ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের মীরজাপুর অঞ্চলে অবস্থিত ৬০০ বছরের এক প্রাচীন মসজিদে গভীর রাতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। মসজিদটির ভেতরে তখন ঘুমিয়ে ছিলেন ইমাম। পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হলেও, স্থানীয়দের তৎপরতায় ইমাম প্রাণে রক্ষা পান। এই ন্যক্কারজনক ঘটনাটি এলাকায় তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে, যদিও প্রশাসন দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে আটক করেছে।
উত্তর প্রদেশের মীরজাপুর এলাকার ঐতিহাসিক এই মসজিদটিকে লক্ষ্য করে গভীর রাতে এই হামলা চালানো হয়। 'দ্য হিন্দুস্তান গেজেট'-এর খবর অনুযায়ী, অভিযুক্তরা প্রথমে মসজিদের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং এরপর ইমাম জাহিদ কাদির ভেতরে ঘুমন্ত অবস্থায় থাকাকালীন পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।
এলাকার বাসিন্দারা ধোঁয়া ও আগুনের শিখা দেখে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং নিজেরাই আগুন নেভানোর কাজে হাত দেন। তাদের সময়োপযোগী হস্তক্ষেপে ঘুমন্ত ইমামকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। স্থানীয়দের দাবি, হামলাকারীরা পালিয়ে যাওয়ার সময় তাদের নিরাপত্তা ক্যামেরায় ধরা পড়ে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্তরা সম্ভবত মদ্যপ অবস্থায় এই হামলা চালিয়েছে। কর্তৃপক্ষ দ্রুত তদন্ত শুরু করেছে এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।
মসজিদের ইমাম জাহিদ কাদির এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, এই অঞ্চলে এমন ঘটনা এই প্রথম ঘটল এবং তিনি দোষীদের কঠোরতম শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, স্থানীয় রাজনীতিবিদরা এই ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার একটি জঘন্য প্রচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করে জনসাধারণকে শান্ত থাকার এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপর আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
বিষয় : ভারত মসজিদ ইসলামফোবিয়া

সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ২৮ নভেম্বর ২০২৫
ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের মীরজাপুর অঞ্চলে অবস্থিত ৬০০ বছরের এক প্রাচীন মসজিদে গভীর রাতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। মসজিদটির ভেতরে তখন ঘুমিয়ে ছিলেন ইমাম। পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হলেও, স্থানীয়দের তৎপরতায় ইমাম প্রাণে রক্ষা পান। এই ন্যক্কারজনক ঘটনাটি এলাকায় তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে, যদিও প্রশাসন দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে আটক করেছে।
উত্তর প্রদেশের মীরজাপুর এলাকার ঐতিহাসিক এই মসজিদটিকে লক্ষ্য করে গভীর রাতে এই হামলা চালানো হয়। 'দ্য হিন্দুস্তান গেজেট'-এর খবর অনুযায়ী, অভিযুক্তরা প্রথমে মসজিদের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং এরপর ইমাম জাহিদ কাদির ভেতরে ঘুমন্ত অবস্থায় থাকাকালীন পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।
এলাকার বাসিন্দারা ধোঁয়া ও আগুনের শিখা দেখে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং নিজেরাই আগুন নেভানোর কাজে হাত দেন। তাদের সময়োপযোগী হস্তক্ষেপে ঘুমন্ত ইমামকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। স্থানীয়দের দাবি, হামলাকারীরা পালিয়ে যাওয়ার সময় তাদের নিরাপত্তা ক্যামেরায় ধরা পড়ে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্তরা সম্ভবত মদ্যপ অবস্থায় এই হামলা চালিয়েছে। কর্তৃপক্ষ দ্রুত তদন্ত শুরু করেছে এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।
মসজিদের ইমাম জাহিদ কাদির এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, এই অঞ্চলে এমন ঘটনা এই প্রথম ঘটল এবং তিনি দোষীদের কঠোরতম শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, স্থানীয় রাজনীতিবিদরা এই ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার একটি জঘন্য প্রচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করে জনসাধারণকে শান্ত থাকার এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপর আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন