অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত মুসলিমদের অন্যতম পবিত্র স্থান আল-আকসা মসজিদে আবারও অনধিকার প্রবেশ করেছে উগ্রপন্থী ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা। ইসরায়েলি পুলিশের কড়া পাহারায় বুধবার শতাধিক দখলদার এই পবিত্র প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে ধর্মীয় উসকানি ছড়ায়। দীর্ঘদিনের স্থিতাবস্থা লঙ্ঘন করে এমন কর্মকাণ্ডে স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জেরুজালেমের ইসলামিক ওয়াকফ বিভাগ জানিয়েছে, বুধবার সকাল এবং দুপুরে দুই দফায় মোট ১০৯ জন ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর বিশেষ সুরক্ষায় তারা মসজিদের পশ্চিম দিকে অবস্থিত 'মরক্কো গেট' (আল-মাগারিবা) দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে।
মসজিদ চত্বরে অবস্থানকালে দখলদাররা বিভিন্ন উসকানিমূলক আচরণ করে এবং সেখানে তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করে। উল্লেখ্য যে, আল-আকসার দীর্ঘদিনের নিয়ম অনুযায়ী সেখানে অমুসলিমদের প্রবেশের অনুমতি থাকলেও কোনো প্রকার প্রার্থনা বা ধর্মীয় আচার পালন নিষিদ্ধ।
ফিলিস্তিনিদের অভিযোগ, ২০০৩ সাল থেকে ইসলামিক ওয়াকফ প্রশাসনের প্রবল বিরোধিতা সত্ত্বেও ইসরায়েলি পুলিশ পরিকল্পিতভাবে বসতি স্থাপনকারীদের এই অনধিকার প্রবেশের সুযোগ করে দিচ্ছে। ফিলিস্তিনি নেতারা মনে করছেন, এটি জেরুজালেমের ইসলামি ও আরবীয় পরিচয় মুছে ফেলে একে পরিকল্পিতভাবে 'ইহুদিয়করণ' করার একটি বৃহত্তর প্রক্রিয়ার অংশ। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে আল-আকসার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে কেন্দ্র করে এই ধরণের অনুপ্রবেশের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত মুসলিমদের অন্যতম পবিত্র স্থান আল-আকসা মসজিদে আবারও অনধিকার প্রবেশ করেছে উগ্রপন্থী ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা। ইসরায়েলি পুলিশের কড়া পাহারায় বুধবার শতাধিক দখলদার এই পবিত্র প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে ধর্মীয় উসকানি ছড়ায়। দীর্ঘদিনের স্থিতাবস্থা লঙ্ঘন করে এমন কর্মকাণ্ডে স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জেরুজালেমের ইসলামিক ওয়াকফ বিভাগ জানিয়েছে, বুধবার সকাল এবং দুপুরে দুই দফায় মোট ১০৯ জন ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর বিশেষ সুরক্ষায় তারা মসজিদের পশ্চিম দিকে অবস্থিত 'মরক্কো গেট' (আল-মাগারিবা) দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে।
মসজিদ চত্বরে অবস্থানকালে দখলদাররা বিভিন্ন উসকানিমূলক আচরণ করে এবং সেখানে তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করে। উল্লেখ্য যে, আল-আকসার দীর্ঘদিনের নিয়ম অনুযায়ী সেখানে অমুসলিমদের প্রবেশের অনুমতি থাকলেও কোনো প্রকার প্রার্থনা বা ধর্মীয় আচার পালন নিষিদ্ধ।
ফিলিস্তিনিদের অভিযোগ, ২০০৩ সাল থেকে ইসলামিক ওয়াকফ প্রশাসনের প্রবল বিরোধিতা সত্ত্বেও ইসরায়েলি পুলিশ পরিকল্পিতভাবে বসতি স্থাপনকারীদের এই অনধিকার প্রবেশের সুযোগ করে দিচ্ছে। ফিলিস্তিনি নেতারা মনে করছেন, এটি জেরুজালেমের ইসলামি ও আরবীয় পরিচয় মুছে ফেলে একে পরিকল্পিতভাবে 'ইহুদিয়করণ' করার একটি বৃহত্তর প্রক্রিয়ার অংশ। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে আল-আকসার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে কেন্দ্র করে এই ধরণের অনুপ্রবেশের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন