বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ ও বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের মূল ধমনি হরমুজ প্রণালির ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা কমানো এবং দ্বিপক্ষীয় রাজনৈতিক কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে মঙ্গলবার তেহরান সফরে যাচ্ছেন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ বদর আল-বুসাইদি। সফরকালে তিনি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়েদ আব্বাস আরাগচির সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হবেন।
বিশ্বের অন্যতম প্রধান কৌশলগত ও বাণিজ্যিকভাবে সংবেদনশীল সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালির সার্বিক নিরাপত্তা এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ভৌগোলিক-রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ বদর আল-বুসাইদি তেহরানে এক গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সফরে যাচ্ছেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ‘ইরনা’ (IRNA) মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তেহরানে পৌঁছানোর পর ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আল-বুসাইদি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়েদ আব্বাস আরাগচির সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে শীর্ষ বৈঠকে বসবেন। এই আলোচনায় মূল লক্ষ্য হিসেবে স্থান পাবে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার সম্প্রসারণ, চলমান রাজনৈতিক সংলাপে গতি আনা এবং সর্বোপরি মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান স্পর্শকাতর আঞ্চলিক পরিস্থিতি।
ইসমাইল বাঘাই বলেন, "ইরান ও ওমান-উভয় দেশই ভৌগোলিক ও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির উপকূলীয় রাষ্ট্র। এই সমুদ্রপথের সার্বিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে দুই দেশেরই যৌথ দায়িত্ব রয়েছে। নিয়মিত রাজনৈতিক পরামর্শ ও আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখার চলমান প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।"
উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট খনিজ তেলের এক-তৃতীয়াংশ পরিবহন করা হয় এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে। ফলে আন্তর্জাতিক শিপিং রুট ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে এই জলপথের ভূমিকা অত্যন্ত অপরিসীম। সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক পরাশক্তি ও আঞ্চলিক বিভিন্ন শক্তির দ্বন্দ্বে এই হরমুজ প্রণালি কেন্দ্রিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন এক সংকটময় মুহূর্তে উপকূলীয় দুই মুসলিম দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যকার এই দ্বিপক্ষীয় ও কৌশলগত বৈঠককে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষপ হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
বিষয় : ওমান হরমুজ প্রণালি তেহরান

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ ও বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের মূল ধমনি হরমুজ প্রণালির ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা কমানো এবং দ্বিপক্ষীয় রাজনৈতিক কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে মঙ্গলবার তেহরান সফরে যাচ্ছেন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ বদর আল-বুসাইদি। সফরকালে তিনি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়েদ আব্বাস আরাগচির সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হবেন।
বিশ্বের অন্যতম প্রধান কৌশলগত ও বাণিজ্যিকভাবে সংবেদনশীল সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালির সার্বিক নিরাপত্তা এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ভৌগোলিক-রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ বদর আল-বুসাইদি তেহরানে এক গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সফরে যাচ্ছেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ‘ইরনা’ (IRNA) মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তেহরানে পৌঁছানোর পর ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আল-বুসাইদি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়েদ আব্বাস আরাগচির সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে শীর্ষ বৈঠকে বসবেন। এই আলোচনায় মূল লক্ষ্য হিসেবে স্থান পাবে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার সম্প্রসারণ, চলমান রাজনৈতিক সংলাপে গতি আনা এবং সর্বোপরি মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান স্পর্শকাতর আঞ্চলিক পরিস্থিতি।
ইসমাইল বাঘাই বলেন, "ইরান ও ওমান-উভয় দেশই ভৌগোলিক ও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির উপকূলীয় রাষ্ট্র। এই সমুদ্রপথের সার্বিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে দুই দেশেরই যৌথ দায়িত্ব রয়েছে। নিয়মিত রাজনৈতিক পরামর্শ ও আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখার চলমান প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।"
উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট খনিজ তেলের এক-তৃতীয়াংশ পরিবহন করা হয় এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে। ফলে আন্তর্জাতিক শিপিং রুট ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে এই জলপথের ভূমিকা অত্যন্ত অপরিসীম। সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক পরাশক্তি ও আঞ্চলিক বিভিন্ন শক্তির দ্বন্দ্বে এই হরমুজ প্রণালি কেন্দ্রিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন এক সংকটময় মুহূর্তে উপকূলীয় দুই মুসলিম দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যকার এই দ্বিপক্ষীয় ও কৌশলগত বৈঠককে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষপ হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন