রাজধানীর উত্তরখানে ইত্তেহাদুল উলামার উদ্যোগে “মসজিদে ভিত্তিক আদর্শ সমাজ গঠনে দায়িত্বশীলদের ভূমিকা” শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এলাকাব্যাপী দেড় শতাধিক মসজিদের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি গুরুত্ব ও প্রত্যাশায় পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। বক্তারা বলেন, সমাজ সংস্কারের কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত মসজিদ।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ইত্তেহাদুল উলামার সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহিম এবং পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মুফতি সাইফুল ইসলাম।
সেমিনারের প্রধান অতিথি সাবেক অধ্যাপক ও শিক্ষাবিদ ড. এবিএম হিজবুল্লাহ বলেন, একটি আদর্শ সমাজ গঠনের প্রথম ধাপ শুরু হয় মসজিদ থেকে। তিনি দায়িত্বশীলদের সৎ নেতৃত্ব, জবাবদিহিতা ও সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার ও আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমদুল্লাহ। তিনি মসজিদকে শিক্ষা, নৈতিকতা, মানবিকতা ও সম্প্রীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বলেন—“মসজিদ যদি জাগে, সমাজ জাগবে; মসজিদ যদি সচেতন হয়, সমাজও আপনিতেই সুন্দর হয়ে উঠবে।”
বক্তারা তরুণদের নৈতিক গঠন, দান-সাদকার স্বচ্ছতা, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং দায়িত্বশীলদের নিয়মিত জবাবদিহিতার উপর গুরুত্বারোপ করেন। আলোচনার শেষে উপস্থিতরা মসজিদভিত্তিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম আধুনিক ও বিস্তৃত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
স্থানীয় ধর্মীয় ও সামাজিক অঙ্গনে এই সেমিনার ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে বলে জানা গেছে।

সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ৩০ নভেম্বর ২০২৫
রাজধানীর উত্তরখানে ইত্তেহাদুল উলামার উদ্যোগে “মসজিদে ভিত্তিক আদর্শ সমাজ গঠনে দায়িত্বশীলদের ভূমিকা” শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এলাকাব্যাপী দেড় শতাধিক মসজিদের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি গুরুত্ব ও প্রত্যাশায় পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। বক্তারা বলেন, সমাজ সংস্কারের কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত মসজিদ।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ইত্তেহাদুল উলামার সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহিম এবং পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মুফতি সাইফুল ইসলাম।
সেমিনারের প্রধান অতিথি সাবেক অধ্যাপক ও শিক্ষাবিদ ড. এবিএম হিজবুল্লাহ বলেন, একটি আদর্শ সমাজ গঠনের প্রথম ধাপ শুরু হয় মসজিদ থেকে। তিনি দায়িত্বশীলদের সৎ নেতৃত্ব, জবাবদিহিতা ও সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার ও আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমদুল্লাহ। তিনি মসজিদকে শিক্ষা, নৈতিকতা, মানবিকতা ও সম্প্রীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বলেন—“মসজিদ যদি জাগে, সমাজ জাগবে; মসজিদ যদি সচেতন হয়, সমাজও আপনিতেই সুন্দর হয়ে উঠবে।”
বক্তারা তরুণদের নৈতিক গঠন, দান-সাদকার স্বচ্ছতা, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং দায়িত্বশীলদের নিয়মিত জবাবদিহিতার উপর গুরুত্বারোপ করেন। আলোচনার শেষে উপস্থিতরা মসজিদভিত্তিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম আধুনিক ও বিস্তৃত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
স্থানীয় ধর্মীয় ও সামাজিক অঙ্গনে এই সেমিনার ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন