উত্তর আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পার্বত্য অঞ্চলে ৬.৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে অন্তত সাতজন নিহত এবং ১৫০ জন আহত হয়েছেন। ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় রোববার দিবাগত রাতে বালখ প্রদেশের মাজার-ই-শরীফ শহরের কাছে অনুভূত হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মাজার-ই-শরীফের কাছে, ভূমির ২৮ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পের পর আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
মাজার-ই শরীফের সামাঙ্গান এলাকার স্বাস্থ্য বিভাগের মুখপাত্র সামিম জয়ান্দা রয়টার্সকে বলেন, “সোমবার সকাল পর্যন্ত সাতজন নিহত ও ১৫০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।”
এ তথ্য আফগানিস্তানের হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও নিশ্চিত করেছে। দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব পরে প্রকাশ করা হবে।
বলখ প্রদেশের মুখপাত্র হাজি জায়েদ জানান, ভূমিকম্পে ঐতিহাসিক নীল মসজিদ (Blue Mosque) বা মাজার-ই শরীফের পবিত্র মাজারের কিছু অংশ ধসে গেছে। তিনি বলেন, “মসজিদের কিছু অংশ ভেঙে পড়েছে এবং আশপাশের ভবনগুলোতেও ফাটল দেখা দিয়েছে।”
প্রায় ৫ লাখ ২৩ হাজার জনসংখ্যার শহর মাজার-ই-শরীফে অনেক বাসিন্দা ঘরবাড়ি ধসে পড়ার আশঙ্কায় রাতভর রাস্তায় অবস্থান করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আফটারশকের ভয়ে অনেকে এখনো ঘরে ফিরেননি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, হিন্দুকুশ অঞ্চলে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়, কারণ এটি ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক ফলকের সংযোগস্থলে অবস্থিত। তবে সাম্প্রতিক এই ভূমিকম্পটি ছিল চলতি বছরের অন্যতম শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর একটি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আফগানিস্তানে পুরোনো স্থাপনা ও দুর্বল অবকাঠামোর কারণে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি তুলনামূলকভাবে বেশি হয়।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৫
উত্তর আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পার্বত্য অঞ্চলে ৬.৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে অন্তত সাতজন নিহত এবং ১৫০ জন আহত হয়েছেন। ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় রোববার দিবাগত রাতে বালখ প্রদেশের মাজার-ই-শরীফ শহরের কাছে অনুভূত হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মাজার-ই-শরীফের কাছে, ভূমির ২৮ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পের পর আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
মাজার-ই শরীফের সামাঙ্গান এলাকার স্বাস্থ্য বিভাগের মুখপাত্র সামিম জয়ান্দা রয়টার্সকে বলেন, “সোমবার সকাল পর্যন্ত সাতজন নিহত ও ১৫০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।”
এ তথ্য আফগানিস্তানের হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও নিশ্চিত করেছে। দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব পরে প্রকাশ করা হবে।
বলখ প্রদেশের মুখপাত্র হাজি জায়েদ জানান, ভূমিকম্পে ঐতিহাসিক নীল মসজিদ (Blue Mosque) বা মাজার-ই শরীফের পবিত্র মাজারের কিছু অংশ ধসে গেছে। তিনি বলেন, “মসজিদের কিছু অংশ ভেঙে পড়েছে এবং আশপাশের ভবনগুলোতেও ফাটল দেখা দিয়েছে।”
প্রায় ৫ লাখ ২৩ হাজার জনসংখ্যার শহর মাজার-ই-শরীফে অনেক বাসিন্দা ঘরবাড়ি ধসে পড়ার আশঙ্কায় রাতভর রাস্তায় অবস্থান করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আফটারশকের ভয়ে অনেকে এখনো ঘরে ফিরেননি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, হিন্দুকুশ অঞ্চলে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়, কারণ এটি ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক ফলকের সংযোগস্থলে অবস্থিত। তবে সাম্প্রতিক এই ভূমিকম্পটি ছিল চলতি বছরের অন্যতম শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর একটি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আফগানিস্তানে পুরোনো স্থাপনা ও দুর্বল অবকাঠামোর কারণে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি তুলনামূলকভাবে বেশি হয়।

আপনার মতামত লিখুন