দীর্ঘ প্রতীক্ষিত তুর্কমেনিস্তান–আফগানিস্তান–পাকিস্তান–ভারত (টিএপিআই) গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২৭ সালের শুরু থেকে আফগানিস্তানে গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে তুর্কমেনিস্তান। প্রকল্পটি এশিয়ার আঞ্চলিক অর্থনৈতিক একীকরণের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তুর্কমেনিস্তানের তেল ও গ্যাস সম্মেলনে টিএপিআই কোম্পানির মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মিরাত আমানোভ জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের প্রথম দিকেই তুর্কমেনিস্তান থেকে আফগানিস্তানে গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে। প্রকল্পের আফগানিস্তান অংশে কাজ অব্যাহত রয়েছে এবং এটি ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ সম্পন্ন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ পর্যন্ত তুর্কমেনিস্তানের ২১৪ কিলোমিটার পাইপলাইন সম্পূর্ণ হয়েছে। আফগানিস্তানের তুরঘুন্ডি থেকে হেরাত পর্যন্ত ১৫৩ কিলোমিটার অংশে কাজ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে চলছে। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে প্রকল্প-সংক্রান্ত মূল চুক্তির ৯০ শতাংশ আলোচনা ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে এবং ২০২৬ সালের মধ্যভাগে তা চূড়ান্ত হওয়ার কথা।
৩৩ বিলিয়ন ঘনমিটার বার্ষিক গ্যাস পরিবহন ক্ষমতাসম্পন্ন এই পাইপলাইনের মাধ্যমে আফগানিস্তান বছরে ৫ বিলিয়ন ঘনমিটার, আর পাকিস্তান ও ভারত প্রত্যেকে ১৪ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস পাবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আফগানিস্তানের ট্রানজিট আয়ে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটবে এবং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার জ্বালানি সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।
বিষয় : আফগানিস্তান

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৫
দীর্ঘ প্রতীক্ষিত তুর্কমেনিস্তান–আফগানিস্তান–পাকিস্তান–ভারত (টিএপিআই) গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২৭ সালের শুরু থেকে আফগানিস্তানে গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে তুর্কমেনিস্তান। প্রকল্পটি এশিয়ার আঞ্চলিক অর্থনৈতিক একীকরণের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তুর্কমেনিস্তানের তেল ও গ্যাস সম্মেলনে টিএপিআই কোম্পানির মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মিরাত আমানোভ জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের প্রথম দিকেই তুর্কমেনিস্তান থেকে আফগানিস্তানে গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে। প্রকল্পের আফগানিস্তান অংশে কাজ অব্যাহত রয়েছে এবং এটি ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ সম্পন্ন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ পর্যন্ত তুর্কমেনিস্তানের ২১৪ কিলোমিটার পাইপলাইন সম্পূর্ণ হয়েছে। আফগানিস্তানের তুরঘুন্ডি থেকে হেরাত পর্যন্ত ১৫৩ কিলোমিটার অংশে কাজ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে চলছে। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে প্রকল্প-সংক্রান্ত মূল চুক্তির ৯০ শতাংশ আলোচনা ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে এবং ২০২৬ সালের মধ্যভাগে তা চূড়ান্ত হওয়ার কথা।
৩৩ বিলিয়ন ঘনমিটার বার্ষিক গ্যাস পরিবহন ক্ষমতাসম্পন্ন এই পাইপলাইনের মাধ্যমে আফগানিস্তান বছরে ৫ বিলিয়ন ঘনমিটার, আর পাকিস্তান ও ভারত প্রত্যেকে ১৪ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস পাবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আফগানিস্তানের ট্রানজিট আয়ে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটবে এবং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার জ্বালানি সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।

আপনার মতামত লিখুন