বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
কওমী টাইমস

প্রতীক বরাদ্দ শেষে ব্যালট ছাপা ও নির্বাচনী মাঠে আনুষ্ঠানিক প্রচারের প্রস্তুতি, ভোট ১২ ফেব্রুয়ারি

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: প্রতীক পেলেন ১৯৭৩ প্রার্থী, কাল থেকে শুরু হচ্ছে আনুষ্ঠানিক প্রচার


কওমী টাইমস ডেস্ক
কওমী টাইমস ডেস্ক
প্রকাশ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: প্রতীক পেলেন ১৯৭৩ প্রার্থী, কাল থেকে শুরু হচ্ছে আনুষ্ঠানিক প্রচার

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর ফলে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। আজ বুধবার সকাল থেকেই দেশের ২৯৮টি নির্বাচনী এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশে রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রার্থীদের হাতে তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রতীক তুলে দেন।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. রুহুল আমিন মল্লিক আজ বিকেলে নিশ্চিত করেছেন যে, সারাদেশের ২৯৮টি আসনে মোট ১ হাজার ৯৭৩ জন প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাবনা-১ ও ২ আসনের জটিলতা বাদে বাকি সব আসনেই প্রার্থীরা এখন নির্বাচনী লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত। এর আগে যাচাই-বাছাই ও আপিল শুনানির প্রক্রিয়া শেষে মোট ২ হাজার ৫৮০ জন আবেদনকারীর মধ্য থেকে এই চূড়ান্ত তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

প্রচারণার নিয়ম ও সময়সীমা

ইসির 'রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫' অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী বা রাজনৈতিক দল ভোটগ্রহণের তিন সপ্তাহ আগে প্রচারণা শুরু করতে পারেন না। প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে সেই আইনি বাধা কেটে গেল। আগামীকাল ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনী এলাকায় সভা, সমাবেশ ও জনসংযোগ করতে পারবেন। তবে ভোটগ্রহণের ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের প্রচার কার্যক্রম বন্ধ করার কঠোর নির্দেশনা রয়েছে।

ইসি সচিবালয় জানিয়েছে, প্রতীক বরাদ্দের পর রিটার্নিং কর্মকর্তারা এখন প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা সম্বলিত 'ফরম-৫' নির্বাচন কমিশনে পাঠাবেন। এই তথ্যের ভিত্তিতেই শুরু হবে ব্যালট পেপার ছাপানোর কাজ। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল থেকেই সরকারি প্রেসে ব্যালট ছাপানোর প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

গত ১১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন যে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেছিলেন, সেই অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ব্যালট পেপারের মাধ্যমে একই সঙ্গে সংসদ নির্বাচন ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ একটি 'গণভোট' সম্পন্ন হবে।

সারাদেশে এখন নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করছে। ১ হাজার ৯৭৩ জন প্রার্থীর এই বিশাল অংশগ্রহণ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে একটি অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।

বিষয় : নির্বাচন কমিশন

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬


ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: প্রতীক পেলেন ১৯৭৩ প্রার্থী, কাল থেকে শুরু হচ্ছে আনুষ্ঠানিক প্রচার

প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর ফলে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। আজ বুধবার সকাল থেকেই দেশের ২৯৮টি নির্বাচনী এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশে রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রার্থীদের হাতে তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রতীক তুলে দেন।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. রুহুল আমিন মল্লিক আজ বিকেলে নিশ্চিত করেছেন যে, সারাদেশের ২৯৮টি আসনে মোট ১ হাজার ৯৭৩ জন প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাবনা-১ ও ২ আসনের জটিলতা বাদে বাকি সব আসনেই প্রার্থীরা এখন নির্বাচনী লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত। এর আগে যাচাই-বাছাই ও আপিল শুনানির প্রক্রিয়া শেষে মোট ২ হাজার ৫৮০ জন আবেদনকারীর মধ্য থেকে এই চূড়ান্ত তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

প্রচারণার নিয়ম ও সময়সীমা

ইসির 'রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫' অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী বা রাজনৈতিক দল ভোটগ্রহণের তিন সপ্তাহ আগে প্রচারণা শুরু করতে পারেন না। প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে সেই আইনি বাধা কেটে গেল। আগামীকাল ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনী এলাকায় সভা, সমাবেশ ও জনসংযোগ করতে পারবেন। তবে ভোটগ্রহণের ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের প্রচার কার্যক্রম বন্ধ করার কঠোর নির্দেশনা রয়েছে।

ইসি সচিবালয় জানিয়েছে, প্রতীক বরাদ্দের পর রিটার্নিং কর্মকর্তারা এখন প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা সম্বলিত 'ফরম-৫' নির্বাচন কমিশনে পাঠাবেন। এই তথ্যের ভিত্তিতেই শুরু হবে ব্যালট পেপার ছাপানোর কাজ। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল থেকেই সরকারি প্রেসে ব্যালট ছাপানোর প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

গত ১১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন যে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেছিলেন, সেই অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ব্যালট পেপারের মাধ্যমে একই সঙ্গে সংসদ নির্বাচন ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ একটি 'গণভোট' সম্পন্ন হবে।

সারাদেশে এখন নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করছে। ১ হাজার ৯৭৩ জন প্রার্থীর এই বিশাল অংশগ্রহণ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে একটি অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
কপিরাইট © ২০২৬ কওমী টাইমস । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত