রাজধানী ঢাকায় পরপর কয়েকটি ভূমিকম্পের রেশ না কাটতেই বৃহস্পতিবার বিকেলেও নতুন করে কম্পন অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে ৩.৬ মাত্রার এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর ঘোড়াশাল। এর আগে গত সপ্তাহে চারবার ভূমিকম্প আঘাত হানায় রাজধানীসহ আশপাশের অঞ্চলে উদ্বেগ বাড়ছে।
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে। ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ইনচার্জ রুবাইয়াত কবির জানান, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৩.৬, যা মৃদু বা স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত। কম্পনের উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর ঘোড়াশাল এলাকায়।
এর আগে গত শুক্রবার ও শনিবার ৩১ ঘণ্টার ব্যবধানে চারটি ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ঢাকা ও আশপাশের অঞ্চল। এর মধ্যে শুক্রবার সকালের ভূমিকম্পটি ছিল তুলনামূলকভাবে প্রবল, যার মাত্রা রিখটার স্কেলে ছিল ৫.৭। ভূমিকম্পটির উৎস ছিল নরসিংদীর মাধবদী এবং উৎপত্তিস্থলের গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার।
প্রথম দফার ভূমিকম্পে চার জেলায় ১১ জন নিহত এবং কয়েক শতাধিক মানুষ আহত হন। ভবন, বাসাবাড়ি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আতঙ্ক তৈরি হলে অনেকে সড়কে নেমে আসেন।
শনিবার সন্ধ্যায় মাত্র এক সেকেন্ডের ব্যবধানেই আরও দুটি স্বল্পমাত্রার কম্পন অনুভূত হয়। যদিও এগুলোতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি, তবুও ধারাবাহিক ভূমিকম্প জনমনে চরম উদ্বেগ ছড়িয়ে দেয়।
সরকারি পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ২২ ও ২৩ নভেম্বর দুই দিনের ব্যবধানে যে চারটি ভূমিকম্প হয়, তার মধ্যে তিনটির উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদী এবং একটি ছিল ঢাকার ভেতরে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) একটি এবং শনিবার (২২ নভেম্বর) তিনটি ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।
ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একই অঞ্চলে ধারাবাহিক কম্পন ভূগর্ভস্থ ফল্ট লাইনে চাপ সৃষ্টির নির্দেশক হতে পারে। যদিও বড় ধরনের ঝুঁকি নিয়ে এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না, তবুও নিয়মিত মনিটরিং ও সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি বলে মত তাদের।
এদিকে পুনরায় ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় সাধারণ মানুষ ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো পরিস্থিতির ওপর সর্বাত্মক নজরদারি চালাচ্ছে।
বিষয় : ঢাকা নরসিংদী প্রাকৃতিক দুর্যোগ ভূমিকম্প

সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫
রাজধানী ঢাকায় পরপর কয়েকটি ভূমিকম্পের রেশ না কাটতেই বৃহস্পতিবার বিকেলেও নতুন করে কম্পন অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে ৩.৬ মাত্রার এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর ঘোড়াশাল। এর আগে গত সপ্তাহে চারবার ভূমিকম্প আঘাত হানায় রাজধানীসহ আশপাশের অঞ্চলে উদ্বেগ বাড়ছে।
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে। ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ইনচার্জ রুবাইয়াত কবির জানান, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৩.৬, যা মৃদু বা স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত। কম্পনের উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর ঘোড়াশাল এলাকায়।
এর আগে গত শুক্রবার ও শনিবার ৩১ ঘণ্টার ব্যবধানে চারটি ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ঢাকা ও আশপাশের অঞ্চল। এর মধ্যে শুক্রবার সকালের ভূমিকম্পটি ছিল তুলনামূলকভাবে প্রবল, যার মাত্রা রিখটার স্কেলে ছিল ৫.৭। ভূমিকম্পটির উৎস ছিল নরসিংদীর মাধবদী এবং উৎপত্তিস্থলের গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার।
প্রথম দফার ভূমিকম্পে চার জেলায় ১১ জন নিহত এবং কয়েক শতাধিক মানুষ আহত হন। ভবন, বাসাবাড়ি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আতঙ্ক তৈরি হলে অনেকে সড়কে নেমে আসেন।
শনিবার সন্ধ্যায় মাত্র এক সেকেন্ডের ব্যবধানেই আরও দুটি স্বল্পমাত্রার কম্পন অনুভূত হয়। যদিও এগুলোতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি, তবুও ধারাবাহিক ভূমিকম্প জনমনে চরম উদ্বেগ ছড়িয়ে দেয়।
সরকারি পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ২২ ও ২৩ নভেম্বর দুই দিনের ব্যবধানে যে চারটি ভূমিকম্প হয়, তার মধ্যে তিনটির উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদী এবং একটি ছিল ঢাকার ভেতরে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) একটি এবং শনিবার (২২ নভেম্বর) তিনটি ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।
ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একই অঞ্চলে ধারাবাহিক কম্পন ভূগর্ভস্থ ফল্ট লাইনে চাপ সৃষ্টির নির্দেশক হতে পারে। যদিও বড় ধরনের ঝুঁকি নিয়ে এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না, তবুও নিয়মিত মনিটরিং ও সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি বলে মত তাদের।
এদিকে পুনরায় ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় সাধারণ মানুষ ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো পরিস্থিতির ওপর সর্বাত্মক নজরদারি চালাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন