সৌদি আরব ফিলিস্তিনের আর্থিক সংকট লাঘবে ৯০ মিলিয়ন ডলারের অনুদান দিয়েছে। ইসরায়েলের সাম্প্রতিক আর্থিক নীতির চাপের কারণে ফিলিস্তিন দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক রাজস্ব সংকটে ভুগছে। সৌদি আরবের এই সহায়তা ফিলিস্তিন সরকারের জন্য বড় সহায়ক শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ফিলিস্তিনের পরিকল্পনা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা মন্ত্রী ইস্তিফান সালামা সোমবার জর্ডানের রাজধানী আম্মানে সৌদি আরব থেকে প্রদত্ত ৯০ মিলিয়ন ডলারের অনুদানের একটি কিস্তি গ্রহণ করেন। এ উপলক্ষে মন্ত্রী সালামার সঙ্গে সৌদি আরবের জর্ডানস্থ রাষ্ট্রদূত মানসুর বিন খালেদ বিন ফারহান আল সৌদের বৈঠক হয়।
ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ‘ওয়াাফা’র তথ্যে জানা যায়, এই অনুদান ২০২৫ সালের জন্য সৌদি আরবের অব্যাহত সহায়তার অংশ। মন্ত্রী সালামা বলেন, ইসরায়েলের সাম্প্রতিক আর্থিক বিধিনিষেধের কারণে সৃষ্ট তীব্র অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় এই সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের নীতিগত সমর্থনকে “ঐতিহাসিক ও অবিচল” বলে উল্লেখ করেন।
এ প্রসঙ্গে ফিলিস্তিনের উপ-রাষ্ট্রপতি হুসেইন আল-শেখ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ পোস্ট করে সৌদি আরবের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, “ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সৌদি নেতৃত্বের অব্যাহত সমর্থন আমাদের ন্যায্য অধিকারের সংগ্রামে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে।”
জানা যায়, ২০১৯ সাল থেকে ইসরায়েল বিভিন্ন অজুহাতে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের শুল্ক-রাজস্ব “ক্লিয়ারেন্স ফান্ড” থেকে অর্থ কেটে নিচ্ছে। এই রাজস্বই ফিলিস্তিন সরকারের প্রধান আর্থিক উৎস। ফলে ২০২১ সালের নভেম্বর থেকে সরকার তাদের সরকারি কর্মীদের পূর্ণ বেতন দিতে সক্ষম হয়নি; বেতন পরিশোধের হার ৫০ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে ওঠানামা করছে।
সৌদি আরবের এই অনুদান আংশিকভাবে হলেও তাৎক্ষণিক আর্থিক সংকট প্রশমনে সহায়ক হবে বলে আশা করছে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
সৌদি আরব ফিলিস্তিনের আর্থিক সংকট লাঘবে ৯০ মিলিয়ন ডলারের অনুদান দিয়েছে। ইসরায়েলের সাম্প্রতিক আর্থিক নীতির চাপের কারণে ফিলিস্তিন দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক রাজস্ব সংকটে ভুগছে। সৌদি আরবের এই সহায়তা ফিলিস্তিন সরকারের জন্য বড় সহায়ক শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ফিলিস্তিনের পরিকল্পনা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা মন্ত্রী ইস্তিফান সালামা সোমবার জর্ডানের রাজধানী আম্মানে সৌদি আরব থেকে প্রদত্ত ৯০ মিলিয়ন ডলারের অনুদানের একটি কিস্তি গ্রহণ করেন। এ উপলক্ষে মন্ত্রী সালামার সঙ্গে সৌদি আরবের জর্ডানস্থ রাষ্ট্রদূত মানসুর বিন খালেদ বিন ফারহান আল সৌদের বৈঠক হয়।
ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ‘ওয়াাফা’র তথ্যে জানা যায়, এই অনুদান ২০২৫ সালের জন্য সৌদি আরবের অব্যাহত সহায়তার অংশ। মন্ত্রী সালামা বলেন, ইসরায়েলের সাম্প্রতিক আর্থিক বিধিনিষেধের কারণে সৃষ্ট তীব্র অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় এই সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের নীতিগত সমর্থনকে “ঐতিহাসিক ও অবিচল” বলে উল্লেখ করেন।
এ প্রসঙ্গে ফিলিস্তিনের উপ-রাষ্ট্রপতি হুসেইন আল-শেখ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ পোস্ট করে সৌদি আরবের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, “ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সৌদি নেতৃত্বের অব্যাহত সমর্থন আমাদের ন্যায্য অধিকারের সংগ্রামে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে।”
জানা যায়, ২০১৯ সাল থেকে ইসরায়েল বিভিন্ন অজুহাতে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের শুল্ক-রাজস্ব “ক্লিয়ারেন্স ফান্ড” থেকে অর্থ কেটে নিচ্ছে। এই রাজস্বই ফিলিস্তিন সরকারের প্রধান আর্থিক উৎস। ফলে ২০২১ সালের নভেম্বর থেকে সরকার তাদের সরকারি কর্মীদের পূর্ণ বেতন দিতে সক্ষম হয়নি; বেতন পরিশোধের হার ৫০ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে ওঠানামা করছে।
সৌদি আরবের এই অনুদান আংশিকভাবে হলেও তাৎক্ষণিক আর্থিক সংকট প্রশমনে সহায়ক হবে বলে আশা করছে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন