ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের টানাপোড়েন কাটিয়ে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। বুধবার নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষার বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করা হয়েছে।
ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন তারেক রহমান সরকারের নিরঙ্কুশ জয়ের পর, প্রথম কোনো উচ্চপদস্থ মন্ত্রী হিসেবে ভারত সফর করছেন অভিজ্ঞ কূটনীতিক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার বিকেলে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকটিকে দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদী কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
বৈঠক শেষে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক বার্তায় জানান, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আতিথ্য দিতে পেরে তিনি আনন্দিত। তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করেছি। এছাড়া আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নানা ঘটনাবলি নিয়ে আমাদের মধ্যে মতবিনিময় হয়েছে।" উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখতে সম্মত হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। এর আগে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নয়াদিল্লিতে পৌঁছানোর পর খলিলুর রহমানকে নৈশভোজে আপ্যায়ন করেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (এনএসএ) অজিত দোভাল। দুই দেশের নিরাপত্তা ও পারস্পরিক আস্থার ভিত পুনর্নির্মাণের লক্ষ্যেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম 'হিন্দুস্তান টাইমস'-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারত সরকার এই সফরকে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে নতুন করে সম্পর্ক গড়ে তোলার একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে। দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ঢাকা ও দিল্লির এই ঘনিষ্ঠতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের টানাপোড়েন কাটিয়ে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। বুধবার নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষার বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করা হয়েছে।
ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন তারেক রহমান সরকারের নিরঙ্কুশ জয়ের পর, প্রথম কোনো উচ্চপদস্থ মন্ত্রী হিসেবে ভারত সফর করছেন অভিজ্ঞ কূটনীতিক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার বিকেলে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকটিকে দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদী কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
বৈঠক শেষে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক বার্তায় জানান, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আতিথ্য দিতে পেরে তিনি আনন্দিত। তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করেছি। এছাড়া আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নানা ঘটনাবলি নিয়ে আমাদের মধ্যে মতবিনিময় হয়েছে।" উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখতে সম্মত হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। এর আগে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নয়াদিল্লিতে পৌঁছানোর পর খলিলুর রহমানকে নৈশভোজে আপ্যায়ন করেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (এনএসএ) অজিত দোভাল। দুই দেশের নিরাপত্তা ও পারস্পরিক আস্থার ভিত পুনর্নির্মাণের লক্ষ্যেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম 'হিন্দুস্তান টাইমস'-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারত সরকার এই সফরকে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে নতুন করে সম্পর্ক গড়ে তোলার একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে। দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ঢাকা ও দিল্লির এই ঘনিষ্ঠতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন