মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কওমী টাইমস

শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বৃদ্ধি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানে বিশ্ববিখ্যাত এই ইসলামি বিদ্যাপীঠ

দারুল উলুম দেওবন্দে স্মার্টফোন নিষিদ্ধ: শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা জোরদারে কঠোর পদক্ষেপ



দারুল উলুম দেওবন্দে স্মার্টফোন নিষিদ্ধ: শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা জোরদারে কঠোর পদক্ষেপ

বিশ্বখ্যাত ইসলামি শিক্ষাকেন্দ্র দারুল উলুম দেওবন্দ তাদের শিক্ষার্থীদের জন্য স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট ব্যবহারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং পড়াশোনায় শিক্ষার্থীদের গভীর মনোযোগ নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই নিয়ম লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে সরাসরি প্রতিষ্ঠান থেকে বহিষ্কার করা হবে।

ভারতের উত্তরপ্রদেশে অবস্থিত ঐতিহাসিক ইসলামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন ও মাল্টিমিডিয়া ডিভাইসের ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। হোস্টেল ইনচার্জ মুফতি আশরাফ আব্বাস স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক আদেশে জানানো হয়, কোনো শিক্ষার্থী এখন থেকে ক্যাম্পাসের ভেতরে স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট রাখতে পারবেন না।

এই সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে মুফতি আশরাফ আব্বাস বলেন, "শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা থেকে বিচ্যুত হওয়া রোধ করতে এবং তাদের মধ্যে শৃঙ্খলার মান বাড়াতেই এই পদক্ষেপ। আমরা চাই তারা তাদের মূল লক্ষ্য অর্থাৎ শিক্ষার ওপর পূর্ণ মনোযোগ ধরে রাখুক।" তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং তাদের মূল উদ্দেশ্য থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানের নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, আকস্মিক তল্লাশির সময় যদি কারো কাছে স্মার্টফোন পাওয়া যায়, তবে সেটি তার নিজের দখলে ছিল বলে গণ্য করা হবে এবং কোনো অজুহাত ছাড়াই তাকে ‘আখরাজ’ বা বহিষ্কারের সম্মুখীন হতে হবে। মোবাইল ব্যবহার করা অবস্থায় ধরা পড়া জরুরি নয়, বরং ডিভাইসের উপস্থিতিই শাস্তির জন্য যথেষ্ট বলে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য, দারুল উলুম দেওবন্দে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা এবারই প্রথম নয়। এর আগেও গত বছর একই ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল এবং হোস্টেলগুলোতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। এবার ডিজিটাল বিচ্যুতিমুক্ত একটি সুন্দর শিক্ষাবৈচিত্র্য বজায় রাখতে আগের চেয়েও কঠোর অবস্থান নিয়েছে মাদ্রাসা প্রশাসন।

বিষয় : ভারত দারুল উলুম দেওবন্দ

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


দারুল উলুম দেওবন্দে স্মার্টফোন নিষিদ্ধ: শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা জোরদারে কঠোর পদক্ষেপ

প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বিশ্বখ্যাত ইসলামি শিক্ষাকেন্দ্র দারুল উলুম দেওবন্দ তাদের শিক্ষার্থীদের জন্য স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট ব্যবহারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং পড়াশোনায় শিক্ষার্থীদের গভীর মনোযোগ নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই নিয়ম লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে সরাসরি প্রতিষ্ঠান থেকে বহিষ্কার করা হবে।

ভারতের উত্তরপ্রদেশে অবস্থিত ঐতিহাসিক ইসলামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন ও মাল্টিমিডিয়া ডিভাইসের ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। হোস্টেল ইনচার্জ মুফতি আশরাফ আব্বাস স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক আদেশে জানানো হয়, কোনো শিক্ষার্থী এখন থেকে ক্যাম্পাসের ভেতরে স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট রাখতে পারবেন না।

এই সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে মুফতি আশরাফ আব্বাস বলেন, "শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা থেকে বিচ্যুত হওয়া রোধ করতে এবং তাদের মধ্যে শৃঙ্খলার মান বাড়াতেই এই পদক্ষেপ। আমরা চাই তারা তাদের মূল লক্ষ্য অর্থাৎ শিক্ষার ওপর পূর্ণ মনোযোগ ধরে রাখুক।" তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং তাদের মূল উদ্দেশ্য থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানের নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, আকস্মিক তল্লাশির সময় যদি কারো কাছে স্মার্টফোন পাওয়া যায়, তবে সেটি তার নিজের দখলে ছিল বলে গণ্য করা হবে এবং কোনো অজুহাত ছাড়াই তাকে ‘আখরাজ’ বা বহিষ্কারের সম্মুখীন হতে হবে। মোবাইল ব্যবহার করা অবস্থায় ধরা পড়া জরুরি নয়, বরং ডিভাইসের উপস্থিতিই শাস্তির জন্য যথেষ্ট বলে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য, দারুল উলুম দেওবন্দে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা এবারই প্রথম নয়। এর আগেও গত বছর একই ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল এবং হোস্টেলগুলোতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। এবার ডিজিটাল বিচ্যুতিমুক্ত একটি সুন্দর শিক্ষাবৈচিত্র্য বজায় রাখতে আগের চেয়েও কঠোর অবস্থান নিয়েছে মাদ্রাসা প্রশাসন।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ