২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দায়ের হওয়া বহু মামলায় ‘হয়রানির উদ্দেশ্যে’ শত শত থেকে হাজার হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, এ ধরনের মামলা সরকার যাচাই-বাছাই করে চিহ্নিত করার উদ্যোগ নিয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। তার বক্তব্যে আইনের শাসন নিশ্চিত করা এবং মামলাবাজির মাধ্যমে হয়রানি বন্ধের ওপর জোর দেওয়া হয়।
মন্ত্রী বলেন, ৫ আগস্টের পর এমন অনেক মামলা হয়েছে যেখানে একসঙ্গে শত শত বা হাজার হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। তার দাবি, এসব মামলার কিছু অংশ সুবিধাবাদী গোষ্ঠীর উদ্যোগে দায়ের হয়েছে এবং এর পেছনে হয়রানির উদ্দেশ্য থাকতে পারে।
তিনি আরও বলেন, যেসব মামলা হয়রানিমূলক বলে প্রতীয়মান হচ্ছে, সেগুলো যাচাই-বাছাই করে শনাক্ত করা হবে। “আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মামলাবাজির মাধ্যমে যদি কারও হয়রানি করা হয়ে থাকে, সেটি বন্ধ করতে হবে,” বলেন তিনি।
মামলা প্রত্যাহার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, হত্যা, মাদক এবং নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলা বাদে অন্যান্য মামলাগুলো পুনর্বিবেচনার আওতায় আনা হয়েছে।
তিনি ব্যক্তিগত উদাহরণ দিয়ে বলেন, তার বিরুদ্ধেও বহু হত্যা মামলা রয়েছে। এছাড়া অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনের মামলাও রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মন্ত্রী জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা মামলাগুলো যাচাই-বাছাই করে সেগুলো প্রত্যাহারের বিষয়ে সরকার নতুন করে উদ্যোগ নিয়েছে। তবে এই প্রক্রিয়া যাতে অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি না করে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার কথা বলেন তিনি।
সরকারের এই পদক্ষেপ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা কতটা বজায় থাকে, তা পর্যবেক্ষণে থাকবে আইন বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
বিষয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দায়ের হওয়া বহু মামলায় ‘হয়রানির উদ্দেশ্যে’ শত শত থেকে হাজার হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, এ ধরনের মামলা সরকার যাচাই-বাছাই করে চিহ্নিত করার উদ্যোগ নিয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। তার বক্তব্যে আইনের শাসন নিশ্চিত করা এবং মামলাবাজির মাধ্যমে হয়রানি বন্ধের ওপর জোর দেওয়া হয়।
মন্ত্রী বলেন, ৫ আগস্টের পর এমন অনেক মামলা হয়েছে যেখানে একসঙ্গে শত শত বা হাজার হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। তার দাবি, এসব মামলার কিছু অংশ সুবিধাবাদী গোষ্ঠীর উদ্যোগে দায়ের হয়েছে এবং এর পেছনে হয়রানির উদ্দেশ্য থাকতে পারে।
তিনি আরও বলেন, যেসব মামলা হয়রানিমূলক বলে প্রতীয়মান হচ্ছে, সেগুলো যাচাই-বাছাই করে শনাক্ত করা হবে। “আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মামলাবাজির মাধ্যমে যদি কারও হয়রানি করা হয়ে থাকে, সেটি বন্ধ করতে হবে,” বলেন তিনি।
মামলা প্রত্যাহার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, হত্যা, মাদক এবং নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলা বাদে অন্যান্য মামলাগুলো পুনর্বিবেচনার আওতায় আনা হয়েছে।
তিনি ব্যক্তিগত উদাহরণ দিয়ে বলেন, তার বিরুদ্ধেও বহু হত্যা মামলা রয়েছে। এছাড়া অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনের মামলাও রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মন্ত্রী জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা মামলাগুলো যাচাই-বাছাই করে সেগুলো প্রত্যাহারের বিষয়ে সরকার নতুন করে উদ্যোগ নিয়েছে। তবে এই প্রক্রিয়া যাতে অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি না করে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার কথা বলেন তিনি।
সরকারের এই পদক্ষেপ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা কতটা বজায় থাকে, তা পর্যবেক্ষণে থাকবে আইন বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

আপনার মতামত লিখুন