গাজীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার শিক্ষার্থী ইয়াসিন আলীর পরিবারের কাছে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তিন লাখ টাকার নগদ অর্থ সহায়তা হস্তান্তর করেছেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন। একই সাথে টঙ্গী এলাকায় ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে গঠিত বিশেষ কমিটির সাথে এক বৈঠকে তিনি আগামী সাত দিনের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু করার আনুষ্ঠানিক আশ্বাস দিয়েছেন। এ পদক্ষেপে তা'মীরুল মিল্লাত মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনমনে স্বস্তি এবং নিরাপত্তার আশা জাগিয়েছে।
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের টঙ্গী এলাকায় সম্প্রতি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ঐতিহ্যবাহী তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার শিক্ষার্থী ইয়াসিন আলী। শিক্ষার্থী নিহতের এই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকেই টঙ্গী এলাকার ব্যস্ততম সড়কে পথচারী ও শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পারাপারের জন্য ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের জোরালো দাবি ওঠে।
ঘটনার ধারাবাহিকতায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন স্বশরীরে ডেকে নিয়ে নিহতের শোকসন্তপ্ত পরিবারের হাতে প্রতিশ্রুত তিন লাখ টাকার নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন। স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তিনি নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে সিটি করপোরেশনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
একই সঙ্গে টঙ্গী এলাকায় প্রস্তাবিত ফুটওভার ব্রিজ দ্রুত নির্মাণের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে জেলা প্রশাসক কর্তৃক গঠিত বিশেষ কমিটি এবং সিটি প্রশাসকের মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দীর্ঘ আলোচনার পর সিটি প্রশাসক ঘোষণা দেন যে, সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী সাতদিনের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।
উক্ত আলোচনা সভা ও অর্থ সহায়তা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ হেফজুর রহমান, তা'মীরুল মিল্লাত কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (টাকসু)-এর সহ-সভাপতি (ভিপি) মঈনুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মুর্তজা হাসান ফুয়াদ।
সভা শেষে তা'মীরুল মিল্লাত ছাত্র সংসদের নেতৃবৃন্দ ও নিহতের স্বজনরা জানান, সিটি প্রশাসকের এই দ্রুত পদক্ষেপ এবং ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের স্পষ্ট ঘোষণার মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থী ও পথচারীদের দীর্ঘদিনের যৌক্তিক দাবি পূরণের কার্যকর পথ সুগম হলো। তারা আশা প্রকাশ করেন, নির্ধারিত এক সপ্তাহের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু হলে ওই এলাকার সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশে হ্রাস পাবে এবং শিক্ষার্থীদের জীবনের ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসবে।
বিষয় : গাজীপুর

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
গাজীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার শিক্ষার্থী ইয়াসিন আলীর পরিবারের কাছে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তিন লাখ টাকার নগদ অর্থ সহায়তা হস্তান্তর করেছেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন। একই সাথে টঙ্গী এলাকায় ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে গঠিত বিশেষ কমিটির সাথে এক বৈঠকে তিনি আগামী সাত দিনের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু করার আনুষ্ঠানিক আশ্বাস দিয়েছেন। এ পদক্ষেপে তা'মীরুল মিল্লাত মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনমনে স্বস্তি এবং নিরাপত্তার আশা জাগিয়েছে।
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের টঙ্গী এলাকায় সম্প্রতি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ঐতিহ্যবাহী তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার শিক্ষার্থী ইয়াসিন আলী। শিক্ষার্থী নিহতের এই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকেই টঙ্গী এলাকার ব্যস্ততম সড়কে পথচারী ও শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পারাপারের জন্য ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের জোরালো দাবি ওঠে।
ঘটনার ধারাবাহিকতায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন স্বশরীরে ডেকে নিয়ে নিহতের শোকসন্তপ্ত পরিবারের হাতে প্রতিশ্রুত তিন লাখ টাকার নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন। স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তিনি নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে সিটি করপোরেশনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
একই সঙ্গে টঙ্গী এলাকায় প্রস্তাবিত ফুটওভার ব্রিজ দ্রুত নির্মাণের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে জেলা প্রশাসক কর্তৃক গঠিত বিশেষ কমিটি এবং সিটি প্রশাসকের মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দীর্ঘ আলোচনার পর সিটি প্রশাসক ঘোষণা দেন যে, সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী সাতদিনের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।
উক্ত আলোচনা সভা ও অর্থ সহায়তা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ হেফজুর রহমান, তা'মীরুল মিল্লাত কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (টাকসু)-এর সহ-সভাপতি (ভিপি) মঈনুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মুর্তজা হাসান ফুয়াদ।
সভা শেষে তা'মীরুল মিল্লাত ছাত্র সংসদের নেতৃবৃন্দ ও নিহতের স্বজনরা জানান, সিটি প্রশাসকের এই দ্রুত পদক্ষেপ এবং ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের স্পষ্ট ঘোষণার মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থী ও পথচারীদের দীর্ঘদিনের যৌক্তিক দাবি পূরণের কার্যকর পথ সুগম হলো। তারা আশা প্রকাশ করেন, নির্ধারিত এক সপ্তাহের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু হলে ওই এলাকার সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশে হ্রাস পাবে এবং শিক্ষার্থীদের জীবনের ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসবে।

আপনার মতামত লিখুন