বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
কওমী টাইমস

আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি ও আকাশযুদ্ধের ঝুঁকি মোকাবিলায় ১৫ দিনের আল্টিমেটাম; ব্যর্থ হলে হাইকোর্টে রিটের হুঁশিয়ারি

আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয়ে সরকারকে আইনি নোটিশ



আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয়ে সরকারকে আইনি নোটিশ

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং আধুনিক আকাশযুদ্ধের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি থেকে নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান জনস্বার্থে এই পদক্ষেপ নেন, যেখানে অবিলম্বে বিদেশি অত্যাধুনিক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ক্রয় এবং দেশীয় প্রযুক্তিতে গবেষণার উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানানো। 

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রতিরক্ষা সচিব, অর্থ সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) এবং বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানার কমান্ড্যান্ট বরাবর এই নোটিশ পাঠিয়েছেন। নোটিশে মূলত সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের দোহাই দিয়ে নাগরিকদের জীবনের অধিকার নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া। 

নোটিশে বলা হয়েছে, প্রতিবছর জাতীয় বাজেটের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ জনগণের করের টাকা থেকে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়। ফলে, বিদেশি শত্রুর মিসাইল, অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কিংবা ড্রোন হামলা থেকে দেশের আকাশসীমা ও জনগণকে রক্ষা করার সক্ষমতা সামরিক বাহিনীর আছে কি না, তা জানার পূর্ণ অধিকার সাধারণ মানুষের রয়েছে। বর্তমানে প্রচলিত স্থলযুদ্ধের চেয়ে আকাশপথের হামলা অনেক বেশি বিধ্বংসী হয়ে। 

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের বরাত দিয়ে নোটিশে উল্লেখ করা হয় যে, প্রতিবেশী দেশ ভারত ইতোমধ্যে রাশিয়ার তৈরি শক্তিশালী S-400 মিসাইল সিস্টেম মোতায়েন করেছে। অন্যদিকে, মিয়ানমারের চলমান গৃহযুদ্ধ ও সীমান্ত উত্তেজনা বাংলাদেশের নিরাপত্তার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এই প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক সামরিক ভারসাম্য বজায় রাখতে মার্কিন প্যাট্রিয়ট (Patriot) অথবা সমমানের উন্নত চীনা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয় করা এখন সময়ের। 

আইনি নোটিশ অনুযায়ী, দেশের আকাশসীমা প্রতিরক্ষাহীন রাখা সরকারের সাংবিধানিক কর্তব্যের অবহেলা। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এই বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দের প্রক্রিয়া শুরু না হলে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে জনস্বার্থে রিট পিটিশন দায়ের করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

বিষয় : প্রতিরক্ষা

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬


আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয়ে সরকারকে আইনি নোটিশ

প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬

featured Image

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং আধুনিক আকাশযুদ্ধের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি থেকে নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান জনস্বার্থে এই পদক্ষেপ নেন, যেখানে অবিলম্বে বিদেশি অত্যাধুনিক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ক্রয় এবং দেশীয় প্রযুক্তিতে গবেষণার উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানানো। 

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রতিরক্ষা সচিব, অর্থ সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) এবং বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানার কমান্ড্যান্ট বরাবর এই নোটিশ পাঠিয়েছেন। নোটিশে মূলত সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের দোহাই দিয়ে নাগরিকদের জীবনের অধিকার নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া। 

নোটিশে বলা হয়েছে, প্রতিবছর জাতীয় বাজেটের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ জনগণের করের টাকা থেকে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়। ফলে, বিদেশি শত্রুর মিসাইল, অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কিংবা ড্রোন হামলা থেকে দেশের আকাশসীমা ও জনগণকে রক্ষা করার সক্ষমতা সামরিক বাহিনীর আছে কি না, তা জানার পূর্ণ অধিকার সাধারণ মানুষের রয়েছে। বর্তমানে প্রচলিত স্থলযুদ্ধের চেয়ে আকাশপথের হামলা অনেক বেশি বিধ্বংসী হয়ে। 

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের বরাত দিয়ে নোটিশে উল্লেখ করা হয় যে, প্রতিবেশী দেশ ভারত ইতোমধ্যে রাশিয়ার তৈরি শক্তিশালী S-400 মিসাইল সিস্টেম মোতায়েন করেছে। অন্যদিকে, মিয়ানমারের চলমান গৃহযুদ্ধ ও সীমান্ত উত্তেজনা বাংলাদেশের নিরাপত্তার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এই প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক সামরিক ভারসাম্য বজায় রাখতে মার্কিন প্যাট্রিয়ট (Patriot) অথবা সমমানের উন্নত চীনা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয় করা এখন সময়ের। 

আইনি নোটিশ অনুযায়ী, দেশের আকাশসীমা প্রতিরক্ষাহীন রাখা সরকারের সাংবিধানিক কর্তব্যের অবহেলা। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এই বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দের প্রক্রিয়া শুরু না হলে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে জনস্বার্থে রিট পিটিশন দায়ের করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
কপিরাইট © ২০২৬ কওমী টাইমস । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত