আফগানিস্তানের কাবুলে সাতদিনব্যাপী চতুর্থ ইমাম আবু হানিফা আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী বিপুল সাড়ার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, প্রায় এক মিলিয়ন দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ সমঝোতা স্মারক ও বাণিজ্যিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রদর্শনীটি শুধু ব্যবসায়িক লেনদেনেই নয়, স্থানীয় পণ্যের প্রচার–বাজারজাতকরণেও বড় ভূমিকা রেখেছে।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মোট ৭০০ মিলিয়ন ডলারের সমঝোতা স্মারক ও বাণিজ্যিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। পাশাপাশি সাত দিনে অংশগ্রহণকারী বিক্রেতারা ৮০ মিলিয়ন আফগানি মূল্যের পণ্য বিক্রি করেছেন।
আফগানিস্তান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের সিইও মোহাম্মদ ওয়ালি আমিনি জানান, “চতুর্থ ইমাম আবু হানিফা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী আগের যেকোনো সংস্করণকে ছাড়িয়ে গেছে—সংখ্যা ও গুণগত মান, উভয় ক্ষেত্রেই।”
প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ীরা বলেন, এটি স্থানীয় উৎপাদনকে বাজারে প্রতিষ্ঠিত করার এক অনন্য সুযোগ তৈরি করেছে। প্রদর্শনীতে আগত দর্শনার্থীরাও এর প্রশংসা করেন এবং নিয়মিত এমন আয়োজনের দাবি জানান।
এক্সিবিটার তাহা বলেন, “সাত দিনে আমরা দেশি ও বিদেশি উভয় গ্রাহকের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক লেনদেন করেছি।”
দর্শনার্থী নাভিদ জানান, “আমাদের দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, আজ যে পণ্যগুলো দেখছি—সবই ব্র্যান্ডেড এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত।”
আরেক দর্শনার্থী সুদাইস আহমাদ বলেন, “সরকার শুধু প্রদর্শনী নয়, বিদেশি পণ্যের পরিবর্তে দেশীয় পণ্য ব্যবহারে উৎসাহিত করার কর্মসূচি নিলে আরও ভালো ফল আসবে।”
এবারের প্রদর্শনীতে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি উজবেকিস্তান, ইরান, ভারত ও পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণকারীদের জন্য ৩০০টি আন্তর্জাতিক স্টল বরাদ্দ ছিল। অনুষ্ঠানের শেষ দিনে কয়েকটি অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
বিষয় : আফগানিস্তান

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫
আফগানিস্তানের কাবুলে সাতদিনব্যাপী চতুর্থ ইমাম আবু হানিফা আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী বিপুল সাড়ার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, প্রায় এক মিলিয়ন দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ সমঝোতা স্মারক ও বাণিজ্যিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রদর্শনীটি শুধু ব্যবসায়িক লেনদেনেই নয়, স্থানীয় পণ্যের প্রচার–বাজারজাতকরণেও বড় ভূমিকা রেখেছে।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মোট ৭০০ মিলিয়ন ডলারের সমঝোতা স্মারক ও বাণিজ্যিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। পাশাপাশি সাত দিনে অংশগ্রহণকারী বিক্রেতারা ৮০ মিলিয়ন আফগানি মূল্যের পণ্য বিক্রি করেছেন।
আফগানিস্তান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের সিইও মোহাম্মদ ওয়ালি আমিনি জানান, “চতুর্থ ইমাম আবু হানিফা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী আগের যেকোনো সংস্করণকে ছাড়িয়ে গেছে—সংখ্যা ও গুণগত মান, উভয় ক্ষেত্রেই।”
প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ীরা বলেন, এটি স্থানীয় উৎপাদনকে বাজারে প্রতিষ্ঠিত করার এক অনন্য সুযোগ তৈরি করেছে। প্রদর্শনীতে আগত দর্শনার্থীরাও এর প্রশংসা করেন এবং নিয়মিত এমন আয়োজনের দাবি জানান।
এক্সিবিটার তাহা বলেন, “সাত দিনে আমরা দেশি ও বিদেশি উভয় গ্রাহকের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক লেনদেন করেছি।”
দর্শনার্থী নাভিদ জানান, “আমাদের দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, আজ যে পণ্যগুলো দেখছি—সবই ব্র্যান্ডেড এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত।”
আরেক দর্শনার্থী সুদাইস আহমাদ বলেন, “সরকার শুধু প্রদর্শনী নয়, বিদেশি পণ্যের পরিবর্তে দেশীয় পণ্য ব্যবহারে উৎসাহিত করার কর্মসূচি নিলে আরও ভালো ফল আসবে।”
এবারের প্রদর্শনীতে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি উজবেকিস্তান, ইরান, ভারত ও পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণকারীদের জন্য ৩০০টি আন্তর্জাতিক স্টল বরাদ্দ ছিল। অনুষ্ঠানের শেষ দিনে কয়েকটি অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন