মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
কওমী টাইমস

শহীদ জিয়া নীরবে বহু যুগান্তকারী সংস্কার করেছেন যা দেশের অর্থনীতিকে পাল্টে দিয়েছে

সংস্কারের নামে কেবল 'ক্ষমতা দখলের ভাবনা'—জানেন না কী সংস্কার করতে হবে: মির্জা আব্বাস


কওমী টাইমস ডেস্ক
কওমী টাইমস ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ

সংস্কারের নামে কেবল 'ক্ষমতা দখলের ভাবনা'—জানেন না কী সংস্কার করতে হবে: মির্জা আব্বাস

ক্ষমতায় যাওয়ার উদ্দেশ্যেই কিছু পক্ষ সংস্কারের কথা বলছে, কিন্তু তাদের নিজেদেরই কোনো সুস্পষ্ট ধারণা নেই কী ধরনের সংস্কার প্রয়োজন—এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। বুধবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অডিটোরিয়ামে দলটির 'দেশ গড়ার পরিকল্পনা' শীর্ষক কর্মশালার চতুর্থ দিনের কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন। মির্জা আব্বাস দাবি করেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) কোনো ঘোষণা ছাড়াই দেশের অর্থনীতিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছিলেন।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা মির্জা আব্বাস 'দেশ গড়ার পরিকল্পনা' কর্মশালার চতুর্থ দিনে যুবদল ও কৃষক দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সংস্কার প্রসঙ্গে তার দলের অবস্থান তুলে ধরেন। তার মতে, যারা সংস্কারের কথা বলছেন, তাদের মূল লক্ষ্য কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য অনুকূল একটি ব্যবস্থা তৈরি করা, প্রকৃত অর্থে দেশের জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামোগত পরিবর্তন নয়। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, "তারা শুধু একটাই সংস্কার জানেন, তাদের এমন একটা সংস্কার করতে হবে, যে সংস্কার করলে তারা ক্ষমতায় যেতে পারবে।"

মির্জা আব্বাস শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তার আমলে নেওয়া বেশ কিছু পদক্ষেপকে 'নীরব সংস্কার' হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, জিয়াউর রহমান কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা দফায় অন্তর্ভুক্ত না করেও দেশের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিলেন।

  • পোশাক শিল্পে বিপ্লব: তিনি গার্মেন্টস (তৈরি পোশাক) শিল্পকে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন, যা ছিল একটি 'বিশাল বড় সংস্কার'। বর্তমানে এই খাতটি দেশের অর্থনীতির ভিত্তি এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রায় ৫০ শতাংশের জন্য দায়ী।

  • জনশক্তি রপ্তানি: কর্মক্ষম মানুষকে বিদেশে রপ্তানি করার যুগান্তকারী পদক্ষেপও জিয়াউর রহমানের। এটিও দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের 'সংস্কার'।

  • যুব উন্নয়ন: তিনি যুব মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করেন, যা ছিল দেশের যুব সমাজকে সংগঠিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার।

বিএনপি নেতা বলেন, শহীদ জিয়া কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই এমন বহু জনকল্যাণমূলক ও অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়ন করেছেন।

অনুষ্ঠানে মির্জা আব্বাস উপস্থিত নেতাকর্মীদের জনগণের কাছে কীভাবে ভোট চাইতে হবে, সে বিষয়ে দিকনির্দেশনাও দেন।

কর্মসূচিতে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার ও ড. মাহদী আমিন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী। বিকেলে কর্মসূচির প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বিষয় : বিএনপি

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬


সংস্কারের নামে কেবল 'ক্ষমতা দখলের ভাবনা'—জানেন না কী সংস্কার করতে হবে: মির্জা আব্বাস

প্রকাশের তারিখ : ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

ক্ষমতায় যাওয়ার উদ্দেশ্যেই কিছু পক্ষ সংস্কারের কথা বলছে, কিন্তু তাদের নিজেদেরই কোনো সুস্পষ্ট ধারণা নেই কী ধরনের সংস্কার প্রয়োজন—এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। বুধবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অডিটোরিয়ামে দলটির 'দেশ গড়ার পরিকল্পনা' শীর্ষক কর্মশালার চতুর্থ দিনের কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন। মির্জা আব্বাস দাবি করেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) কোনো ঘোষণা ছাড়াই দেশের অর্থনীতিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছিলেন।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা মির্জা আব্বাস 'দেশ গড়ার পরিকল্পনা' কর্মশালার চতুর্থ দিনে যুবদল ও কৃষক দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সংস্কার প্রসঙ্গে তার দলের অবস্থান তুলে ধরেন। তার মতে, যারা সংস্কারের কথা বলছেন, তাদের মূল লক্ষ্য কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য অনুকূল একটি ব্যবস্থা তৈরি করা, প্রকৃত অর্থে দেশের জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামোগত পরিবর্তন নয়। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, "তারা শুধু একটাই সংস্কার জানেন, তাদের এমন একটা সংস্কার করতে হবে, যে সংস্কার করলে তারা ক্ষমতায় যেতে পারবে।"

মির্জা আব্বাস শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তার আমলে নেওয়া বেশ কিছু পদক্ষেপকে 'নীরব সংস্কার' হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, জিয়াউর রহমান কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা দফায় অন্তর্ভুক্ত না করেও দেশের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিলেন।

  • পোশাক শিল্পে বিপ্লব: তিনি গার্মেন্টস (তৈরি পোশাক) শিল্পকে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন, যা ছিল একটি 'বিশাল বড় সংস্কার'। বর্তমানে এই খাতটি দেশের অর্থনীতির ভিত্তি এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রায় ৫০ শতাংশের জন্য দায়ী।

  • জনশক্তি রপ্তানি: কর্মক্ষম মানুষকে বিদেশে রপ্তানি করার যুগান্তকারী পদক্ষেপও জিয়াউর রহমানের। এটিও দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের 'সংস্কার'।

  • যুব উন্নয়ন: তিনি যুব মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করেন, যা ছিল দেশের যুব সমাজকে সংগঠিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার।

বিএনপি নেতা বলেন, শহীদ জিয়া কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই এমন বহু জনকল্যাণমূলক ও অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়ন করেছেন।

অনুষ্ঠানে মির্জা আব্বাস উপস্থিত নেতাকর্মীদের জনগণের কাছে কীভাবে ভোট চাইতে হবে, সে বিষয়ে দিকনির্দেশনাও দেন।

কর্মসূচিতে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার ও ড. মাহদী আমিন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী। বিকেলে কর্মসূচির প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ