মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
কওমী টাইমস

পারিবারিক কলহের জেরে ২০২৩ সালে স্ত্রী তানিয়াকে নির্মমভাবে হত্যা; আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ ভুক্তভোগী পরিবারের।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে স্ত্রীকে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড



কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে স্ত্রীকে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে হাত-পায়ে বৈদ্যুতিক তার পেঁচিয়ে শক দিয়ে নির্মমভাবে হত্যার দায়ে স্বামী মোহাম্মদ আজাদকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান এই রায় ঘোষণা করেন। রায় প্রদানের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে স্ত্রীকে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে পৈশাচিক কায়দায় হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় স্বামী মোহাম্মদ আজাদের মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার সকালে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান কাঠগড়ায় আসামির উপস্থিতিতে এই রায় পাঠ করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মোহাম্মদ আজাদ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের মো. কবির হোসেনের ছেলে।

মামলার বিবরণ ও বিচারিক নথিপত্র সূত্রে জানা যায়, আসামি আজাদের সঙ্গে তার স্ত্রী তানিয়া বেগমের দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তীব্র বিরোধ চলে আসছিল। এই কলহের জের ধরে ২০২৩ সালের ২৭ জুলাই দিবাগত রাতে আজাদ তার ঘুমন্ত স্ত্রী তানিয়ার হাত ও পায়ে বিদ্যুতের পরিবাহী তার পেঁচিয়ে শর্ট সার্কিট দিয়ে আকস্মিক শক দেন। এতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারাত্মক দগ্ধ অবস্থায় ঘটনাস্থলেই তানিয়া বেগমের করুণ মৃত্যু হয়।

ঘটনার পরপরই নিহতের মা মায়া বেগম বাদী হয়ে জামাতা মোহাম্মদ আজাদকে প্রধান আসামি করে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, সুরতহাল, আলামত ও সাক্ষীদের সাক্ষ্য-প্রমাণ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে আদালত আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

রায় ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. এনামুল হক সরকার সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, "দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত উপযুক্ত রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেছে। আমরা এখন এই মৃত্যুদণ্ড দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানাচ্ছি।" রায় ঘোষণার পর আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত নিহতের স্বজনরা অশ্রুসজল চোখে আদালতের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

বিষয় : কুমিল্লা আইন-আদালত হত্যা

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে স্ত্রীকে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে হাত-পায়ে বৈদ্যুতিক তার পেঁচিয়ে শক দিয়ে নির্মমভাবে হত্যার দায়ে স্বামী মোহাম্মদ আজাদকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান এই রায় ঘোষণা করেন। রায় প্রদানের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে স্ত্রীকে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে পৈশাচিক কায়দায় হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় স্বামী মোহাম্মদ আজাদের মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার সকালে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান কাঠগড়ায় আসামির উপস্থিতিতে এই রায় পাঠ করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মোহাম্মদ আজাদ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের মো. কবির হোসেনের ছেলে।

মামলার বিবরণ ও বিচারিক নথিপত্র সূত্রে জানা যায়, আসামি আজাদের সঙ্গে তার স্ত্রী তানিয়া বেগমের দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তীব্র বিরোধ চলে আসছিল। এই কলহের জের ধরে ২০২৩ সালের ২৭ জুলাই দিবাগত রাতে আজাদ তার ঘুমন্ত স্ত্রী তানিয়ার হাত ও পায়ে বিদ্যুতের পরিবাহী তার পেঁচিয়ে শর্ট সার্কিট দিয়ে আকস্মিক শক দেন। এতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারাত্মক দগ্ধ অবস্থায় ঘটনাস্থলেই তানিয়া বেগমের করুণ মৃত্যু হয়।

ঘটনার পরপরই নিহতের মা মায়া বেগম বাদী হয়ে জামাতা মোহাম্মদ আজাদকে প্রধান আসামি করে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, সুরতহাল, আলামত ও সাক্ষীদের সাক্ষ্য-প্রমাণ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে আদালত আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

রায় ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. এনামুল হক সরকার সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, "দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত উপযুক্ত রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেছে। আমরা এখন এই মৃত্যুদণ্ড দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানাচ্ছি।" রায় ঘোষণার পর আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত নিহতের স্বজনরা অশ্রুসজল চোখে আদালতের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ