বৃহস্পতিবার বিকাল সোয়া ৪টার কিছু পর রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের বেশ কয়েকটি এলাকায় আবারো ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি) ৩.৬ মাত্রার এই ভূমিকম্পের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। উৎপত্তিস্থল টঙ্গী এলাকার পূর্ব-উত্তর-পূর্বাংশে, আর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।
বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা ১৫ মিনিট ২০ সেকেন্ডে রাজধানী ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কম্পন অনুভব করেন স্থানীয়রা। ভূমিকম্পটি আঘাত হানে অল্পমাত্রার হলেও তা ভবন, অফিস ও বাসাবাড়িতে থাকা মানুষের মাঝে আতঙ্ক তৈরি করে।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি) তাদের পর্যবেক্ষণে জানায়, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৩.৬ এবং কেন্দ্রস্থল ছিলো টঙ্গী থেকে প্রায় ২১ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তর-পূর্ব দিকে। ঢাকা শহর থেকে উৎপত্তিস্থলের দূরত্ব ছিল মাত্র ৩১ কিলোমিটার। ভূমিকম্পের গভীরতা ১০ কিলোমিটার হওয়ায় তা ভূপৃষ্ঠে বেশ স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়েছে।
এর আগেও গত ২২ ও ২৩ নভেম্বর দুই দিনের ব্যবধানে ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় চারটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর মধ্যে তিনটির উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদী জেলা এবং একটি ছিল ঢাকার ভেতরেই। ২১ নভেম্বর একটি এবং ২২ নভেম্বর তিনটি ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক এই ধারাবাহিক কম্পন ভূতাত্ত্বিক অস্থিতিশীলতা কিংবা স্থানীয় ফল্ট লাইনে চাপ সৃষ্টির ইঙ্গিত দিতে পারে। যদিও বড় ধরনের ঝুঁকি সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সতর্কতা জারি হয়নি, ভূকম্পবিদেরা সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন।
রাজধানীর বেশ কিছু এলাকায় মানুষ হঠাৎ অনুভূত কম্পনে ভীত হয়ে ভবন থেকে বেরিয়ে আসে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট সংস্থা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে বলে জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এমন ছোট মাত্রার ধারাবাহিক ভূমিকম্পগুলো ভবিষ্যৎ বড় ধরনের ভূমিকম্পের সম্ভাবনার সঙ্গে সম্পর্কিত কিনা তা পর্যবেক্ষণের জন্য নিয়মিত মনিটরিং গুরুত্বপূর্ণ।

সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫
বৃহস্পতিবার বিকাল সোয়া ৪টার কিছু পর রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের বেশ কয়েকটি এলাকায় আবারো ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি) ৩.৬ মাত্রার এই ভূমিকম্পের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। উৎপত্তিস্থল টঙ্গী এলাকার পূর্ব-উত্তর-পূর্বাংশে, আর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।
বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা ১৫ মিনিট ২০ সেকেন্ডে রাজধানী ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কম্পন অনুভব করেন স্থানীয়রা। ভূমিকম্পটি আঘাত হানে অল্পমাত্রার হলেও তা ভবন, অফিস ও বাসাবাড়িতে থাকা মানুষের মাঝে আতঙ্ক তৈরি করে।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি) তাদের পর্যবেক্ষণে জানায়, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৩.৬ এবং কেন্দ্রস্থল ছিলো টঙ্গী থেকে প্রায় ২১ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তর-পূর্ব দিকে। ঢাকা শহর থেকে উৎপত্তিস্থলের দূরত্ব ছিল মাত্র ৩১ কিলোমিটার। ভূমিকম্পের গভীরতা ১০ কিলোমিটার হওয়ায় তা ভূপৃষ্ঠে বেশ স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়েছে।
এর আগেও গত ২২ ও ২৩ নভেম্বর দুই দিনের ব্যবধানে ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় চারটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর মধ্যে তিনটির উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদী জেলা এবং একটি ছিল ঢাকার ভেতরেই। ২১ নভেম্বর একটি এবং ২২ নভেম্বর তিনটি ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক এই ধারাবাহিক কম্পন ভূতাত্ত্বিক অস্থিতিশীলতা কিংবা স্থানীয় ফল্ট লাইনে চাপ সৃষ্টির ইঙ্গিত দিতে পারে। যদিও বড় ধরনের ঝুঁকি সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সতর্কতা জারি হয়নি, ভূকম্পবিদেরা সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন।
রাজধানীর বেশ কিছু এলাকায় মানুষ হঠাৎ অনুভূত কম্পনে ভীত হয়ে ভবন থেকে বেরিয়ে আসে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট সংস্থা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে বলে জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এমন ছোট মাত্রার ধারাবাহিক ভূমিকম্পগুলো ভবিষ্যৎ বড় ধরনের ভূমিকম্পের সম্ভাবনার সঙ্গে সম্পর্কিত কিনা তা পর্যবেক্ষণের জন্য নিয়মিত মনিটরিং গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন