মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কওমী টাইমস

তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সম্মিলিত প্রতিরোধ জোরদারের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এরদোয়ান।

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি বিশ্ব ও অঞ্চলে শান্তি-স্থিতিশীলতায় অবদান রাখবে: এরদোয়ান


প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি বিশ্ব ও অঞ্চলে শান্তি-স্থিতিশীলতায় অবদান রাখবে: এরদোয়ান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেছেন, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অঞ্চল ও বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। মঙ্গলবার কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (SCO) রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের শীর্ষ সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। একই সঙ্গে সংঘাত নিরসনে সংলাপ ও কূটনীতির ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বিশকেক: তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেছেন, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।

মঙ্গলবার কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে অনুষ্ঠিত সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (SCO)-এর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিয়ে দেওয়া এক ভাষণে এরদোয়ান এ মন্তব্য করেন।

এরদোয়ান বলেন, “ভূখণ্ডের মালিকানা ও সম্মিলিত প্রতিরোধের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা যৌথ প্রতিরক্ষার জন্য মক্কা চুক্তি এই অঞ্চলে ও বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।”

তিনি বলেন, তুরস্ক সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সংঘাত নিরসনের দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং বিশ্বে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

গত ৭ আগস্ট তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ মক্কায় একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

চুক্তিটি প্রতিরক্ষা সহযোগিতার একটি কাঠামোর আওতায় সম্পাদিত হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো দায়িত্ব ভাগাভাগির নীতি এবং নিরাপত্তা বিষয়ে অভিন্ন বোঝাপড়ার ভিত্তিতে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি বজায় রাখার অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করা।

চুক্তিতে যেকোনো আগ্রাসনমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটি দেশের ওপর সংঘটিত যেকোনো সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে।

এরদোয়ানের বক্তব্যে এ চুক্তিকে শুধু দ্বিপক্ষীয় বা ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বৃহত্তর আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার কাঠামোর অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে সংঘাত মোকাবিলায় সামরিক প্রস্তুতির পাশাপাশি সংলাপ ও কূটনীতির গুরুত্বও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

বিষয় : পাকিস্তান তুরস্ক সৌদি আরব এরদোয়ান সৌদি আরব

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

কওমী টাইমস

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি বিশ্ব ও অঞ্চলে শান্তি-স্থিতিশীলতায় অবদান রাখবে: এরদোয়ান

প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেছেন, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অঞ্চল ও বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। মঙ্গলবার কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (SCO) রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের শীর্ষ সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। একই সঙ্গে সংঘাত নিরসনে সংলাপ ও কূটনীতির ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বিশকেক: তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেছেন, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।

মঙ্গলবার কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে অনুষ্ঠিত সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (SCO)-এর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিয়ে দেওয়া এক ভাষণে এরদোয়ান এ মন্তব্য করেন।

এরদোয়ান বলেন, “ভূখণ্ডের মালিকানা ও সম্মিলিত প্রতিরোধের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা যৌথ প্রতিরক্ষার জন্য মক্কা চুক্তি এই অঞ্চলে ও বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।”

তিনি বলেন, তুরস্ক সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সংঘাত নিরসনের দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং বিশ্বে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

গত ৭ আগস্ট তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ মক্কায় একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

চুক্তিটি প্রতিরক্ষা সহযোগিতার একটি কাঠামোর আওতায় সম্পাদিত হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো দায়িত্ব ভাগাভাগির নীতি এবং নিরাপত্তা বিষয়ে অভিন্ন বোঝাপড়ার ভিত্তিতে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি বজায় রাখার অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করা।

চুক্তিতে যেকোনো আগ্রাসনমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটি দেশের ওপর সংঘটিত যেকোনো সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে।

এরদোয়ানের বক্তব্যে এ চুক্তিকে শুধু দ্বিপক্ষীয় বা ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বৃহত্তর আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার কাঠামোর অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে সংঘাত মোকাবিলায় সামরিক প্রস্তুতির পাশাপাশি সংলাপ ও কূটনীতির গুরুত্বও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি বিশ্ব ও অঞ্চলে শান্তি-স্থিতিশীলতায় অবদান রাখবে: এরদোয়ান
0:00 0:00
1.0x