামে মসজিদ-এ এবারও ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হতে পারেনি। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞার কারণে টানা সপ্তম বছরের মতো ঈদের নামাজ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান খতিব মিরওয়াইজ উমর ফারুক।
ঈদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসবেও শ্রীনগরের কেন্দ্রীয় এই মসজিদে জামাত বন্ধ রাখা হয়েছে। প্রধান খতিবের দাবি, টানা সাত বছর ধরে একই পরিস্থিতি চলছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য দেয়নি।
মিরওয়াইজ উমর ফারুক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম X-এ দেওয়া এক পোস্টে বলেন, ঈদের দিন মুসলমানদের জন্য আনন্দের হলেও তা এবার “শোক ও বঞ্চনার দিনে” পরিণত হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, টানা সপ্তম বছরের মতো এবারও মসজিদে ঈদের নামাজ আদায়ের অনুমতি দেওয়া হয়নি এবং বিভিন্ন বিধিনিষেধ ও গৃহবন্দিত্ব পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
শ্রীনগরের এই ঐতিহাসিক মসজিদটি কাশ্মীরের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। নিরাপত্তাজনিত কারণে বিশেষ করে শুক্রবার এবং গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিনগুলোতে এখানে প্রায়ই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
এর আগে রমজানের শেষ জুমা, জুমাতুল বিদা-এর দিনও মসজিদটি বন্ধ রাখা হয় এবং মিরওয়াইজ উমর ফারুককে গৃহবন্দি করা হয়েছিল, যা স্থানীয় ধর্মীয় সংগঠনগুলোর সমালোচনার মুখে পড়ে।
নয়াদিল্লির দাবি, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য এসব ব্যবস্থা প্রয়োজনীয়। তবে সমালোচকদের মতে, এসব পদক্ষেপ ধর্মীয় স্বাধীনতাকে সীমিত করছে।
জামে মসজিদে নামাজ বন্ধ থাকলেও কাশ্মীরের অন্যান্য মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে শ্রীনগরের হজরতবল দরগাহ-এ বড় পরিসরে নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
হিমালয় অঞ্চলের কাশ্মীর এলাকা ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশই নিজেদের অংশ বলে দাবি করে। বর্তমানে অঞ্চলটি দুই দেশের নিয়ন্ত্রণে বিভক্ত। এই দীর্ঘস্থায়ী বিরোধের কারণে নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার—দুই বিষয়ই প্রায়শই আলোচনায় উঠে আসে।
বিষয় : ভারত জম্মু কাশ্মীর ইসলামভীতি

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মার্চ ২০২৬
ভারত-শাসিত কাশ্মীরের শ্রীনগরে অবস্থিত ঐতিহাসিক জামে মসজিদ-এ এবারও ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হতে পারেনি। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞার কারণে টানা সপ্তম বছরের মতো ঈদের নামাজ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান খতিব মিরওয়াইজ উমর ফারুক।
ঈদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসবেও শ্রীনগরের কেন্দ্রীয় এই মসজিদে জামাত বন্ধ রাখা হয়েছে। প্রধান খতিবের দাবি, টানা সাত বছর ধরে একই পরিস্থিতি চলছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য দেয়নি।
মিরওয়াইজ উমর ফারুক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম X-এ দেওয়া এক পোস্টে বলেন, ঈদের দিন মুসলমানদের জন্য আনন্দের হলেও তা এবার “শোক ও বঞ্চনার দিনে” পরিণত হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, টানা সপ্তম বছরের মতো এবারও মসজিদে ঈদের নামাজ আদায়ের অনুমতি দেওয়া হয়নি এবং বিভিন্ন বিধিনিষেধ ও গৃহবন্দিত্ব পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
শ্রীনগরের এই ঐতিহাসিক মসজিদটি কাশ্মীরের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। নিরাপত্তাজনিত কারণে বিশেষ করে শুক্রবার এবং গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিনগুলোতে এখানে প্রায়ই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
এর আগে রমজানের শেষ জুমা, জুমাতুল বিদা-এর দিনও মসজিদটি বন্ধ রাখা হয় এবং মিরওয়াইজ উমর ফারুককে গৃহবন্দি করা হয়েছিল, যা স্থানীয় ধর্মীয় সংগঠনগুলোর সমালোচনার মুখে পড়ে।
নয়াদিল্লির দাবি, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য এসব ব্যবস্থা প্রয়োজনীয়। তবে সমালোচকদের মতে, এসব পদক্ষেপ ধর্মীয় স্বাধীনতাকে সীমিত করছে।
জামে মসজিদে নামাজ বন্ধ থাকলেও কাশ্মীরের অন্যান্য মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে শ্রীনগরের হজরতবল দরগাহ-এ বড় পরিসরে নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
হিমালয় অঞ্চলের কাশ্মীর এলাকা ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশই নিজেদের অংশ বলে দাবি করে। বর্তমানে অঞ্চলটি দুই দেশের নিয়ন্ত্রণে বিভক্ত। এই দীর্ঘস্থায়ী বিরোধের কারণে নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার—দুই বিষয়ই প্রায়শই আলোচনায় উঠে আসে।

আপনার মতামত লিখুন